Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

আমলাদের ‘উদরসর্বস্ব’ কীর্তি

agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:৩২
আমলাদের ‘উদরসর্বস্ব’ কীর্তি

প্রিয়

মন্ত্রিপরিষদ সচিব,

আমি এই প্রজাতন্ত্রের একজন অতি সাধারণ নাগরিক। নিয়মিত ভ্যাট ও কর দিই। যদি প্রচলিত বাংলা প্রবাদ অনুসারে ‘আদার ব্যাপারী’ ধরে নিতে পারেন; জাহাজের খবর নেওয়া হয় না, মানে প্রজাতন্ত্রকে কোন দিকে খেদিয়ে নিয়ে চলেছেন, তা নিয়ে মাথা ঘামানোর চেষ্টা করি না। ওটা আপনারা ভালো বোঝেন। হাজার হোক, বিসিএস পাস করে এসেছেন। তবে লোকে বলে, আপনারা নাকি আমাদের ট্যাঁকের কিংবা ট্যাক্সের টাকাতেই চলেন। তাই নিজের পকেটের টাকার অপব্যয় দেখলে বুকটা চিনচিন করে। রাত-দিন এক করে যৎসামান্য আয় করি, ৫ টাকা বাঁচাতে লোকাল বাসে কন্ডাক্টরের সঙ্গে নিয়ম করে দুবেলা ঝগড়াও করি। ফলে করের টাকার যথেচ্ছ ব্যবহার দেখলে মন খারাপ হয়। মঙ্গলবার পত্রিকার পাতায় এমনই এক খবর দেখলাম। অফিসের ফাঁকে সভা-সেমিনার করে নাকি আমলাদের পকেটে হাজার কোটি টাকা ঢুকছে! তার ওপর কখনো সভা-সেমিনার আয়োজন না করেই সম্মানীর টাকা মেরে দেওয়ার নজিরও রেখেছেন কেউ কেউ। এ খবর পড়ার পর ভয়ডর কাটিয়ে, আদার ব্যাপারী হয়েও জাহাজের খবর নিতে উদ্যোগী হলাম। আমলাদের এমন ‘উদরসর্বস্ব’ কীর্তি দেখে মনে হলো, আপনাকে অবগত করা জরুরি।

আপনারা নাকি আমাদের ট্যাঁকের কিংবা ট্যাক্সের টাকাতেই চলেন

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় সরকারি অর্থের অপচয় রোধে অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজের প্রটোকলের ফোর্স, গাড়িসহ প্রাধিকারভুক্ত অনেক সুযোগ-সুবিধা বাতিল করেছেন; সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট নেবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন, সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধের পাশাপাশি সভা-সেমিনারের ব্যয়ও কমিয়ে এনেছেন। সেখানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের খাইখাই স্বভাবের বিন্দুমাত্র বদল হবে না, এটা কেমন কথা!

অফিস চলাকালীন নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনার অধীনরা মিটিংয়ের উসিলায় বৈঠকপ্রতি ১০ হাজার টাকা পকেটে পুরছেন! এমনকি কেনাকাটার প্রাক্কলন কমিটি, দরপত্র খোলার উসিলায়ও পকেট ভারী করেছেন। গত কয়েক বছরে প্রশিক্ষণের নামেই প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা সাবাড় হয়েছে! আপনার ওপর রাগও করতে পারছি না। যাই হোক, একটা আবদার করি। যারা এসব ঘটনায় জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আগে আমার হয়ে তাদের এই প্রশ্নটা করবেন, ‘অফিস সময়ে সরকারি কাজ করার জন্য মাস শেষ হওয়ার আগে যে মোটা অঙ্কের বেতন ও রকমারি ভাতা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়, ওটা কি কেবলই সচিবালয়ের লিফটে চড়া আর এসির বাতাস খাওয়ার জন্য? প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে কাজ করার জন্য নয়?

   

ইতি

নিয়মিত ভ্যাট ও কর দেওয়া নাগরিক

মন্ত্রিপরিষদ সচিবনাগরিকঅর্থনৈতিকসম্পাদকীয়আগামীর চোখ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise