সাংবাদিক ডাকা হয়েছিল ১১টায়, প্রতিমন্ত্রী চলে গেছেন পৌনে ১১টায়

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের সকাল ১১টায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বক্তব্য দিয়ে ১৫ মিনিট আগেই চলে গেছেন। আর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী আসেননি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যমকর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বুধবার বিকেলে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়, অনুষ্ঠান শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়। সেখানে প্রতিমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব উপস্থিত থাকবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু সকাল ১১টায় অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, চা–বিরতি চলছে। পরে সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে একটি অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ মেহবুব উল কাদির জানালেন, প্রতিমন্ত্রী সকাল ১০টার কিছু আগে অনুষ্ঠানে আসেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। বক্তব্য শেষ করে তিনি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাঈদ মেহবুব উল কাদির।
এই প্রতিবেদকের মতো বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদক, আলোকচিত্রী ও ভিডিও সাংবাদিক নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান কাভার করতে এসে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। উপস্থিত সাংবাদিকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, প্রতিমন্ত্রীর সময়সূচি পরিবর্তন হতেই পারে। তবে সে ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে একটি বার্তা দিয়ে জানালে তাদের ভোগান্তি হতো না। বিশেষ করে ভিডিও ধারণের প্রয়োজন থাকায় টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকেরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন।
একটি টেলিভিশন চ্যানেলের এক প্রতিবেদক বললেন, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। কখনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগে এসেছেন, আবার কখনো অনুষ্ঠানে আসেননি। কিন্তু এসব পরিবর্তনের তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয় না। মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আগামীর সময়কে বলেন, প্রতিমন্ত্রীর সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি। তাই তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও বিষয়টি জানাতে পারেননি।




