সেনাপ্রধান আইজেনকট এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে, ফিলিস্তিন প্রশ্নে কী অবস্থান

সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলছেন গাদি আইজেনকট। ফাইল ছবি / রয়টার্স
ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ছিলেন চার বছর। লেবানন ও গাজায় সামরিক অভিযান, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক নীতি এবং ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পরে রাজনীতিতে এসে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী শিবিরে যোগ দেন।
এবার ভোটে আরব ও অন্য দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার পর সরকার গঠনের ডাক পেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট। তবে তার সামনে যেমন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনি রয়েছে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ। আর ফিলিস্তিন প্রশ্নে তার অবস্থানও নেতানিয়াহুর নীতির চেয়ে খুব বেশি আলাদা নয়।
মরক্কোর অভিবাসী পরিবারের সন্তান
গাদি আইজেনকটের জন্ম ১৯৬০ সালের ১৯ মে, ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের তিবেরিয়াস শহরে। তার বাবা-মা মরক্কো থেকে ইসরায়েলে অভিবাসী হয়েছিলেন। আইজেনকট যখন শিশু, তখন পরিবারটি দক্ষিণাঞ্চলের শহর ইলাতে চলে যায়। সেখানেই তার বেড়ে ওঠা।
ইসরায়েলের সমাজে তিনি মিজরাহি বা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকীয় বংশোদ্ভূত ইহুদি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি। ইসরায়েলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত ইহুদিদের প্রভাব বেশি থাকায় তার এই পরিচয় রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি হবেন দেশটির প্রথম মিজরাহি বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী।
১৮ বছর বয়সে, ১৯৭৮ সালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোলানি পদাতিক ব্রিগেডে যোগ দেন আইজেনকট। এরপর চার দশকের বেশি সময় ধরে সামরিক বাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯০-এর দশকে তিনি গোলানি ব্রিগেডের কমান্ডার হন। পরে পশ্চিম তীরের সামরিক কমান্ড, সেনাবাহিনীর অপারেশন বিভাগ এবং উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান।
২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২১তম চিফ অব জেনারেল স্টাফ বা সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন আইজেনকট। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে চার বছরের মেয়াদ শেষে অবসরে যান। সেনাবাহিনীতে তার মোট কর্মজীবন ছিল ৪১ বছর।
লেবানন যুদ্ধ ও ‘দাহিয়া মতবাদ’
আইজেনকটের সামরিক পরিচয়ের অন্যতম আলোচিত অংশ ‘দাহিয়া মতবাদ’। ২০০৬ সালের লেবানন যুদ্ধের পর তিনি যখন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্বে ছিলেন, তখন এ সামরিক কৌশলের ধারণা সামনে আসে। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়া উপশহরের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়।
এই কৌশলের মূল কথা হলো, হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত হলে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ব্যাপক ও অসম মাত্রার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা। এর মধ্যে বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিও রয়েছে। আইজেনকটের যুক্তি ছিল, এ ধরনের শক্তি প্রয়োগ প্রতিপক্ষকে যুদ্ধের মূল্য বুঝিয়ে দিতে পারে।
তবে সমালোচকদের মতে, বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার এমন নীতি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সঙ্গে গুরুতর সংঘাত তৈরি করতে পারে। ইসরায়েল অবশ্য এ ধরনের অভিযোগের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে।
২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান থাকাকালে লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সামরিক প্রস্তুতি মোকাবিলায় গুরুত্ব দেন তিনি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তার নেতৃত্বে ‘অপারেশন নর্দার্ন শিল্ড’ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে প্রবেশের জন্য হিজবুল্লাহর তৈরি করা সুড়ঙ্গ শনাক্ত ও ধ্বংস করাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য।
গাজা নিয়েও তার সামরিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের পর তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নেন। তার মেয়াদে ২০১৮ সালে গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ দমনে ইসরায়েলি বাহিনীর ভূমিকা এবং সিরিয়ায় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানও আলোচনায় আসে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হলে তিনি আবারও সিদ্ধান্ত গ্রহণের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিসরে যুক্ত হন।
সামরিক পোশাক থেকে রাজনীতির ময়দানে
সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পর কিছুদিন বিভিন্ন বেসরকারি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন আইজেনকট। ২০২২ সালে বেনি গান্টজের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ইউনিটি পার্টিতে যোগ দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ওই বছরই তিনি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে নির্বাচিত হন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর নেতানিয়াহু জরুরি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করলে আইজেনকটও তাতে যোগ দেন। যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তবে গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা, জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধ শেষ করার কৌশল নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার মতবিরোধ বাড়তে থাকে।
২০২৪ সালের জুনে বেনি গান্টজের সঙ্গে সরকার ছাড়েন আইজেনকট। তার অভিযোগ ছিল, নেতানিয়াহু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার চেয়ে রাজনৈতিক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গান্টজের দল থেকে আলাদা হয়ে নিজস্ব রাজনৈতিক দল ‘ইয়াশার’ গঠন করেন। হিব্রু ভাষায় ‘ইয়াশার’ শব্দের অর্থ সোজা বা ন্যায্য।
ইয়াশার দলের অবস্থান কী
