Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

এমন দিন আর না আসুক

কাউসার আহমেদ
কাউসার আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:২৯
এমন দিন আর না আসুক

জুলাই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে ‘আয়নাঘর’

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে ঢুকতেই ডান পাশে চোখে পড়ে ইট দিয়ে তৈরি ছোট্ট একটি বর্গাকৃতির কক্ষ। কোনো রঙ নেই, নেই বাহারি সাজসজ্জা। খোলা ইটের গাঁথুনিই যেন নীরবে বলে দেয়—এটি কোনো সাধারণ প্রদর্শনী নয়। এটি ‘আয়নাঘর’-এর প্রতীকী রূপ।

কৌতূহলী দর্শনার্থীরা একে একে ভেতরে প্রবেশ করছেন। কেউ চারপাশ দেখছেন, কেউ মোবাইলে ছবি তুলছেন, আবার কেউ প্রতীকী লোহার দরজাটি খুলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য ভেতরে দাঁড়িয়ে অনুভব করার চেষ্টা করছেন বন্দিজীবনের দমবন্ধ বাস্তবতা।

ভেতরে প্রবেশের পর মুহূর্তেই গরম আর অস্বস্তি শরীরকে গ্রাস করতে শুরু করল। চারপাশে মানুষের ভিড়। কেউ বলছেন, এখানে কীভাবে মানুষ থাকত? আরেকজনের কণ্ঠ ভেসে এলো, এক দিন বিদ্যুৎ না থাকলেই তো আমরা হাঁসফাঁস করি। এত ছোট, অন্ধকার ঘরে মানুষ বছরের পর বছর কীভাবে বেঁচে ছিল?


আরও পড়ুন

আয়নাঘরের আলামত নষ্ট করার কাজে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনব

০১ আগস্ট ২০২৬


ঠিক তখনই দর্শনার্থীদের ভিড়ের মধ্যে থেকে কাঁপা গলায় ৩০ থেকে ৪০ বছরের নুরায়না নামের নারী বলে উঠলেন, ‘এমন দিন আর না আসুক’। কথাটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেন চারপাশের কোলাহলও থমকে গেল।

রাজধানীর আদাবর থেকে ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতিকে নিয়ে জাদুঘর দেখতে এসেছেন ৬০ বছর বয়সী রশিদা বেগম। বয়সের ভারে শরীর ছেড়ে দিয়েছে। বেশিক্ষণ হাঁটতে পারেন না। এরপরও পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখার পর এসে বসলেন জুলাই গণকবরের পাশে। মুখে ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু চোখে গভীর বিষাদ।

তিনি বললেন, ‘পুরো জাদুঘর দেখেছি। কিন্তু এই আয়নাঘর আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়িয়ে দিয়েছে। এতটুকু জায়গায় মানুষ কীভাবে থাকত? এখানেই খাওয়া, এখানেই টয়লেট, এখানেই দিনের পর দিন বন্দিজীবন! আমি হলে এক দিনও বাঁচতে পারতাম না।’


আরও পড়ুন

‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করবেন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি-বিচারকরা

২১ জুলাই ২০২৬



শেওড়াপাড়া থেকে মাকে নিয়ে এসেছেন ৪০ বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার। ধীর পায়ে পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখছিলেন দুজন। আয়নাঘরের সামনে এসে ফাতেমা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। চোখ ভিজে উঠল।

তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন গণভবনে গিয়েছিলাম। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় ভেতরে ঢুকতে পারিনি। আজ মাকে নিয়ে এখানে এসেছি। এই ছোট্ট ঘরটা দেখে বুঝলাম, মানুষ কত ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এতটুকু জায়গায় একজন মানুষ কীভাবে দাঁড়াবে? বসবে কোথায়? ঘুমাবে কোথায়?’

পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘এ যেন বর্তমান যুগে ফেরাউনের শাসন। এত কম জায়গায় একজন মানুষকে আটকে রাখা যায়—নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হতো না।’

তিনি আরও বললেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় যখন হেলিকপ্টার থেকে গুলি চলত, তখন বাসায় বসে শুধু কাঁদতাম। আমার ছেলে পুলিশে চাকরি করে। সারাক্ষণ ভাবতাম, ওরা কেমন আছে। তখন এসব নিজের চোখে দেখিনি। আজ জাদুঘর ঘুরে বুঝলাম, বাইরে থেকে যা দেখা যায়, ভেতরের বাস্তবতা তার চেয়ে অনেক ভয়ংকর।’


আরও পড়ুন

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে মানুষের ঢল, ইতিহাস ছুঁয়ে দেখার আগ্রহ

০৬ আগস্ট ২০২৬



জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে আসা মানুষের চোখে শুধু ইতিহাস দেখার আগ্রহ নেই; আছে শোক, বিস্ময়, ক্ষোভ আর ভবিষ্যৎ নিয়ে একটাই প্রত্যাশা—রাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন অন্ধকার অধ্যায়ের আর কখনো পুনরাবৃত্তি যেন না হয়। আয়নাঘরের সামনে দাঁড়িয়ে তাই অনেকের মুখে উচ্চারিত হয় একই বাক্য ‘এমন দিন আর না আসুক’।

জুলাই জাদুঘরআয়নাঘর
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার

    সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার

    সুরক্ষা ভাবনাতেও ঝুঁকিতে বেসরকারিরা

    সুরক্ষা ভাবনাতেও ঝুঁকিতে বেসরকারিরা

    কফের সঙ্গে রক্ত এলে কী করবেন?

    কফের সঙ্গে রক্ত এলে কী করবেন?

    সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম

    সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    শিক্ষা ‘শহরমুখী অ্যাডভেঞ্চার’

    শিক্ষা ‘শহরমুখী অ্যাডভেঞ্চার’

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    ঝুঁকি ভাতা পুনর্নির্ধারণ

    ঝুঁকি ভাতা পুনর্নির্ধারণ

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    গভীর সতর্কবার্তা

    গভীর সতর্কবার্তা

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া