প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণের কথা জানাল ভারত

রণধীর জয়সওয়াল
দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাকে। আজ মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
সাউথ ব্লকের এই মুখপাত্র বলছিলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি বিমসটেকের (বহুপক্ষীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদ্যোগ) বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়টিও উল্লেখ করেন জয়সওয়াল। তিনি ওই বৈঠককে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, ওই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিকও আলোচনায় উঠে আসে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ। সংস্থাটির সচিবালয়ও ঢাকায়। গত ১৪ জুলাই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেবেন কি না, এখনো সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সোমবার জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলছিলেন, ভারতের কাছ থেকে দুটি আলাদা আমন্ত্রণপত্র পেয়েছে ঢাকা। একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য।
এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকার আবেদনের বিষয়েও মন্তব্য করেন জয়সওয়াল। তিনি বলছিলেন, ‘প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নতুন কোনো তথ্য থাকলে পরবর্তী সময়ে জানাবে নয়াদিল্লি।’
এ ছাড়াও ওসমান গণি (হাদী) হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জয়সওয়াল জানান, এটি একটি আইনি বিষয়। বর্তমানে এর তদন্ত চলছে।





