সেমিফাইনালে ভারতকে পেল বাংলাদেশ

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার নিগার সুলতানা জ্যোতিরা স্বাগতিক আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৩৪ রানে জিতেছে। আগে ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৭ উইকেটে ১০৩ রান। জবাবে আরব আমিরাত থেমেছে ৯ উইকেটে ৬৯ রানে। শ্রীলঙ্কার পর গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিতে উঠে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ।
নারী এশিয়া কাপে ২০১৮ সালে শিরোপা জিতেছিলো বাংলাদেশ। বড় কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে এটাই বাংলাদেশের সেরা সাফল্য। কিন্তু ওই শিরোপার পর নারী এশিয়া কাপের আসরে আর ফাইনালে খেলা হয়নি বাংলাদেশের। সেমিফাইনালে থামতে হয়েছে গতবার। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে শেষ চারেও খেলা হয়নি। এবর সেই আক্ষেপ দূর করার লক্ষ্য নিয়ে টুর্নামেন্টে গিয়েছে বাংলাদেশ।
অথচ সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়ায় আবারও একই ভাগ্য বরণ করার ভয় জ্যোতিদের সামনে। অপর সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ ভারতের বাধা কাটিয়ে ওঠা। ২০১৮ সালে ভারতকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এখন পারফরম্যান্সের বিচারে ভারতের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আছেন জ্যোতিরা।
পিছিয়ে থাকাটা ব্যাটিংয়ের দিক থেকেই। এই আসরে দুর্বল ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ১২৯ রান সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও ১২০ এর কোটা পার করা সম্ভব হয়নি। হতাশার ব্যাপার, আরব আমিরাতের সঙ্গেও ১০৩ রানে থেমে যেতে হয়েছে।
শারমিন আক্তারের ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসটি না হলে আরও বিপদেই পড়তো বাংলাদেশ। অধিনায়ক জ্যোতি করেছেন ২৮ বলে ২৩ রান। ওপেনার জুরাইরিয়া ফেরদৌস ২০ বলে ১৬ ও নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করেন।
বরাবরের মতো বোলাররাই হাল ধরেছেন বাংলাদেশ দলের। শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ব্যাটারদের ব্যর্থতা ঢেকে দেওয়ার পথেই ছিলেন তারা। শেষ পর্যন্ত বিফল হয়েছিলেন। কিন্তু আরব আমিরাতের বিপক্ষে সফল হন মারুফা আক্তার-নাহিদা আক্তাররা। রাবেয়া সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন, এছাড়া মারুফা ও নাহিদা ২টি করে এবং সুলতানা ও ফাহিমা একটি করে উইকেট নেন।
বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বাংলাদেশের।





