ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর মিরপুরে ‘মনিটরিং টিম’

উচ্ছেদে অভিযানে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। ছবি : সংগৃহীত
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার উদ্যোগের অংশ হিসেবে মিরপুর-১০ নম্বরে একটি ‘মনিটরিং টিম’ গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশে এ টিম গঠন করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক নিজেই।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, মনিটরিং টিম নিয়মিতভাবে এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে। ফুটপাত দখল করে কোনো দোকান বা স্থাপনা বসানো হলে সংশ্লিষ্ট মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হবে।
এ ছাড়া দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এর আগে, গত বুধবার সকালে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি।
একপর্যায়ে হকার ও দোকানিদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে ডিএনসিসির তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হন গণমাধ্যমকর্মীরাও।
পরে দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে যান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তার উপস্থিতিতে মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানের আগে হোপ মার্কেটকে কেন্দ্র করে মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ১১/১ ও ১১/২ নম্বর লেন, বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পাশের ফুটপাত, মিরপুর আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং সি ব্লকের অ্যাভিনিউ-২-এর সড়ক ও ফুটপাতের বড় অংশ দখলে ছিল হকারদের।
ফুটপাতের সীমানাদেয়ালের সঙ্গে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে পলিথিন ও ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে দোকান বসানো হয়েছিল। মূল সড়কের ভেতরেও দুই থেকে তিন সারিতে বসানো হয়েছিল অস্থায়ী দোকান।
এসব দোকানে মূলত নারী ও শিশুদের পোশাক, জুতা, অলংকার, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হতো। ছিল ফুচকা, চটপটি ও ভাজাপোড়া খাবারের দোকানও।




