দীনেশ ত্রিবেদীর আশাবাদ
দুই প্রধানমন্ত্রী কথা বললে হবে সব সমস্যার সমাধান

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার চলমান নানা সমস্যার সমাধান দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বসলেই সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে আশা করছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আর এ বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাসও আছে বলে জানলেন তিনি।
গতকাল রবিবার দুপুরে ঢাকার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভ্যাক) শিশুদের জন্য খেলাধুলার জায়গার উদ্বোধন করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ভারতের এই কূটনীতিক। তখন তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাকে সবাই খুব সম্মান করে। আমি ওনার বক্তৃতা শুনেছি অনেকবার এবং তিনি তার অন্তর থেকে কথা বলেন, এটা আমি দেখেছি। তিনি জনতার লোক এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীও জনতার লোক।’
আত্মবিশ্বাসী দীনেশ ত্রিবেদীর ভাষ্য, ‘আমার মনে হচ্ছে, যখন দুই নেতা কথা বলেন, তখন সব সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। সমস্যা সমাধান হয়, যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার পুরো আত্মবিশ্বাস আছে, মানুষ এক আছে আর সমাধানটা হবে, হবে, হবেই। আমার খুবই আত্মবিশ্বাস আছে। এখানে নেতিবাচক কিছু নেই, সবই ইতিবাচক।’
ঘোর সংকটে রক্ষার ৫ পথ
০৯ আগস্ট ২০২৬
দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো বলেও উল্লেখ করলেন তিনি। বললেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের আচরণ খুবই ভালো। দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ভালো। এই সম্পর্ক সরকারি পর্যায়েও বজায় রাখতে হবে।’
বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে জানিয়ে হাইকমিশনার বলেছেন, ‘এই চাহিদা পূরণে ভিসা আবেদন কেন্দ্র বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খরচ কমানো এবং ভিসা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।’
যেভাবে ভিসা আবেদন কেন্দ্রে শিশুদের খেলার জায়গা:
হাইকমিশন জানিয়েছে, একজন মায়ের সাধারণ একটি অনুরোধ কখনো কখনো তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। গত ২৫ জুন ঢাকার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর কাছে এক নারী ভিসা আবেদনকারী শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ খেলার জায়গার অনুরোধ জানিয়েছেন। ভিসার জন্য আবেদন করার সময় বাবা-মা যেন তাদের শিশুদের সেখানে রাখতে পারেন— এমন একটি জায়গা তৈরির অনুরোধ ছিল তার। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওই অনুরোধ বাস্তবে রূপ নেয়।
হাইকমিশন বলেছে, ‘এটি ছোট একটি উদ্যোগ হলেও এর মাধ্যমে জনকেন্দ্রিক সেবার একটি বৃহত্তর চেতনা প্রতিফলিত হয়েছে।
এমন উদ্যোগ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে, যার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি দুই দেশের জনগণ।’





