বিপিএলের পরিবর্তে হচ্ছে না অন্য টুর্নামেন্ট

বিপিএল না হওয়ায় চলতি মৌসুমের ওই সময়ে অন্য টুর্নামেন্ট করার গুঞ্জন ছিল। কিন্তু মোহাম্মদ মিঠুন জানিয়েছেন বিপিএলের পরিবর্তে বিসিবি কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে না। তবে ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দিতে যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা ক্রিকেটারদের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি বাড়িয়ে।
মঙ্গলবার দুপুরে বিসিবিতে বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালের সঙ্গে আলোচনা শেষে কোয়াব চেয়ারম্যান মিঠুন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বিপিএল না হওয়ায় বিকল্প কিছু করে খেলোয়াড়দের সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা এখন নেই এবং সেটি হবেও না। বিপিএলের পরিবর্তে অন্য কিছু হচ্ছে না।’
বিপিএলের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া না গেলেও নতুন ব্যবস্থায় বৃহৎ পরিসরে ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন বলে বিশ্বাস মিঠুনের, ‘আমরা শুধু ৫০-৭০ জন খেলোয়াড়ের কথা চিন্তা না করে কীভাবে ১৫০-২০০ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে উপকৃত হতে পারে এবং বিষয়টি যেন টেকসই হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বছরের সাময়িক সুবিধার কথা চিন্তা না করে আমরা ভবিষ্যতের কথা ভেবেছি যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়েরা আরও বেশি উপকৃত হতে পারে।’
বিপিএল না হওয়ায় বড় ক্ষতিটা হচ্ছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। এই টুর্নামেন্ট থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়ে থাকেন তারাই। এছাড়া জাতীয় দলের বিভিন্ন দলে থাকা ক্রিকেটাররাও বিপিএল খেলেন। তাদের আর্থিক ক্ষতিও বড়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন লোকাল ক্রিকেটাররা। যারা প্রথমশ্রেণী ও প্রিমিয়ার লিগ ছাড়া আর কোনো লিগেই খেলার সুযোগ পান না।
এই ক্রিকেটারদের সংখ্যাই বেশি। প্রায় ১৫০ সংখ্যার এই ক্রিকেটারদের কথাই এবার ভাবছে বিসিবি। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে ওই ক্রিকেটারদের কথাই চিন্তা করছে বিসিবি এমনটাই জানা গেছে।







