Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ হাজার কবর খুঁড়েছেন আলী হোসেন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় হ্যালো ডক্টর

আন্তর্জাতিক পুরুষ স্বাস্থ্য সপ্তাহ (১৫ থেকে ২১ জুন)

হার্ট থেকে হেয়ারলাইন সচেতনতা চাই সব ক্ষেত্রেই

  • পুরুষের শারীরিক ও মানসিক স্বােস্থ্য গুরুত্ব দিতে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ স্বাস্থ্য সপ্তাহ। পুরুষের ছোট-বড় কোনো সমস্যাকে অবহেলা না করে সচেতনতা তৈরিতে আমাদের বিশেষ আয়োজন
ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০২:০২
হার্ট থেকে হেয়ারলাইন সচেতনতা চাই সব ক্ষেত্রেই

মডেল: ইমদাদুল ইসলাম। ছবি: আশরাফুল আলম

হৃদরোগ প্রতিরোধে চাই নিয়ন্ত্রিত জীবন

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ কান্তি পাল

বিভাগীয় প্রধান, কার্ডিওলজি বিভাগ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পুরুষ মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো হৃদরোগ। অনেকেই মনে করেন, বুকে প্রচণ্ড ব্যথা না হলে হার্টের সমস্যা নেই। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই আলাদা। হার্টের রোগ দীর্ঘদিন নীরবে শরীরের গুরুতর ক্ষতি করতে থাকে। রক্তনালিতে ধীরে ধীরে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে সৃষ্টি হয় ব্লক। যখন এই ব্লক রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তখন বুকে প্রচণ্ড ব্যথা দেখা দেয়। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে হার্ট অ্যাটাক কিংবা হঠাৎ মৃত্যুও ঘটতে পারে। অথচ আমরা বাইরে থেকে দিব্যি সুস্থ মানুষটির মতো ঘুরে বেড়াই। বেকায়দায় না পড়লে ভেতরকার খবর কেউ রাখি না।

ঝুঁকিতে আছেন কারা

আসুন একটু মিলিয়ে নিই, কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে আছি –

• ধূমপানের অভ্যাস থাকলে

• উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন থাকলে

• ডায়াবেটিসের রোগী হলে

• রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে

• ওজন বেশি হলে

• ভিসেরাল ফ্যাট বা পেটের চর্বি বেশি থাকলে

• অলস জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলে

• দীর্ঘদিন মানসিক চাপের মুখে থাকলে

• পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস থাকলে

একটি মারাত্মক ভুল ও বৃদ্ধ বয়সের শ্বাসকষ্ট

বৃদ্ধ বয়সে হঠাৎ নতুন করে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়া মানেই তা অবহেলা করা যাবে না। অনেক সময় বৃদ্ধ রোগীরা বুকে ব্যথার কথা বলতে পারেন না। তারা শুধু বলেন, একটু হাঁটলেই দম আটকে আসছে, ভীষণ হাঁপিয়ে উঠছেন। আমরা ভাবি এটা বয়সের কারণে হচ্ছে বা সাধারণ বক্ষব্যাধি। এ ভুল ধারণার কারণে রোগী অনেক সময় ভুল করে বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ বা পালমোনোলজিস্টের কাছে যান। কালক্ষেপণে বাড়ে দুর্গতি। যথাসময়ে শুরু করা যায় না সঠিক চিকিৎসা। মনে রাখবেন, বৃদ্ধ বয়সে নতুন শ্বাসকষ্ট বা একটু জোরে হাঁটলেই হাঁপিয়ে ওঠা মানেই প্রথমে ধরে নিতে হবে এটি হার্টের সমস্যা। তখন দ্রুত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

