সংখ্যায় ডারউইন টেস্ট

সংগৃহীত ছবি
১
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জিতল তৃতীয়বারের চেষ্টায়। এর আগে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২ টেস্ট খেলে দুটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ টেস্টে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয় ।
২
সফরকারী দলগুলোর মধ্যে কেবল ইংল্যান্ড (২ ম্যাচ) অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিততে বাংলাদেশের চেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকাও তাদের ৩য় চেষ্টায় জিতেছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে।
৩
গত ১৫ বছরে টস জিতেও ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট হারল ৩ বার। বাকি দুটি ছিল ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনে। এছাড়া ২০২৩ সালে ওভালে অ্যাশেজ টেস্টের পর এবারই প্রথম টস জিতেও হারল অস্ট্রেলিয়া। মাঝের ৯টি টেস্টেই তারা টস জিতে ম্যাচও জিতেছিল।
৫
ডারউইনে বল হাতে ৫ উইকেটের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও হাফ সেঞ্চুরি করেন মিরাজ। একই টেস্টে ৫০+ রান ও ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি তিনি ক্যারিয়ারে ৪র্থ বারের মতো করলেন। দেশের বাইরে মিরাজ ও সাকিব আল হাসানের এই রেকর্ড রয়েছে সর্বোচ্চ দুইবার করে।
৬
প্রথম অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক হিসেবে প্যাট কামিন্স ৬টি আলাদা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টেস্ট হারলেন। এর আগে ৬ জন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক সর্বোচ্চ ৫টি দলের কাছে হেরেছিলেন। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে কামিন্স কেবল হারেননি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
৯
দেশের বাইরে অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্ত জিতলেন ৩ টেস্ট, যা বাংলাদেশি অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগের দুটি জয় ছিল ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে। বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল টেস্ট অধিনায়কও তিনি। তার হাত ধরে বাংলাদেশ জিতেছে ৯ টেস্ট।
১০
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসাররা নিয়েছেন ১০ উইকেট। এর আগে একবারই এমন কীর্তি ছিল বাংলাদেশি পেসারদের, সেটা ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে।
১৪
ডারউইন টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের পেসাররা ১৪টি উইকেট নেন, যা টেস্টে তাদের যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড।
৩৩
দেশের মাটিতে ক্যামেবন গ্রিনের টেস্ট সেঞ্চুরি পেতে অপেক্ষা করতে হল ৩৩ ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ায় নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করতে গ্রিনের চেয়ে বেশি ইনিংস লেগেছে মাত্র দুজন খেলোয়াড়ের—ইয়ান হিলি (৪১) এবং বব সিম্পসন (৩৬)।
১১১
ডারউইনে হাসান মাহমুদ দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১১ রানে নিয়েছেন ৯ উইকেট ,যা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা যেকোনো সফরকারী বোলারের তৃতীয় সেরা। তার সামনে আছেন কেবল ওয়াসিম আকরাম (১৬০ রানে ১১ উইকেট, মেলবোর্ন ১৯৯০) এবং মরিস টেট (২২৮ রানে ১১ উইকেট, সিডনি ১৯২৪)।
১৯৮
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে এটি যেকোনো দলের সর্বনিম্ন সংগ্রহ। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ারও সর্বনিম্ন রান।
১০৭৫
ডারউইন টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বোলারদের উইকেটের পার্থক্য ১০৭৫টি। জয়ী ও হারা দলের বোলারদের এমন পার্থক্য এর চেয়ে বেশি ছিল কেবল দুইবার—২০২৪ সালে পার্থে যখন ভারত অস্ট্রেলিয়াকে হারায় (১২৪৭) এবং একই বছরের শুরুতে ব্রিসবেনে যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অস্ট্রেলিয়াকে হারায় (১১১১)।
২০১৯
মেলবোর্নে ২০১৯ সালে ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদবের পর মেহেদী হাসান মিরাজই প্রথম সফরকারী স্পিনার, যিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন। এছাড়া, ২০০০ সালের পর থেকে মিরাজ ছাড়া একমাত্র সফরকারী অফস্পিনার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন গ্রায়েম সোয়ান (অ্যাডিলেড, ২০১০)।






