ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ ২২তম

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বের মোট ডিজিটাল হার্ডওয়্যার উৎপাদনে বাংলাদেশের অংশ শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদনের এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২তম। এ সক্ষমতার ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশই চীনের দখলে।
বাংলাদেশের মতোই ডিজিটাল হার্ডওয়্যার উৎপাদনে একই সক্ষমতা নিয়ে যৌথভাবে ২২তম অবস্থানে রয়েছে ফিলিপাইন, কানাডা, পাকিস্তান, হাঙ্গেরি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, মিসরসহ কয়েকটি দেশ। অর্থাৎ ডিজিটাল হার্ডওয়্যার উৎপাদন সক্ষমতায় বাংলাদেশের অবস্থান এখনো খুবই ছোট।
ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান— এই চার দেশের সম্মিলিত অংশ বিশ্বের ডিজিটাল হার্ডওয়্যার সক্ষমতার ৮০ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ সালের তথ্যের ভিত্তিতে বৈশ্বিক শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমবারের উপাত্ত ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডিজিটাল ক্যাপিটালিস্ট করা তালিকায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
তালিকায় চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তাইওয়ান। বিশ্বের ডিজিটাল হার্ডওয়্যার সক্ষমতার ১০ দশমিক ২ শতাংশ দেশটির। তৃতীয় দক্ষিণ কোরিয়া ৬ দশমিক ৭ শতাংশ নিয়ে। জাপান রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে, দেশটির অংশ ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
চীন উৎপাদন করে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ডিসপ্লে, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিকস পণ্য ও উপকরণ। তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের বড় কেন্দ্র। দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তিশালী অবস্থান সেমিকন্ডাক্টর ও ডিসপ্লে উৎপাদনে। আর জাপানের রয়েছে দীর্ঘদিনের ইলেকট্রনিকস শিল্পভিত্তি।
এই অঞ্চলের বড় কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি), ফক্সকন, স্যামসাং, বিওই ও সনি।
চীনের পরের সারিতে এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশ উঠে এসেছে। ভারত ৩ দশমিক ৮ শতাংশ সক্ষমতা নিয়ে পঞ্চম এবং ভিয়েতনাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ২ দশমিক ৯ শতাংশ, অবস্থান সপ্তম।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার থাইল্যান্ডের অংশ ১ দশমিক ৩ শতাংশ, মালয়েশিয়ার শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি সর্বোচ্চ, শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ নিয়ে যৌথভাবে দশম অবস্থানে রয়েছে।
ইলেকট্রনিকস উৎপাদন এশিয়ায় বেশি কেন্দ্রীভূত হলেও সেমিকন্ডাক্টর নকশা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানিগুলো বিশ্বের সেমিকন্ডাক্টর বিক্রির ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত ছিল। দেশটিতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতেও বড় বিনিয়োগ