রোগের রূপ দুটি: এসিএস ও সিসিএস

হার্টের এ অসুখকে আমরা মূলত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। প্রথম গ্রুপটি হলো ক্রনিক করোনারি সিনড্রোম (সিসিএস)। যারা একটু জোরে হাঁটলে বা সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠলে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। আবার একটু দাঁড়িয়ে রেস্ট নিলে বা জিভের নিচে স্প্রে দিলে ব্যথা কমে যায়। তাদের শরীরে হয়তো ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা ধূমপানের ইতিহাস আছে। এই গ্রুপটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ, ঠিকমতো চিকিৎসা না করালে এই গ্রুপটি যেকোনো সময় দ্বিতীয় গ্রুপে রূপান্তর হতে পারে।

আর দ্বিতীয় গ্রুপটি হলো একিউট করোনারি সিনড্রোম (এসিএস)। এরা তীব্র এবং প্রচণ্ড বুকে ব্যথা নিয়ে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি হন। এটি একটি বড় মেডিকেল ইমারজেন্সি। এখানে প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত মূল্যবান।

শরীরের আগাম সংকেত বুঝুন

হার্ট অ্যাটাক হওয়ার অনেক আগেই শরীর বিভিন্নভাবে সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। আমাদের কাজ হলো, নিজের শরীরের সে সংকেতগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া।

• বুকে মাঝখানে চেপে ধরা

• বুক ভারী অনুভূতি হওয়া

• তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভব করা

• হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি ভাঙার সময় বুকব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট হওয়া

বুকব্যথা শুরু হওয়ার পর অনেক সময় বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে যেতে পারে। এ সময় সতর্ক হতে হবে। এর সঙ্গে অস্বাভাবিক ঘাম হওয়া, তীব্র দুর্বলতা কিংবা মাথা ঘোরানোও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। অনেক সময় শুধু শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক ক্লান্তিও হৃদরোগের একমাত্র লক্ষণ হতে পারে।

ভুল ধারণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা

একটি বিষয় আমাদের পরিষ্কারভাবে মনে রাখা প্রয়োজন। সব বুকব্যথা যেমন হার্টের কারণে হয় না, তেমনি হার্টের সব সমস্যাও প্রচণ্ড বুকব্যথা দিয়ে শুরু হয় না। তাই উপসর্গ থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রাথমিক কিছু পরীক্ষা করা জরুরি।

• ইসিজি

• ইকোকার্ডিওগ্রাফি

• ট্রেডমিল টেস্ট বা ইটিটি

• প্রচণ্ড বুকে ব্যথা হলে ‘ট্রপোনিন আই’

সুস্থ হৃদয়ের সহজ উপায় কী

ঝুঁকি কমানো কিন্তু খুব কঠিন নয়। শুধু প্রয়োজন একটু সচেতনতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন। সুস্থ হৃদয়ের জন্য মেনে চলুন কিছু নিয়ম—

• রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখুন

• ধূমপান সম্পূর্ণভাবে পরিহার করুন। একটি সিগারেটও নয়

• নিয়মিত হাঁটুন এবং হালকা ব্যায়াম করুন। অলসতা দূর করুন

• শরীরের বিএমআই বা ওজন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন

• অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া একবারে কমিয়ে দিন

• পর্যাপ্ত ঘুমান এবং মানসিক চাপ কমানোর জন্য নিজের প্রিয় কাজ বা শখের দিকে নজর দিন


মনের খোঁজটিও রাখুন

ডা. মেখলা সরকার

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সাইকিয়াট্রিস্ট

সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

একটি প্রচলিত ধারণা আমাদের সমাজে জেঁকে বসেছে, মানসিক সমস্যা বুঝি শুধু নারীদেরই হয়। নারীদের জীবনের টানাপড়েন বেশি, হরমোনের ওঠানামা আছে, তাই হয়তো তারাই কেবল অবসাদে ভোগেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং সামাজিক পরিসংখ্যান পরিষ্কার বলছে, মানসিক রোগে নারী ও পুরুষ উভয়েই সমানভাবে আক্রান্ত হন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছু জটিল মানসিক রোগে পুরুষদের অবস্থা নারীদের চেয়েও দ্রুত খারাপের দিকে যায়। অথচ এ সত্যটা আমরা চেপে রাখি।

