সাজিদ-শফিকের ঘূর্ণিতে চালকের আসনে পাকিস্তান

টেস্ট ক্রিকেটের একটি রোমাঞ্চকর দিনের সাক্ষী হলো ক্রিকেটবিশ্ব। বারবার রূপ বদলে গেল ম্যাচের। প্রথম ইনিংসে জোমেল ওয়ারিকেনের ঘূর্ণিজাদুতে পাকিস্তান বড় লিড নিতে ব্যর্থ হলেও শেষ সেশনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ম্যাচের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয়ে সফরকারীরা। মাত্র ১০৩ রান তুলতেই স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারিয়েছে ৬ উইকেট। পিচের যে আচরণ, তাতে এরই মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছে বাবর আজমের দল।
ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে উইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা মন্দ হয়নি। ওপেনিং জুটিতে এসেছিল ৪০ রান। তবে পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ শুরু হতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। তৃতীয় দিনের শেষ সেশনটি দুই দলের জন্যই ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেষ ঘণ্টায় ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান দুই পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান ও আলী উসমান।
সাজিদ খানের নিখুঁত লেংথ এবং ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে একে একে সাজঘরে ফেরেন চন্দরপল (১৭) ও আমির জাংগু (১৩)। ইনজুরির কারণে ব্র্যান্ডন কিং মাঠের বাইরে থাকায় ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয় স্বাগতিকরা। ক্রিজে থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও আলী উসমানের আর্ম বলে বোকা বনে যান কাভেম হজ (৩৪)। দিনের শেষভাগে অধিনায়ক রোস্টন চেজ (১৭) ও শাই হোপ (১৫) প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। শেই হোপ সাজিদের শিকার হওয়ার পর দিনের শেষ বলে চেজকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন উসমান।
উইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে সাজিদ একাই নেন ৪ উইকেট, উসমান নেন দুইটি। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রান তুলেছিল পাকিস্তান। ১৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন আব্দুল্লাহ শফিক। অধিনায়ক বাবর আজম সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও আউট হন ৮৮ রানে। পাকিস্তানের ইনিংস আর দীর্ঘ হতে দেননি ৬ উইকেট শিকার করা জোমেল ওয়ারিক্যান। প্রথম ইনিংসে ৩৪৪ রান তোলা উইন্ডিজের লিড হয়েছে ৬০* রানের।





