Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষ কিংবা প্রাণী সবার পাশেই মামুন
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

নেতা জানেন, অনুসারীদেরও বুঝতে হবে

agamir somoy
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:২৬
নেতা জানেন, অনুসারীদেরও বুঝতে হবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছিল। তবে বাংলাদেশের মানুষের সমস্যা অনেক। দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে, যা জুলাইয়ে সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়লে আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতিও বাড়তির দিকে, বেতন বৃদ্ধি এক্ষেত্রেও চাপ বাড়াবে। বিনিয়োগে এখনো কোনো গতি আসেনি। ফলে ব্যাংকে তারল্য জমছে, আবার বিনিয়োগ না হওয়ায় কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হচ্ছে না। গত কয়েক বছরের এটিই চিত্র। সব মিলিয়ে বেকারত্ব সর্বকালের সবচেয়ে ওপরে রয়েছে। এই সংকট কিন্তু কৃষক কার্ড বা পারিবারিক কার্ডের সীমিত টাকায় কাটবে না, পরিবারের জন্য স্বস্তিও আনবে না। তাই অর্থনীতির স্থবিরতা কাটানোর উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নে গতি চাই।

তা বলে এখনই সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ নেই। ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাসের মাথায় বাজেট দিতে হয়েছে তারেক রহমানের সরকারকে। সরকারের দিক থেকে রাজস্ব বাড়ানোর প্রাণান্ত চেষ্টা চললেও বাজেটে প্রদর্শিত ঘাটতির চেয়েও বাস্তবে ঘাটতি বেশি হওয়ারই আশঙ্কা। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের শরণাপন্ন হচ্ছে সরকার। তাতে এরই মধ্যে ঋণপিষ্ট নাগরিকদের ওপর ঋণের বোঝা অনেক বাড়বে এবং পরবর্তী বাজেটগুলোয় উত্তরোত্তর ঋণের মূল ও সুদ পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। এতে অর্থনীতি একটা বাজে ঋণচক্রের ফাঁদে পড়তে পারে। মোটকথা, নাগরিকদের জীবনে আশু স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি কোথা থেকে মিলবে, সে প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। অথচ অস্বস্তিকর বাস্তবতা কিছুতেই দীর্ঘায়িত করা যাবে না। কারণ, একদিকে মানুষ অনেক দিন ধরেই স্বস্তিতে নেই; তার ওপর মাঠের রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল জামায়াত যে সরকারকে খুব বেশি সময় দেবে না, তা বেশ স্পষ্টভাবেই তারা বলছে। তবে সরকারের জন্য সামান্য হলেও স্বস্তির ব্যাপার হলো, অস্বস্তিতে ভুগতে থাকা জনগণ পরিস্থিতির আরও অবনতি হোক, তা চায় না। বরং তারা চায় এ অবস্থা থেকে দ্রুত উদ্ধার পেতে।

আদতে আমাদের তরুণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর ইতিহাস এরকমই এক চ্যালেঞ্জিং দায় চাপিয়েছে। সেটি তাকে ও তার সহযোগীদের বুঝতে হবে। তিনি জানেন, পদটা স্বস্তির নয়, দায়িত্বও সহজ নয়; সেটি তার অনুসারীদেরও বুঝতে হবে

বাংলাদেশ হলো বহু সমস্যার এক সমাহার। কেবল অর্থনীতিই যে সমস্যায় আছে তা নয়, এক হামই বুঝিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দ্রুত করণীয় বিস্তর কাজ পড়ে আছে। আবার নানা জরিপের ফলাফল দেখে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে আমাদের শিক্ষা— সত্যি বলতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত— কাঙ্ক্ষিত মানের বেশ নিচে রয়েছে।