মেজাজের আড়ালে ডিপ্রেশন আর অ্যাংজাইটি

অফিস থেকে ফিরে ঘরের পুরুষটি হয়তো কারণে-অকারণে রাগারাগি করছেন। আমরা চট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিই—মানুষটার মেজাজটাই খিটখিটে, দিন দিন ভীষণ একরোখা হয়ে যাচ্ছেন। এই তীব্র রাগ, খিটখিটে আচরণ কিংবা হঠাৎ সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া আসলে ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটির লক্ষণ। মানসিক রোগ যখন কোনো পুরুষকে গ্রাস করে, তখন প্রধানত তিনটি ক্ষেত্রে বড় জটিলতা সৃষ্টি হয়—

প্রথমত, পারস্পরিক সম্পর্কের জায়গা। হুট করে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন, স্ত্রী বা সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি করে, বন্ধুদের এড়িয়ে চলেন।

দ্বিতীয়ত, নিজের প্রতি যত্ন। নিয়মিত গোসল করা, দাড়ি কাটা, ঠিকমতো খাওয়া— এই দৈনন্দিন হাইজিন মেইনটেইন করার ইচ্ছাটাই হারিয়ে ফেলেন। হয় তার ঘুম একবারে উবে যায়, না হয় সে সারাদিন মরা মানুষের মতো ঘুমিয়ে কাটান।
আর তৃতীয় ক্ষেত্রটি হলো তার পেশাগত জীবন। যে কাজে আগে দারুণ দক্ষ ছিলেন, সেখানে তার মনোযোগ শূন্যের কোটায় নেমে আসে। সিদ্ধান্তহীনতা আর কাজের প্রতি অনীহা গ্রাস করে।

শরীর যখন মনের ভাষার অনুবাদক

মনের রোগ অনেক সময় সরাসরি মনে আঘাত না করে শরীরে এসে ভর করে। একে আমরা বলি সাইকোসোম্যাটিক সিম্পটম। এ সময় দেখা দিতে পারে—

সারাক্ষণ শরীর ম্যাজম্যাজ করা

  • তীব্র ক্লান্তি
  • বুক ধড়ফড়ানি
  • মাথা ঘোরানো
  • ক্রনিক পিঠ-কোমর ব্যথা

এসবের পেছনে আসলে কোনো শারীরিক রোগ থাকে না। পুরো মেডিকেল টেস্টের রিপোর্ট হয়তো একদম নরমাল আসে অথচ মানুষটা দিন দিন শুকিয়ে যান। বিছানা থেকে ওঠার শক্তি পান না।

এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে শুচিবায়ু বা অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার (ওসিডি)। ঘর থেকে বের হওয়ার পর মনে হয় দরজাটা লক করা হয়নি। একবার, দুবার, পাঁচবার করে তালা চেক করতেই থাকেন। লিফটে উঠতে গেলে দম বন্ধ হয়ে আসে, বদ্ধ ঘরে শান্তি পান না। এমনকি অনেক পুরুষ তীব্র মানসিক চাপের কারণে যৌন অক্ষমতা বা সেক্সুয়াল ডিসফাংশনে ভুগতে শুরু করেন। এই শারীরিক সমস্যাগুলো

আসলে মনের একেকটি আর্তনাদ।

অ্যান্ড্রোপজ এবং হরমোনের উত্থান-পতন

নারীদের জীবনে যেমন মেনোপজ আসে, পুরুষদের জীবনেও কিন্তু ঠিক তেমনি আসে ‘অ্যান্ড্রোপজ’। ৫০ পার হওয়ার পর পুরুষদের শরীরে হরমোনের নানা পরিবর্তন ঘটে। তাদের শারীরিক সক্ষমতা ও যৌন ইচ্ছা বা লিবিডো আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। এই শারীরিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আসে রিটায়ারমেন্ট, তখন জীবনটা এক ধাক্কায় ওলটপালট হয়ে যায়।

