Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
হোটেলশ্রমিক সোহেলের মজুরিতে রাস্তা সংস্কার
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রঙিন সময়

প্রেমের গল্পে জীবনের কথা বলা জরুরি

জনি হক
জনি হক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩
শেয়ার করুন:
প্রেমের গল্পে জীবনের কথা বলা জরুরি

আদনান আল রাজীব - ফেসবুক

বিজ্ঞাপনচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সাফল্যের পর এবার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণে নামছেন
আদনান আল রাজীব। তিনি এর নাম রেখেছেন ‘অপলক’। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জনি হক

 

আপনার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। ‘অপলক’ প্রযোজনা করছে কারা?

‘ফ্রেম পার সেকেন্ড’ ব্যানার থেকে সিনেমাটি হচ্ছে। আমরা নিজেদের সম্মানী না নিয়ে সেই অর্থ এতে বিনিয়োগ করছি। বলতে পারেন, এটা আমাদের

প্রেমের গল্পআদনান আল রাজীবআফরান নিশোমেহজাবীনরঙিন সময়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    ব্যানারে শহীদ জিয়ার ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    বক্তব্যে শহীদ জিয়ার নাম নিলেন না শিক্ষা কর্মকর্তা, পরে দুঃখ প্রকাশ

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ‘সুবর্ণচর এক্সপ্রেস’

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    রাষ্ট্র সংস্কারে জিয়ার ভূমিকা ও আজকের বাংলাদেশ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    ৩ প্রেক্ষিত ৩ পক্ষ

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    জীবনে ঠিকানাহীন, সাহিত্যে চিরস্থায়ী

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    আদর্শ থেকে ‘সরে যাওয়ায়’ এনসিপি ছাড়লেন শিশির

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    শুল্ক বাড়িয়ে উল্টো রাজস্ব হারাল এনবিআর

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, চালককে পিটিয়ে আহত

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    কর্ণফুলী তো গুটিয়েই গেল; ইস্টার্ন প্লাজা, আলপনা প্লাজার কী হাল?

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    রূপপুরের আলোয় স্বপ্ন দেখছে তরুণ প্রজন্ম

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট

    ওই দেখা যায় এভারেস্ট

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    বরিশালে বিএনপির সমাবেশে হাতাহাতি, আহত যুবদলের সাবেক নেতা

    একটা
    সম্মিলিত
    উদ্যোগ।
    সিনেমা
    করার
    ইচ্ছা
    আর
    গল্পটার
    ওপর
    বিশ্বাস
    থেকেই
    সবাই
    একত্র
    হয়েছি।
    প্রযোজনার
    জায়গাটা
    আমরা
    উন্মুক্ত
    রেখেছি।
    কেউ
    গল্পটার
    প্রতি
    আমাদের
    মতোই
    বিশ্বাস
    রেখে
    যুক্ত
    হতে
    চাইলে
    অবশ্যই
    স্বাগত।
    তবে
    নতুন
    কেউ
    যুক্ত
    না
    হলেও
    আমাদের
    পরিকল্পনা
    অনুযায়ী
    ,
    নির্ধারিত
    সময়ের
    মধ্যেই
    সিনেমার
    কাজ
    শেষ
    করব।

     

    ‘অপলক’ গল্পটি কেমন?