আবুল মোমেন

আর ধর্ষণ, খুনসহ অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয়ের ঘটনাগুলো বুঝিয়ে দেয় যে এ দেশের কিশোর-তরুণ ও বয়স্কদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো নয়। চোখ বুজে বলা যায়, সুস্থ নির্মল বিনোদনহীন একটি সমাজে ধর্ষণসহ নানা অনাচারের ঘটনা থামবে না। কঠোর আইন ও দ্রুত রায় এবং ত্বরিত এর প্রয়োগে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে যারা ভাবেন, তারা ভুল জগতে বাস করছেন। বিচারের পাশাপাশি এখন জোরেশোরে বলা দরকার যে, সর্বস্তরের মানুষের জন্য সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করা সরকারের একটি জরুরি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। সঠিক নীতি প্রণীত হলে এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা যে এগিয়ে আসবেন, তাতে সন্দেহ নেই।

এদিকে জামায়াত ও তাদের অনুসারী এনসিপি ও হেফাজতে ইসলামের মতো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো মাঠের আন্দোলনের জন্য মুখিয়ে আছে। এটি বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, চব্বিশের গণআন্দোলনের পেছনে মূল সাংগঠনিক শক্তি ছিল জামায়াত এবং তাদের অনুসারী ছাত্র ও কট্টর ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপি যেহেতু আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি চাপে ছিল, তাই তাদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে শরিক থাকাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সরকারের পতন ও তাকে বিপ্লবী পর্যায়ে নিয়ে ক্ষমতা গ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল জামায়াত ও তার সহযোগীরা। তবে আন্দোলনের মূল প্রাণশক্তি ছাত্ররা সবাই একই মতের অনুসারী না হওয়ায় একটি মধ্যবর্তী বা অন্তর্বর্তী অবস্থা তৈরি হয়। ছাত্রদেরই আমন্ত্রণে অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার গঠিত হয়। সাধারণত এ রকম একটি বেসামরিক সরকার পশ্চিমাদের তুষ্ট করেই ক্ষমতায় থাকে। ফলে এরকম একটি সরকার যাদের নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে, তারা সাধারণত সুশীল সমাজের গণতন্ত্রবাদী উদারপন্থী মানুষ হয়ে থাকেন। আমরা সেই পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খানের সামরিক অভ্যুত্থানের পরবর্তী সরকার থেকেই এমনটা দেখে আসছি। জনাকয়েক ভিন্নধারার, অর্থাৎ জামায়াত-ঘনিষ্ঠ মানুষ থাকলেও মোটাদাগে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারও এ ধারারই ছিল। তবে তাদের জন্য মূল কাজ ছিল পরবর্তী বৈধ সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যম বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন; যদিও ড. ইউনূস তার সরকারের দায়িত্ব হিসেবে সংস্কার ও বিচারের কথাও তুলেছিলেন। কিন্তু সবাই বোঝেন যে, এ দুটি কাজ স্বল্প সময়ে তাড়াহুড়ার মধ্যে করা যাবে না। দেখাই যাচ্ছে, বছরখানেক আলোচনা চালিয়েও সংস্কারের মৌলিক জায়গাগুলোতে একমত হওয়া যায়নি।

বিএনপি এখন একটি নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক দলের ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তারা সমাজে বড় ধরনের বিভাজন ও দ্বন্দ্ব জিইয়ে রেখে স্বস্তিতে থাকতে পারবে না। দলটি দীর্ঘকাল ধর্মভিত্তিক জাতীয়তার রাজনীতির মাধ্যমে এতকালের অপর বড় দল আওয়ামী লীগবিরোধী শিবির তৈরি ও সংরক্ষণ করে রাজনীতি করেছিল। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি মনে হয় অতীতের জামায়াত-ঘনিষ্ঠ নীতি-অবস্থান থেকে সরে আসতে চাইছে। আবার সরকারি দলের এই প্রবণতা বুঝতে পেরে জামায়াত ও এনসিপি মাঠে ও সংসদে বিএনপির ওপর যে চাপ বাড়াতে চাইছে, সেটি স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে।