যে পুরুষটি জীবনের ৩০-৪০টা বছর সকাল হলেই ট্রাফিকের জ্যাম ঠেলে অফিসে ছুটেছেন, ফাইলের পর ফাইল সই করেছেন, যার একটা কথায় অফিসের দশটা মানুষ তটস্থ থাকতেন— হঠাৎ এক সকালে আবিষ্কার করেন তার আর কোনো তাড়া নেই। এখন ঘরের কোণে বসে থাকা এক অতিরিক্ত মানুষ। এই যে ক্ষমতা ও গুরুত্ব হারানোর তীব্র অনুভূতি, এটি অনেক সময়ই অসহনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এটি তাদের ডুবিয়ে দিতে পারে চরম একাকিত্ব আর গভীর ডিপ্রেশনে।

আবার কর্মজীবনে তারা পরিবার বা আত্মীয়স্বজনকে খুব একটা সময় দিতে পারেননি, তাই অবসরের পর ঘরে ফিরে একধরনের অদ্ভুত অস্বস্তিতে ভোগেন। সন্তানরা হয়তো তাকে শ্রদ্ধা করে, কিন্তু ভয় আর দূরত্বের কারণে মন খুলে কথা বলতে পারে না। নাতি-নাতনিদের সঙ্গেও সেই সাবলীল সম্পর্কটি হয় না। ফলে নিজের চেনা ঘরেই শুরু হয় পরবাসী জীবন।

পঞ্চাশের পর দরকার মানসিক প্রস্তুতি

বয়স ৫০ পেরোলে দরকার মানসিক প্রস্তুতি এবং চমৎকার লাইফ প্ল্যানিং। এরই মধ্যে সেরে ফেলতে হবে রিটায়ারমেন্টের পরের পরিকল্পনাটিও। তাই বয়স ৫০ ছোঁয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে এসবের মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। নিজেকে বোঝাতে হবে, জীবনের একটি অধ্যায় শেষ হচ্ছে মানেই সব শেষ নয়। নতুন অধ্যায়ে নিজেকে কীভাবে ব্যস্ত রাখা যায়, তা আগে থেকেই ঠিক করতে হবে।

কেউ চাইলে পার্টটাইম কোনো কাজে যুক্ত হতে পারেন। অথবা জীবনের ব্যস্ততায় যে বইগুলো পড়া হয়নি, যে জায়গাগুলোতে যাওয়া হয়নি, এবার সেই অপূর্ণ শখগুলো পূরণ করার দায়িত্বটি তুলে নিতে হবে নিজের কাঁধে।

কর্মজীবনে থাকার সময়ই পরিবারের সঙ্গে একটা ইমোশনাল কানেকশন তৈরি করে রাখা জরুরি। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, বিকালে একটু হাঁটাহাঁটি করা বা জিমে জয়েন করার অভ্যাস বার্ধক্যের একাকিত্ব অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

পাশাপাশি প্রয়োজন আর্থিক স্বাধীনতা। অবসরের পর নিজের এবং স্ত্রীর খরচের জন্য যেন কারও মুখাপেক্ষী হতে না হয়, সেই অর্থনৈতিক প্ল্যানিংটা সময় থাকতেই গুছিয়ে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ।

খাদ্যাভ্যাস বদলে দিতে পারে জীবন

এভারকেয়ার হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন মুমিতুল মিম্মা

কিশোর থেকে প্রৌঢ় পর্যন্ত পুরুষের জীবনের সব ধাপে প্রভাব রাখে তার খাদ্যাভ্যাস। কিশোর বয়সে ছেলেদের শরীরে পেশি বা মাসল তৈরি হওয়ার যথাযথ সময়। এ সময়ে তাদের হাড়ের গঠন মজবুত হওয়া শুরু করে। এই বৃদ্ধির জন্য প্রথম দরকার পর্যাপ্ত প্রোটিন। শুধু প্রোটিনই নয়, পাশাপাশি ভিটামিন ‘ডি’ ও ক্যালসিয়ামের দিকে নজর দিতে হয়। সঠিক বয়সে এগুলোর জোগান না পেলে তাদের বাড়ন্ত শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই ১৮ বছর পার হওয়ার আগেই প্রতিটি ছেলেশিশুর খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন ইত্যাদি নিশ্চিত করা জরুরি।

