আমিনুল হক
খেলাধুলাই পারে পুরো জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে

ছবি: আগামীর সময়
খেলাধুলাই পারে দল-মত নির্বিশেষে পুরো জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতেও খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এসব কথা বলেছেন।
দেশব্যাপী প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। মিরপুরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সুইমিং কমপ্লেক্সে সাঁতার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এছাড়া অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, মাহফুজুল আলম খান এবং বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে গত ১ মে সিলেট থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর যাত্রা শুরু হয়। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এখন জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’
‘দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামলে পরিচয় একটাই—বাংলাদেশ। খেলাধুলা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং জাতীয় চেতনাকে আরও শক্তিশালী করে।’
সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন আমিনুল হক। তিনি বললেন, ‘এ আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে দেশের ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাকেও আরও এগিয়ে নিতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, শুরুতে আটটি ইভেন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এবার ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হওয়ায় ইভেন্টের সংখ্যা বেড়ে ১০-এ দাঁড়িয়েছে। প্রথম আসর শেষ হওয়ার আগেই গত ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
‘দেশের ৪ হাজার ৫৮৯টি ইউনিয়ন ও ৫০৩টি উপজেলায় দল গঠন করে বছরব্যাপী এই প্রতিযোগিতা পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করা।’—যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।