মোটকথা হলো, বাংলাদেশের রাজনীতির সামনে সহজ কোনো পথে নেই। একদিকে অর্থনৈতিক সংকটসহ সামাজিক ও অন্যান্য খাতে নানা সমস্যার জট রয়েছে; অন্যদিকে রাজনীতির মাঠে যারা আছেন, তাদের মধ্যেও আদতে রাজনৈতিক সমঝোতা খুব দৃঢ় নয়। সংস্কার সম্পর্কিত যে নীতিগত সমঝোতা গত অক্টোবরে হয়েছিল, তা এ কারণেই দৃঢ়ও নয়, কার্যকরও হতে পারছে না। এর বাইরে মাঠ থেকে বিতাড়িত রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য প্রত্যাঘাত বা প্রতিক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদি ফল কেমন হতে পারে, তা-ও সরকারকে বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। কারণ, কেবল অপরাধ ও তার বিচারের মাধ্যমে কোনো রাজনীতি ও রাজনৈতিক শক্তিকে দীর্ঘদিন ঠেকিয়ে রাখা যায় না। তার বড় প্রমাণ বিগত সরকার বেআইনি ঘোষণা ও নিষিদ্ধ করে এবং বিচার ও কঠোর শাস্তি দিয়েও জামায়াত বা তাদের অনুসারী দলের রাজনীতি বন্ধ করতে পারেনি। অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে, তবে রাজনৈতিক সংকট রাজনীতির মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে। বিবেচনায় রাখতে হবে নিরপরাধ সমর্থক-কর্মী এবং পরিস্থিতির শিকার নেতাকর্মীর কথা। বিচার যেন আইনের সব বিবেচনাকে পূর্ণ মূল্য দিয়েই হয়, তা দেখাও জরুরি। বাংলাদেশকে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরোতেই হবে। আদতে আমাদের তরুণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর ইতিহাস এরকমই এক চ্যালেঞ্জিং দায় চাপিয়েছে। সেটি তাকে ও তার সহযোগীদের বুঝতে হবে। তিনি জানেন, পদটা স্বস্তির নয়, দায়িত্বও সহজ নয়; সেটি তার অনুসারীদেরও বুঝতে হবে।

লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক

 

রাজনৈতিক নেতারাজনৈতিক কর্মীনির্বাচন
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০১ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ৩
    সুইডেন
    ০
    ০২ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    বেলজিয়াম
    ০
    সেনেগাল
    ০
    ০২ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    যুক্তরাষ্ট্র
    ০
    বসনিয়া-হার্জেগোভিনা
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    অস্ট্রিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৫:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    ক্রোয়েশিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    advertisement
    advertisement
    দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় হরমুজ প্রণালি ইস্যুই প্রধান

    দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় হরমুজ প্রণালি ইস্যুই প্রধান

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৬

    কেইনের কাছে এটাই তো চাই!

    কেইনের কাছে এটাই তো চাই!

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:৪২

    ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা নিহত

    ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা নিহত

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৬

    তুমি আমার এমনই একজন

    তুমি আমার এমনই একজন

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৩

    ফ্রান্স ফুটবল যেন ফরাসি সুগন্ধি

    ফ্রান্স ফুটবল যেন ফরাসি সুগন্ধি

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    ১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা হয়েছে: নিপুন রায়

    ১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা হয়েছে: নিপুন রায়

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:০১

    আবর্জনার রাজত্বে ক্ষমতার বর্জ্য

    আবর্জনার রাজত্বে ক্ষমতার বর্জ্য

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:১৪

    সত্যিই কি শাকিব মেগাস্টার

    সত্যিই কি শাকিব মেগাস্টার

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০

    ইব্রাহিমি মসজিদে আরও নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল

    ইব্রাহিমি মসজিদে আরও নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৭

    ভারসাম্য টলে গেলেই বিপদ

    ভারসাম্য টলে গেলেই বিপদ

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:১৭

    ভারসাম্য টলে গেলেই বিপদ

    ভারসাম্য টলে গেলেই বিপদ

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:২২

    নেতা জানেন, অনুসারীদেরও বুঝতে হবে

    নেতা জানেন, অনুসারীদেরও বুঝতে হবে

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:২৬

    আমার সব লেখাই গুরুত্বপূর্ণ

    আমার সব লেখাই গুরুত্বপূর্ণ

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৬

    আগামী আকর্ষণ

    আগামী আকর্ষণ

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮

    থ্রিলারের গণ্ডি পেরোনো ‘হেডলাইন’

    থ্রিলারের গণ্ডি পেরোনো ‘হেডলাইন’

    ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০

    advertiseadvertise