বদলে ফেলুন জীবনশৈলী

সন্তান ধারণের আগে আমরা সবসময় হবু মায়ের পুষ্টি নিয়ে কথা বলি। কিন্তু হবু সন্তানের জন্য বাবার স্বাস্থ্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান ধারণের পরিকল্পনার সময় থেকেই ছেলেদের লাইফস্টাইল বদলে ফেলা ভালো। কারণ, আজকের অভ্যাসই নির্ধারণ করবে আপনার অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ। এ সময় যা করবেন—
• বাইরের ভাজাপোড়া পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।
• রাত জেগে মোবাইল চালানো বন্ধ করা।
• দরকার পর্যাপ্ত ঘুম।
• প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত কিছুটা সময় হাঁটতে হবে।
• ধূমপান বা যেকোনো নেশাজাতীয় অভ্যাস থাকলে তা ছাড়তে হবে।

সুস্থ শরীরের জন্য চাই সুষম পুষ্টি

পুরুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন হলো টেস্টোস্টেরন। এটি ঠিকঠাক রাখতে হলে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা চাই। বিএমআই ঠিক রাখা বা ওজন কমানোও জরুরি।
অফিসের ব্যস্ততায় অনেক পুরুষেরই নিয়ম করে ফল বা শাকসবজি খাওয়া হয়ে ওঠে না। এই অবহেলা থেকে শরীরে অনেক পুষ্টি ঘাটতি হয়। ফলে শরীর অলস, মনমেজাজ খিটখিটে হয়। তাই প্রতিদিনের খাবারে রঙিন শাকসবজি ও তাজা ফল রাখা চাই।

খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা জরুরি

প্রাপ্তবয়স্ক একজন চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী পুরুষকে সারা দিন প্রচণ্ড মানসিক চাপে থাকতে হয়। অনেকে আবার চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাও সামলান। এই অতিরিক্ত খাটাখাটুনির ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’র ঘাটতি দেখা দেয়। আমাদের দেশের অনেক পুরুষেরই ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা আইবিএসের সমস্যা থাকে। তারা দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার হজম করতে পারেন না। এমন হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ছোট মাছ, মাংস, ডিম ও বাদামের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে ছেলেরা প্রায়ই দুপুরের খাবার বাইরে খেতে বাধ্য হয়। ফলে পেটে মেদ বা ভুঁড়ি জমে যায়। দেখা দেয় ফ্যাটি লিভার, হাইকোলেস্টেরল এবং ইউরিক অ্যাসিডের মতো গুরুতর সমস্যা। এই অস্বাস্থ্যকর খাবারই কিন্তু পরে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

মাসে ২৫ দিনই কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোতে হয় ছেলেদের। এ সময় ঘরের খাবার সঙ্গে নেওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। যদি খাবার নিতে একান্তই কষ্ট হয়, তবে সকালের দিকেই ভারী নাশতা হিসেবে ভাত, মাছ ও সবজি খেয়ে বের হতে হবে। আর সকালের হালকা নাশতা ব্যাগে বহন করা যেতে পারে।

সারা দিন বাইরে থাকার পর ছেলেরা রাতে বাড়ি ফেরেন। তখন পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খেতে বসেন। কিন্তু রাতে একবারে প্রচুর খাবার খেয়ে ফেলা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া যাবে না। এতে হজমে ব্যাঘাত ঘটে এবং বাড়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি। ভুঁড়ি বাড়ার অনেক বড় একটি কারণ এটিই।

