বাদশাকে ছুরিকাঘাত করে পারভেজ দাবি র্যাবের

গ্রেপ্তার পারভেজ
রাজধানীর আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ে ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে প্রধান অভিযুক্ত। গতকাল রবিবার সকালে কিশোরগঞ্জ থেকে তাকে আটক করেছেন র্যাব-২-এর সদস্যরা। গ্রেপ্তার পারভেজ এ ঘটনায় করা মামলার ২ নম্বর আসামি হলেও তিনি কোপানোর হোতা বলে দাবি র্যাবের।
গতকাল সন্ধ্যায় কাওরান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান। তার ভাষ্য, ব্রাজিল ও জাপানের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয় একই এলাকার মজনু ও শহীদ গ্রুপের। মারামারিতে লিপ্ত হন তারা। বিষয়টি মীমাংসা করতে গত ১ জুলাই বসে সালিশ। সেখানে কোনো সমাধান না হওয়ায় সভাপতি সাদ্দামের ওপর আক্রমণ করেন মজনু ও
শহীদ। বাদশা আক্রমণ প্রতিহত করতে গেলে প্রধান
অভিযুক্ত পারভেজ ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদশা ও সাদ্দামকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন শরীরের বিভিন্ন স্থান।
আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে বাদশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
মামলা হওয়ার পর ৩ জুলাই জামালপুর থেকে অভিযুক্ত সুমন ও কিশোরগঞ্জ থেকে শহীদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে পারভেজের নাম জানিয়েছেন তারা। আহত সাদ্দাম হোসেনও একই তথ্য দিয়েছেন। পারভেজের বিরুদ্ধে মাদক আইনে ছয়টিসহ ৯টি মামলা রয়েছে— যোগ করলেন তিনি।
র্যাব-২ জানায়, অন্য অভিযানে কারওয়ান বাজার এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারি মো. মহরমকেও গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৮: রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে মামলা করা হয়েছে ৫০টি। গতকাল ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগের ৫২, লালবাগের ২৩, ওয়ারীর ৩২, মতিঝিলের ৪৮, তেজগাঁওয়ের ৬৮, মিরপুরের ৯৫, গুলশানের ৫৩ ও উত্তরা বিভাগের ১৩৭ জন রয়েছেন।




