সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

বাশার আল-আসাদ- রয়টার্স
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত অপরাধের দায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ, তার ভাই মাহের আল-আসাদ এবং চাচাতো ভাই আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দামেস্কের ফৌজদারি আদালত আজ মঙ্গলবার রাশিয়ায় নির্বাসিত জীবনযাপন করা বাশার আল-আসাদকে পরিকল্পিত হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেন। তার অনুপস্থিতিতেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
তার ছোট ভাই মাহের আল-আসাদকেও পরিকল্পিত হত্যা ও নির্যাতনের দায়ে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তিনিও বর্তমানে রাশিয়ায় বসবাস করছেন।
দক্ষিণ সিরিয়ার দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের সাবেক প্রধান আতেফ নাজিবকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করেছিল।
২০১১ সালে দারায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান পরিচালনা করেছিলেন নাজিব। ওই অভিযান থেকেই পরবর্তী সময়ে বিদ্রোহ এবং গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়। আজ রায় ঘোষণার সময় কারাগারের পোশাক পরে একটি খাঁচার ভেতরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। বিচারক তার সাজা ঘোষণা করেন।
আদালত জানিয়েছে, নাজিবের অপরাধের মধ্যে রয়েছে হত্যা, ‘১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা’ এবং ‘হত্যার উদ্দেশ্যে নির্যাতন’।
আল-আসাদ ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে এ রায়ই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রথম। চলতি বছর থেকেই সাবেক সরকারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করেছে বর্তমান কর্তৃপক্ষ।
আদালতে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিচারক আল-আরিয়ান বলেছেন, সাক্ষীদের জবানবন্দিতে সাবেক সিরীয় নেতার এসব অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি ছিলেন ‘সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী’ এবং এসব অপরাধ সংঘটনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করেছিলেন।