বড় সমস্যা হলো পানি কম খাওয়া। কাজের ফাঁকে পানির বদলে বারবার চা বা কফি খাওয়া ছেলেদের অনেকটা অভ্যাসের মতো। অতিরিক্ত ক্যাফেইনের ফলে রাতে ভালো ঘুম হয় না এবং ধীরে ধীরে হাইপ্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ তৈরি হয়। তাই চা-কফির কাপ সরিয়ে রেখে পানি পানের অভ্যাস করতে হবে।

দরকার প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং ও সচেতনতা

• বয়স যখন পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছায়, তখন শরীরের প্রতি যত্ন আরও বাড়াতে হয়। বয়স বাড়লে পুরুষেরও প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড বা রেক্টাম ক্যানসারের নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো দরকার। পরিবারের কারও এসব রোগের ইতিহাস থাকলে স্ক্রিনিং খুব জরুরি।
• আজকাল অনেক ছেলের শরীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি দেখা যায়। বিশেষ করে পরিবারে যদি থ্যালাসেমিয়ার ইতিহাস থাকে, তবে রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি।
• এ বয়সে এসে হাড়ের জয়েন্ট ভালো রাখতে হবে। হুটহাট সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা না করে সমতলে হাঁটার অভ্যাস করুন। দাঁতের যত্ন নিন, যাতে সব ধরনের পুষ্টিকর খাবার চিবিয়ে খাওয়া যায়। বয়স ৪০ পেরোলেই খাবারে ফ্যাট ও লবণের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। পাতে অতিরিক্ত লবণ রাখা যাবে না।
• এ সময় লাল চালের ভাত ও লাল আটার রুটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। খাবারে রাখুন বেশি বেশি আঁশযুক্ত উপাদান। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মাল্টিভিটামিন বা সাপ্লিমেন্ট নিন।


প্রোস্টেট ক্যানসার নিরাময়যোগ্য

অধ্যাপক ডা. মো. মশিউর আরেফিন (রুবেল)
ইউরোলজি বিভাগ
জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট

প্রোস্টেট ক্যানসার পুরুষের অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি রোগ। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তির মতো সহজ লক্ষণ দিয়ে এটি প্রকাশ পেলেও ধরা পড়ে বেশ দেরিতে। বয়স ৫০ পেরোলে তাই প্রস্রাবের যেকোনো অস্বস্তি প্রকাশ পেলে দেরি না করে ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রোস্টেট ক্যানসার কী

প্রোস্টেট হলো পুরুষের শরীরের মূত্রথলির নিচে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি। এই গ্রন্থির কোষগুলো যখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে, তখন সেটি প্রোস্টেট ক্যানসারে রূপান্তর হয়। সাধারণত পঞ্চাশোর্ধ্ব পুরুষদের এই রোগ বেশি হয়। তাই প্রবীণদের এ বিষয়ে বাড়তি নজর দেওয়া উচিত। তরুণ বয়সে এই ক্যানসার হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল।

বেশি ঝুঁকিতে কারা

কিছু নির্দিষ্ট কারণে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যেতে পারে–
• বংশগত কারণ: আপনার পরিবারে যদি এই রোগের ইতিহাস থাকে, তবে সাবধান হতে হবে। বাবা, দাদা বা চাচার এই ক্যানসার থাকলে আপনার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। এমনকি বংশগত কারণে এটি তুলনামূলক কম বয়সেও দেখা দিতে পারে।
• খাদ্যাভ্যাস: আমরা দিন দিন ফাস্টফুড আর তৈলাক্ত খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। জাঙ্কফুড ও প্রক্রিয়াজাত করা খাবার প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
• ধূমপান: প্রোস্টেট ক্যানসারের সঙ্গে ধূমপানের সরাসরি সংযোগ রয়েছে।
• রেডিয়েশন এক্সপোজার: কোনো কারণে শরীরে অতিরিক্ত রেডিয়েশন বা বিকিরণ লাগলে এই ক্যানসার হতে পারে।

