চট্টগ্রাম
গরমে চড়া মৌসুমি ফলের দাম

সংগৃহীত ছবি
গরমের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে মৌসুমি ফলের চাহিদা, আর সেই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে দামও। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন বাজারে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মকালীন নানা ফল। যেমন: তরমুজ, বাঙ্গি, কাঁচা আম ও আনারস। তবে বাড়তি চাহিদার কারণে এসব ফল কিনতে গুনতে হচ্ছে বেশি টাকা।
বাংলাদেশে ঋতুভিত্তিক ফলের বৈচিত্র্য থাকলেও গ্রীষ্মকালের ফলগুলোর আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তীব্র গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে তরমুজ, বাঙ্গি কিংবা কাঁচা আমের মতো ফল বেশ কার্যকর। এক টুকরো ফল বা এক গ্লাস ফলের রসই এনে দেয় শরীরে প্রশান্তি, কমায় ক্লান্তি এবং শরীরকে রাখে সতেজ।
চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের একটি তরমুজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ২৫০ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরমুজের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
এছাড়া প্রতিটি বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। আনারসের দাম রয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি আকারের কাঁচা আম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায়। সাধারণত ভর্তা তৈরির জন্য এই কাঁচা আমের চাহিদা বেশি।
কলার বাজারেও রয়েছে ভিন্নতা। বাংলা কলা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, আর সাগর কলা পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।
গরমে পানির চাহিদা মেটাতে ডাবের চাহিদাও বেড়েছে। প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে।
চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি বাজারের ফল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাহুল বলেছেন, ‘ফল পচনশীল পণ্য হওয়ায় দাম বেশি দিন স্থির থাকে না। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ে, আবার বিক্রি কমে গেলে দ্রুতই কমে যায়। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করা যায় না।’
গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামনে মৌসুমি ফলের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে দাম কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।















