অভিজ্ঞতার আলো
এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এখন শুধু ভালো ফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং টিচিং বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করার প্রায়োগিক অভিজ্ঞতা একজন প্রার্থীকে অন্যদের চেয়ে অনন্য করে তোলে। তাই ইউল্যাবের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী থাকাকালে আমি বিভিন্ন গবেষণায় সহকারী হিসেবে কাজ করেছি, যা আমাকে পরবর্তী সময়ে এই ক্যারিয়ার বেছে নিতে দারুণভাবে সাহায্য করেছে।
একজন শিক্ষককে মূলত তিনটি দায়িত্ব পালন করতে হয়— শিক্ষাদান, প্রশাসনিক কাজ ও গবেষণা, বিশেষ করে পদোন্নতির জন্য নিয়মিত মানসম্মত গবেষণাপত্র প্রকাশ করা এখন অপরিহার্য। অন্যদিকে, এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষককে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বৈচিত্র্য আনতে হয়। শিক্ষকদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নিজেরা কতটুকু সৃজনশীলভাবে বুঝতে পারছেন, তা নিশ্চিত করা। কেননা, শুধু মেধাবীরা নন; বরং যারা পাঠ্য বিষয় বুঝতে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন, তাদেরও সফলভাবে সম্পৃক্ত করা একজন শিক্ষকের সার্থকতা। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসিকতা বদলায়, তাই নিজের পাঠদান পদ্ধতি প্রতিনিয়ত উন্নত করা প্রয়োজন।