টের পাবেন কীভাবে

এই ক্যানসারের প্রধান সমস্যা, এটি সহজে প্রকাশ পায় না। শুরুর দিকে সাধারণত প্রস্রাবের কিছু সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘লোয়ার ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সিমটম’। লক্ষণগুলো হচ্ছে–
• প্রস্রাবের গতি কমে যাওয়া।
• প্রস্রাব করার পর মনে হওয়া যে পুরোপুরি ক্লিয়ার হয়নি, আরও কিছুটা রয়ে গেছে।
• ঘন ঘন চাপ আসা, বিশেষ করে রাতের বেলা।
• প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।
• সকালে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গিয়ে প্রস্রাব শুরু করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যাওয়া। প্রস্রাব শুরু করতে কষ্ট হওয়া।

জরুরি সতর্কবার্তা

রোগটি অ্যাডভান্সড স্টেজে চলে গেলে হাড়ের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে মেটাস্ট্যাসিস বলে। এর ফলে পিঠের মাংসপেশিতে বা হাড়ে তীব্র ব্যথা হয়। আবার অনেক রোগী প্রস্রাবের সমস্যাটিকেও পাত্তা দেন না। তারা ভাবেন, ‘একটু পানি কম খেয়েছি, ঠিক হয়ে যাবে।’ পরে যখন তীব্র পিঠের ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসেন, তখন রোগটি শেষ পর্যায়ে চলে যায়। এ সময় করার কিছু থাকে না।

শনাক্তকরণ

প্রোস্টেট ক্যানসার খুব ধীরগতিতে বাড়ে। এ কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে এটি শতভাগ নিরাময়যোগ্য। সামান্য একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু রোগটি যদি ছড়িয়ে পড়ে, তখন আর অস্ত্রোপচার করা যায় না। তখন হরমোনথেরাপি, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই আগেভাগে রোগ শনাক্ত করা জরুরি।

স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব

উন্নত দেশগুলোতে ৪০ থেকে ৪৫-এর পর প্রোস্টেট ক্যানসার স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক। হেলথ ইন্স্যুরেন্সে এ ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়ার হারও বেশি। সিরাম পিএসএ নামে সাধারণ একটি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজেই এ ক্যানসার শনাক্ত করা যায়।


টাক সমস্যার প্রধান কারণ বংশগত

ডা. মো. ফখরুজ্জামান

সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

বয়স ত্রিশের কোটা ছুঁই ছুঁই করতেই যেন মাথার সামনের দিকটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। চিরুনি চালালেই উঠে আসছে একগুচ্ছ চুল। দেখা দিচ্ছে চওড়া টাক। ক্রমে বাড়ে তার ব্যাপ্তি। আয়নার সামনে সজোরে জানান দিচ্ছে, ফিকে হয়ে আসছে তারুণ্যের উদ্দাম দিন। এর প্রভাব পড়ছে আত্মবিশ্বাসে। বাংলাদেশের সিংহভাগ পুরুষের টেকো মাথার গল্প এটি। সেই গল্পে খলনায়ক হিসেবে বারবার হাজির করা হয় মানসিক চাপ আর দূষণকে। কিন্তু আসল কারণ কি সত্যিই তাই?

আসল কারণ কী

চুল পড়ার পেছনে অনেকেই কেবল লাইফস্টাইল বা টেনশনকে দায়ী করেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। এর পেছনে রয়েছে আরও বড় এবং জটিল কিছু কারণ।
• হরমোন ও বংশগতির খেলা: পুরুষের চুল পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ ‘অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়া’। একে সহজ ভাষায় বলা হয় ‘মেল প্যাটার্ন ব্লডনেস’। এটি মূলত হরমোনের প্রভাব এবং বংশগত কারণে হয়ে থাকে।
• ত্বকের রোগ বা ইনফেকশন: মাথার ত্বকে ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা অন্য কোনো জটিল চর্মরোগ থাকলে চুল দ্রুত ঝরে যায়।
• শরীরের ভেতরের রোগ: একে বলা হয় সিস্টেমিক ডিজিজ। শরীরের ভেতরের কোনো অর্গানের সমস্যা বা অটোইমিউন ডিজিজের কারণেও চুল পড়তে পারে।
• পুষ্টির অভাব: খাবারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাব থাকলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়।
অনেকে ভাবেন, মানসিক চাপের কারণে বুঝি পুরো মাথা টাক হয়ে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, তীব্র মানসিক চাপে হয়তো সাময়িকভাবে দু-চারটা চুল পড়তে পারে। কিন্তু স্থায়ীভাবে টাক হয়ে যাওয়ার পেছনে মূল ভূমিকা হরমোন আর বংশগতির।

