র্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি প্রতিষ্ঠায় বিল পাস

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
র্যাব বিলুপ্ত করে একই আদলে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনে সংসদে বিল পাস হয়েছে। বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার সংসদে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। বিরোধীদলীয় সদস্যরা বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তা নাকচ হয়ে যায় কণ্ঠভোটে।
বিলটি পাসের জন্য উত্থাপনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সমাজের চাহিদার কারণেই এসআরবি গঠন করা হচ্ছে।
বিল পাসের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের কয়েকজন আইনটি পাস না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
শফিকুর রহমান বলছিলেন, ‘র্যাব প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এ জাতির সামগ্রিক অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। তার কিছুটা ইতিবাচক দিক থাকলেও নেতিবাচক দিক এত বেশি ছিল যে গোটা বিশ্ব চিন্তিত হয়ে পড়ে।’
র্যাব পুনর্গঠনের দাবি কারও ছিল না দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, বিলুপ্তের দাবিই ছিল। এখন কোনো পরিবর্তন না করে হুবহু একই রাখা হয়েছে।
তিনি বিলটি এখন পাস না করে এটি প্রত্যাহার করে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পর কথা বলতে দাঁড়ান বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, যিনি ২০০৪ সালে র্যাব গঠনের সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
র্যাবের নেতিবাচক দিকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, র্যাবের মতো একটি বাহিনী এখনো দরকার রয়েছে।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, র্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী গঠনের দাবি কারও ছিল না, সেটা ঠিক। তবে এটা সমাজের দাবি, সমাজের চাহিদা।
দাবি অনুসারে র্যাব তো বিলুপ্ত হচ্ছেই- এই মন্তব্য করে তিনি বলেন, সমাজের দাবি অনুসারে এখন এসআরবি গঠন করা হচ্ছে।
সমাজের চাহিদায় অপরাধ দমনে আরও নতুন আইন প্রণয়নের নজির তুলে ধরে তিনি বলেন, সাইবার অপরাধ দমনের জন্য আইনও সংশোধন হচ্ছে। পুলিশ বিভাগের অধীনে সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের কথাও সরকার ভাবছে।







