কাজললেখায় সেলিম মোরশেদ

শিমুল সালাহ্উদ্দিনের সঙ্গে সেলিম মোরশেদ
বাংলা কথাসাহিত্যের প্রতিষ্ঠানবিরোধী ধারার অন্যতম প্রধান লেখক, কথাসাহিত্যিক সেলিম মোরশেদ অতিথি হয়েছেন আগামীর সময়ের ডিজিটাল সাহিত্য আয়োজন, কাজললেখায়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) আগামীর সময়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হবে সাহিত্য বিষয়ক আলাপের অনুষ্ঠান ‘কাজললেখা’র দ্বিতীয় পর্ব, যেখানে অতিথি হিসেবে থাকছেন প্রথাবিরোধী প্রতিষ্ঠানবিরোধী এই লেখক।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন কাজললেখার সম্পাদক এবং আগামীর সময়ের হেড অফ ক্রিয়েটিভ, রিসার্চ এন্ড ইভেন্টস শিমুল সালাহ্উদ্দিন। এই পর্বে সেলিম মোরশেদ শুক্রবারের কাজললেখায় প্রকাশিত পাভেল রহমানের প্রতিবেদন " ঘোষণা আছে, পুরস্কার নাই'' প্রসঙ্গে তার পুরস্কার গ্রহণ ও বর্জনের অভিজ্ঞতা, নিজের দীর্ঘ ও বিচিত্র জীবনপথ, বাংলাদেশের ছোটকাগজ আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং বাংলা গল্প-উপন্যাসের গতানুগতিক ছক ভাঙার নিরীক্ষা নিয়ে শিমুল সালাহ্উদ্দিনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
১৯৬২ সালে যশোরে জন্ম নেওয়া সেলিম মোরশেদের শৈশব-কৈশোর কেটেছে বাবার বদলির চাকরির সূত্রে বহু শহরে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে যশোর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই লেখক সাংবাদিকতা, জুতো কারখানার নির্বাহী, এমনকি যক্ষ্মারোগ প্রকল্পের মাঠকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন। তবে সব পেশার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নির্মম নিরপেক্ষ মহাকাল ও টুকরো হয়ে যাওয়া সময়ের এক অনন্য কথাশিল্পী হিসেবে।
তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘কাটা সাপের মুণ্ডু’ এবং উপন্যাস ‘সাপলুডু খেলা’ দুই বাংলাতেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষত ‘কাটা সাপের মুণ্ডু’ সহ তার একাধিক গল্প ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পাঠ্যসূচিতে দীর্ঘদিন ধরে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, সাহিত্যে তাঁর দর্শন— ‘আমরা যেন কখনো অ্যান্টি-পিপল না হই’ কিংবা ‘প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা পুরো জীবন দেখার একটি মনোভঙ্গি’— এমনই নানা প্রসঙ্গ উঠে আসছে এবারের পর্বে। বাংলা সাহিত্যের বিরুদ্ধ স্রোতধারার এই অকুতোভয় মশালচির কলমযুদ্ধ ও জীবনবোধের খুঁটিনাটি জানতে দর্শকদের জন্য শুক্রবারের এই ডিজিটাল আয়োজনটি বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করছেন নির্মাতারা। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন লিটু হাসান। সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন ডিজিটাল বিভাগের প্রধান আপেল মাহমুদ।