আধুনিক চিকিৎসা

টাক পড়ে যাচ্ছে দেখে ভেঙে পড়ার দিন এখন শেষ। বর্তমানে বাংলাদেশে বসেই এর আধুনিক চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। চিকিৎসকরা এখন বেশ কিছু কার্যকর উপায়ে এর সমাধান করছেন।

• মেডিকেশন ও ওষুধ: প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধের মাধ্যমে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব।
• পিআরপি থেরাপি: এটি বেশ আধুনিক ও জনপ্রিয় চিকিৎসা। রোগীর নিজের রক্ত থেকেই প্লাজমা নিয়ে মাথায় ইনজেকশন দেওয়া হয়। এতে সুপ্ত হেয়ার ফলিকল আবার প্রাণ ফিরে পায়।
• হরমোনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি: হরমোনের ভারসাম্যের অভাব থাকলে এই থেরাপি চমৎকার কাজ করে।
• হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট: যখন কোনোভাবেই আর চুল গজাচ্ছে না, তখন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হেয়ার ফলিকল প্রতিস্থাপন করা হয়।
পুরুষরা সাধারণত নিজের শরীরের যত্ন নিতে অবহেলা করেন। এবার নিজের প্রতি একটু যত্নশীল হোন। চুল পড়া সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি একজন ভালো ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

হৃদরোগআন্তর্জাতিক পুরুষ স্বাস্থ্য সপ্তাহ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত

    ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:০০

    এএপিআই উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরল মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুল

    এএপিআই উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরল মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুল

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:০০

    হরমুজে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    হরমুজে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    ১০ জুন ২০২৬, ০১:১৪

    ঢাকাসহ ১৮ জেলায় সকাল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা

    ঢাকাসহ ১৮ জেলায় সকাল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা

    ১০ জুন ২০২৬, ০১:৩৪

    নারায়ণগঞ্জে বর্জ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ নিহত ২

    নারায়ণগঞ্জে বর্জ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ নিহত ২

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:৪৪

    বিডিবিএলে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চাঁদা সংগ্রহ শুরু

    বিডিবিএলে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চাঁদা সংগ্রহ শুরু

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৭

    বিশ্বকাপে মেক্সিকান পুলিশের ‘রোবট ডগ’

    বিশ্বকাপে মেক্সিকান পুলিশের ‘রোবট ডগ’

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৩

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সংস্কার

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সংস্কার

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৬

    ঢাকায় শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ হচ্ছে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    ঢাকায় শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ হচ্ছে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:২০

    রক্তদানের আগে মানতে হবে নিয়ম

    রক্তদানের আগে মানতে হবে নিয়ম

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:০৮

    যেসব কারণে বাতিল হবে লাইসেন্স

    যেসব কারণে বাতিল হবে লাইসেন্স

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৬

    ভিডিও গেমে ফুটবলের তিন দশক

    ভিডিও গেমে ফুটবলের তিন দশক

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১২

    বিশ্বকাপে মাঠ মাতাবে

    বিশ্বকাপে মাঠ মাতাবে

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১১

    পাঁচ জেলায় চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড

    পাঁচ জেলায় চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৪

    ইবোলা-হামের আতঙ্ক ফুটবলেও

    ইবোলা-হামের আতঙ্ক ফুটবলেও

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৩

    advertiseadvertise