মুখের ঘায়ে অতিষ্ঠ? জেনে নিন ঝটপট আরাম পাওয়ার ৫টি সহজ ঘরোয়া উপায়

মুখের ভেতরের নরম টিস্যুতে বা মাড়ির গোড়ায় তৈরি হওয়া ছোট, বেদনাদায়ক ক্ষত
মুখের ভেতর ছোট্ট একটা `ঘা' যে কতটা যন্ত্রণার হতে পারে, তা যার হয় সেই বোঝে। ঠিকমতো কথা বলা যায় না, কিছু খেতে গেলে জ্বালাপোড়া করে, এমনকি দাঁত ব্রাশ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। সাধারণত জিভ, ঠোঁট বা গালের ভেতরের দিকে এই সাদাটে বা লালচে ক্ষতগুলো দেখা দেয়।
অতিরিক্ত ঝাল খাবার খাওয়া, পেটের সমস্যা, মানসিক চাপ কিংবা শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে মূলত এই সমস্যা দেখা দেয়। তবে চিন্তার কিছু নেই, আমাদের হাতের কাছে থাকা সাধারণ কিছু জিনিস ব্যবহার করেই এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
মধুর ম্যাজিক
মধু প্রাকৃতিকভাবেই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। মুখের ঘায়ের জায়গায় দিনে ২-৩ বার সামান্য মধু লাগিয়ে রাখুন। এতে ব্যথা ও ফোলা ভাব দ্রুত কমে আসবে এবং ক্ষতটি তাড়াতাড়ি শুকাবে।
নারকেল তেলের প্রশান্তি
নারকেল তেল শুধু চুলে দেওয়ার জন্য নয়, এটি প্রদাহ কমাতেও দারুণ কার্যকর। একটি পরিষ্কার তুলো দিয়ে ঘায়ের ওপর আলতো করে নারকেল তেল লাগিয়ে দিন। এটি আপনার মুখের জ্বালাপোড়া কমিয়ে শীতল অনুভূতি দেবে।
ঠান্ডা দইয়ের আরাম
যাদের মুখে ঘা হয়েছে, তারা নিয়মিত দই খেতে পারেন। ঠান্ডা দই খেলে মুখের জ্বালাপোড়া ভাব অনেকটা কমে যায়। দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া মুখের ভেতরের ভারসাম্য ঠিক রাখে, যা ঘা দ্রুত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
হলুদ জলের কুলকুচি
হলুদ হচ্ছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। এক গ্লাস কুসুম গরম জলে সামান্য হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করুন। এতে সংক্রমণের ভয় কমে যায় এবং ঘা দ্রুত সেরে ওঠে।
বরফ দিয়ে অবশ করা
যখন ঘায়ের জায়গায় জ্বালা খুব বেশি হয় এবং সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন এক টুকরো বরফ নিয়ে ঘায়ের ওপর আলতো করে চেপে ধরুন। এতে জায়গাটি সাময়িকভাবে অবশ হয়ে যাবে এবং আপনি তাৎক্ষণিক আরাম পাবেন।
এই ঘরোয়া উপায়গুলো সাধারণ ঘায়ের জন্য খুবই কার্যকর। তবে যদি দেখেন আপনার মুখের ঘা অনেক দিন ধরে সারছে না কিংবা বারবার ফিরে আসছে, তবে দেরি না করে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
















