তুমি আমার এমনই একজন

(বাঁ থেকে) টিনি স্টোয়েসেল জর্জিনা রদ্রিগেজ ও এস্টার এক্সপোসিতো
বিশ্বকাপে গোল আর রেকর্ডের পাশাপাশি আলো ছড়ান ফুটবলারদের প্রেমিকা ও জীবনসঙ্গীরা। কেউ অভিনেত্রী, কেউ গায়িকা, কেউ সুপারমডেল বা সোশ্যাল মিডিয়া আইকন। মাঠের বাইরে তাদের প্রেম, গ্ল্যামার ও সাফল্যের গল্প বিশ্বকাপের উন্মাদনায় যোগ করে ভিন্ন এক মাত্রা
রোনালদোর বাগদত্তা
১৯৯৪ সালে স্পেনের জাকা শহরে জন্ম নেওয়া জর্জিনা রদ্রিগেজের পরিবার ছিল মধ্যবিত্ত। বাবা ছিলেন আর্জেন্টাইন, মা স্প্যানিশ। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি আগ্রহ ছিল। ব্যালেরিনা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই স্বপ্ন বেশিদূর এগোয়নি। কিশোর বয়সে তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে শিশুদের দেখাশোনার কাজ করেন। পরে মাদ্রিদে ফিরে বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ড গুচির একটি শোরুমে বিক্রয়কর্মী হিসেবে চাকরি নেন। ২০১৬ সালের এক বিকালে সেই দোকানেই হাজির হন পর্তুগালের ফুটবল রাজা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।
সেদিন বদলে যায় দুজনের জীবন। প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়েন দুজনে। রোনালদোর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে চাকরি ছেড়ে দিতে হয় জর্জিনাকে। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ৭ কোটি ৪২ লাখ। শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেই প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার আয় করেন তিনি। নেটফ্লিক্সে ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত ডকু-সিরিজ ‘আই অ্যাম জর্জিনা’র তিনটি সিজন তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। তিনি এখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডের মুখ। কান উৎসব, মেট গালা, প্যারিস ফ্যাশন উইকে নিয়মিত দেখা যায় তার রূপের েজৗলুস।
এমবাপ্পের মনের মানুষ
ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলেন না। তবে গত এক বছরে স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার এক্সপোসিতোর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে ইউরোপীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘এলিট’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান এস্টার। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ২ কোটি ৪২ লাখ।
তাকে একাধিকবার এমবাপ্পের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে। রিয়াল মাদ্রিদের একটি ম্যাচে তিনি ভিআইপি গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। আশা করা হচ্ছে, বিশ্বকাপের পরপরই মনের মানুষকে নিয়ে মুখ খুলবেন এমবাপ্পে।
রোদ্রিগো দে পলের প্রেমিকা
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রোদ্রিগো দে পল ও লাতিন পপ তারকা টিনি স্টোয়েসেলের প্রেমের গল্প গত কয়েক বছরে ক্রীড়া ও বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টিনি স্টোয়েসেল লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়িকাদের একজন। সম্পর্কের শুরু থেকেই এ জুটিকে নিয়ে গণমাধ্যম ও ভক্তদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে।
টিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে ডিজনির জনপ্রিয় সিরিজ ‘ভায়োলেট্টা’য় অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্ব জুড়ে পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে তিনি একের পর এক অ্যালবাম প্রকাশ করেন এবং লাতিন পপ সংগীতের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হন। ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও যুক্তরাষ্ট্রে তার কনসার্টগুলো নিয়মিত হাউজফুল হয়। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ২ কোটি ১৫ লাখ। তিনিই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী তারকাদের একজন।