    প্রতিটি গল্পেই নির্মাতার নিজের ভাবনা, দর্শন কিছু না কিছু থাকে। যে কথাগুলো বলতে চাই, সেগুলো এমনভাবে বলতে চেষ্টা করি যেন দর্শক আনন্দ নিয়ে গল্পটা দেখতে দেখতেই সেই ভাবনার কাছে পৌঁছাতে পারেন। সম্পর্কের ছোট ছোট বিষয় আমাকে খুব ভাবায়। অনেক অনুভূতি আছে, যা আমরা প্রকাশ করি না। অনেক কথা মনের মধ্যে জমে থাকে, কাছের মানুষটিকেও বলা হয় না। আবার একই সম্পর্ককে দুজন মানুষ সম্পূর্ণ আলাদাভাবে দেখেন। মাঝেমধ্যে মনে হয়, পৃথিবীর সবাই নির্মাতা হলে প্রত্যেকেই আলাদা গল্প বলতেন। কারণ প্রত্যেকের দেখার চোখ আলাদা। ‘অপলক’ও আমার আশপাশের মানুষ, দেখা জীবন আর নিজের কিছু উপলব্ধি থেকে তৈরি একটা প্রেমের গল্প। এখানে কিছু প্রশ্ন আছে, কিছু উত্তরও আছে। তবে সবকিছুই খুব সহজ একটা গল্পের ভেতর দিয়ে বলতে চাই।

     

    রোমান্টিক ফিল্ম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া কী ভেবে?

    প্রেমের গল্প আমার সবসময়ই ভালো লাগে। আমার মনে হয়, মানুষের সবচেয়ে জটিল সম্পর্কগুলোর একটি হচ্ছে প্রেম। সেখানে ভালোবাসা আছে, আবার নিজের সঙ্গে নিজের দ্বন্দ্বও আছে। মানুষ কী ভাবছে, কী বলতে পারছে আর কী বলতে পারছে না– এই জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করতে আমার ভালো লাগে। আমাদের চারপাশের বাস্তবতাও তো প্রেমকে নানাভাবে প্রভাবিত করে, তার গতিপথ বদলে দেয়। আর সবচেয়ে বড় কথা, এই গল্পটাই আমার মাথায় খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। আমার মনে হয়, একটা ভাবনারও নিজস্ব সময় থাকে। সেই সময় পেরিয়ে গেলে কখনো কখনো তার শক্তিটা আর আগের মতো থাকে না। এই গল্পটা এখন আমাকে কাজ করার শক্তি দিচ্ছে। তাই এখনই বলতে চাই। আর এই প্রেমের গল্পের মধ্য দিয়েই আমাদের জীবনের আরও কিছু কথা বলতে চাই, যেগুলো আমার কাছে খুব জরুরি।

     

    আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরীকে নেওয়া প্রসঙ্গে বলুন।

    নিশো ও মেহজাবীন দুজনই খুব ভালো অভিনয়শিল্পী। তাদের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, তাদের অভিনয়ের শক্তি কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। আমার সিনেমার মূল দুই চরিত্রের মধ্যে আবেগ, পরিণতিবোধ, হাস্যরস এবং ভেতরের দ্বন্দ্ব আছে। আমার মনে হয়েছে, সেই জায়গাগুলো তারা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। চরিত্রের কিছু কথা সরাসরি বলা থাকবে, কিছু কথা দর্শককে তাদের অভিনয় দেখে বুঝে নিতে হবে। সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই তাদের নির্বাচন করা। আমি চাই, দর্শক একটা সময়ের পর নিশো-মেহজাবীনকে ভুলে গিয়ে শুধু চরিত্র দুটোকে দেখুক।

    স্বামী নির্মাতা হলে সিনেমায় স্ত্রী সম্পর্কের কারণে সুযোগ পান, এমন কথা প্রচলিত আছে। মেহজাবীনকে আপনার সিনেমায় নেওয়া প্রসঙ্গে কী বলবেন?