ইয়াশার নিজেকে মধ্যপন্থী ও বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী দল হিসেবে তুলে ধরেছে। দলটির ঘোষিত লক্ষ্য—ইসরায়েলকে ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ধরে রাখা, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করা, অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
দলটি সবার জন্য সামরিক বা জাতীয় সেবা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে। অর্থাৎ অতি-ধর্মীয় ইহুদি ও আরব নাগরিকদেরও সামরিক অথবা বেসামরিক জাতীয় সেবার আওতায় আনার কথা বলেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, সংবিধান প্রণয়ন, সরকারি শিক্ষা এবং প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও রয়েছে তাদের কর্মসূচিতে।
নেতানিয়াহুর সরকারের বিচারব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রচেষ্টার সমালোচনা করেছেন আইজেনকট। তবে ফিলিস্তিন প্রশ্নে তার অবস্থান বামপন্থী বা শান্তিবাদী রাজনীতিকদের মতো নয়।
তিনি ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পক্ষে থাকলেও পুরো ভূখণ্ড একতরফাভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার বিরোধিতা করেছেন। বসতি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও আইন মেনে চলার কথা বলেছেন।
গাজা নিয়ে তার অবস্থান আরও কঠোর। তিনি বলেছেন, ১৮ মাসের মধ্যে হামাসের শাসনের অবসান ঘটাতে চান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা অনুযায়ী হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তা সম্ভব না হলে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে গোষ্ঠীটির সামরিক শাখা ধ্বংস করার কথা বলেছেন। অর্থাৎ তার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলেও গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বা ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।
নির্বাচনে সাফল্য, কিন্তু সরকার গঠনে বাধা
২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে আইজেনকটের ইয়াশার দল ১২০ আসনের নেসেটে ২১টি আসন পেয়েছে। দলটি এককভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তার নেতৃত্বাধীন চার দলের বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।
নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সমর্থন পেতে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে দলগুলোর পরামর্শে অংশ নেন আইজেনকট। দুই আরব-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক জোটও তাকে সমর্থন দেয়। এর ফলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি এগিয়ে যান। ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট তাকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন। এ জন্য তিনি ২৮ দিন সময় পেয়েছেন; প্রয়োজনে আরও দুই সপ্তাহ সময় বাড়ানো যেতে পারে।
তবে এখানেই তার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক জটিলতা। আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া তার জোটের আসনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক কম। অথচ আরব দলগুলোকে সরকারে অংশীদার করার বিষয়ে আইজেনকট নিজেই কঠোর শর্ত দিয়েছেন।
তার মতে, ইসরায়েলকে ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করা, বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা এবং হামাসের সামরিক ও শাসনক্ষমতা বিলুপ্ত করার নীতিতে সম্মতি না দিলে কোনো দল তার সরকারে অংশ নিতে পারবে না। তিনি বলেছেন, বর্তমানে আরব দলগুলোর কোনোটি এসব শর্ত পূরণ করে না।
নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনও তার জন্য কঠিন। কারণ নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে সরকার গঠন না করার অবস্থান জানিয়েছেন আইজেনকট। ফলে আরব দলগুলোর সমর্থন গ্রহণ, সংখ্যালঘু সরকার গঠন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খুঁজতে হবে তাকে।
প্রধানমন্ত্রী হলে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি
আইজেনকটের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা। আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে তার জোটের ভেতরেই মতবিরোধ রয়েছে। আবার অতি-ধর্মীয় ইহুদিদের সামরিক সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা ধর্মীয় দলগুলোর সঙ্গে সংঘাত তৈরি করতে পারে। ফলে সরকার গঠনের পরও জোটের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকবে।
নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন নীতিও বড় চ্যালেঞ্জ। তার সামরিক অতীত, দাহিয়া মতবাদ এবং হামাসের শাসনক্ষমতা সামরিকভাবে বিলুপ্ত করার অঙ্গীকার ইঙ্গিত দেয়, গাজা ও লেবানন প্রশ্নে তিনি কঠোর নিরাপত্তানীতি বজায় রাখতে পারেন। ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অবস্থানও সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধানকে জটিল করতে পারে।
অন্যদিকে নেতানিয়াহুর সরকারের সমালোচনা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সামরিক বাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকলেও জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম।
২০২২ সালে রাজনীতিতে আসার পর মাত্র চার বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ফলে জোট পরিচালনা, ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর বিরোধ সামলানো এবং যুদ্ধ-পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনায় তার রাজনৈতিক দক্ষতার পরীক্ষা হবে।
ব্যক্তিগত জীবনেও যুদ্ধের বড় মূল্য দিয়েছেন আইজেনকট। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে তার ছেলে গাল নিহত হন। একই যুদ্ধে তার দুই ভাতিজাও নিহত হয়েছেন। এই পারিবারিক ক্ষতি তার রাজনৈতিক বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছে। তিনি বলেছেন, এই ক্ষতি তাকে দেশের জন্য আরও কাজ করার প্রেরণা দেয়।
সেনাবাহিনীর দীর্ঘ কর্মজীবন, যুদ্ধ পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং নেতানিয়াহুবিরোধী জনমতের একটি অংশকে একত্র করার মধ্য দিয়ে আইজেনকট ইসরায়েলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে এসেছেন।
কিন্তু তার সরকার গঠনের সাফল্য নির্ভর করবে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন এবং জোটের মতবিরোধ সামলানোর ওপর। আর প্রধানমন্ত্রী হতে পারলেও ফিলিস্তিন প্রশ্নে তার সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ইসরায়েলের নীতিতে কতটা পরিবর্তন আনবে, সেটিই হবে বড় প্রশ্ন।
সূত্র : সিএনএন, স্ট্রেইটস টাইমস, রয়টার্স ও আলজাজিরা