    এমন প্রশ্ন আসতে পারে, সেটা আমি বুঝি। তবে মেহজাবীনের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ব্যক্তিগত। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে তার যে অবস্থান, সেটা তিনি নিজের কাজ ও যোগ্যতায় তৈরি করেছেন। একজন নির্মাতা হিসেবে যদি মনে করি, কোনো চরিত্রের জন্য মেহজাবীন সবচেয়ে উপযুক্ত, তাহলে শুধু আমার স্ত্রী বলে তাকে বাদ দেওয়াটাও তো ঠিক হবে না। আমার কাছে নির্বাচনের ভিত্তি হচ্ছে চরিত্রটা এবং সেই চরিত্রে অভিনয়শিল্পীকে কতটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলে কাজের দায়িত্বও বেড়ে যায়। কারণ সেই সম্পর্ক দিয়ে পর্দার অভিনয় ভালো করা যায় না। শেষ পর্যন্ত দর্শক দেখবেন, চরিত্রটা বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে কি না। আমার কাছেও সেটাই আসল। আর আমি সামনে নতুন-পুরনো আরও অনেক শক্তিশালী অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করতে চাই। গল্প ও চরিত্র অনুযায়ী সেই সুযোগগুলো তৈরি হবে বলে আশা করি।

     

    আরও পড়ুন

    পরীমনিকে নিয়ে যত বিতর্ক

    ০৬ নভেম্বর ২০২৬

    অনেক বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেছেন। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করে কান উৎসবে ইতিহাস গড়েছেন। এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে?

    অবশ্যই কাজে লাগবে। বিজ্ঞাপন আমাকে খুব অল্প সময়ে একটা গল্প বলতে শিখিয়েছে। একটা ফ্রেমের গুরুত্ব, সময়ের মূল্য, বড় টিম নিয়ে কাজ করা– এসব অভিজ্ঞতা সেখান থেকেই পেয়েছি। অন্যদিকে ‘আলী’ আমাকে অনেক কিছু নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। বিশেষ করে নীরবতা, মানুষের ভেতরের অনুভূতি এবং গল্প বলার ক্ষেত্রে সংযমের গুরুত্ব। কানে ‘আলী’র স্বীকৃতি আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। তবে সেটা আমার পরের সিনেমা ভালো হওয়ার নিশ্চয়তা নয়। প্রতিটি গল্পের জন্যই নতুন করে কাজ করতে হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার চ্যালেঞ্জও আলাদা। এখানে চরিত্রগুলোর সঙ্গে দর্শকের একটা সম্পর্ক তৈরি করতে হয়, দীর্ঘ সময় তাদের গল্পের সঙ্গে রাখতে হয়। আগের অভিজ্ঞতাগুলো সঙ্গে নিয়েই এই নতুন জায়গাটা বুঝতে চাই। আর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা বলে আলাদা একটা আনন্দ আছে।

     

    আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাম্প্রতিক চিত্র আশাব্যঞ্জক নয়। এমন পরিস্থিতিতে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ কি ঝুঁকিপূর্ণ নয়?

    অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। সিনেমা বানানো এমনিতেই ঝুঁকির কাজ। আমাদের এখানে অনিশ্চয়তার জায়গা আরও বেশি। একটা ভালো সিনেমা বানাতে পারলেও সেটা ঠিকভাবে দর্শকের কাছে পৌঁছাবে কি না, বিনিয়োগ কীভাবে ফিরে আসবে– এসব নিয়ে ভাবতে হয়। প্রেক্ষাগৃহ, পরিবেশনা, প্রচারসহ প্রতিটি জায়গাতেই চ্যালেঞ্জ আছে। তবে ‘দর্শক সিনেমা দেখেন না’ বলে পুরো দায় তাদের ওপর দিতে চাই না। দর্শককে সিনেমা দেখার কারণ দিতে হবে, তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। সিনেমাটির খবর তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে, দেখার সুযোগও থাকতে হবে। বিভিন্ন ধরনের সিনেমা হওয়াটাও জরুরি। প্রেমের গল্প, কমেডি, থ্রিলার, পারিবারিক গল্প, স্বাধীন ধারার সিনেমা– সবকিছুর জায়গা থাকা দরকার। আমি ঝুঁকিটা বুঝেই কাজ করছি। সেই অনুযায়ী পরিকল্পনাও করছি। কিন্তু ঝুঁকির ভয়ে আমরা গল্প বলা বন্ধ করে দিলে এগোব কীভাবে?