Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
পশুপাখির বন্ধু সাইমুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

  • শুধু প্রত্যর্পণে থেমে নেই ঢাকা
  • প্রস্তুতি নেই আওয়ামী লীগেও
  • ট্রাইব্যুনালের রায়, নিরাপত্তাঝুঁকিও বিবেচনায়
  • ফিরতে চাইলেও বিষয়টি এখন তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না
জাকির হোসেন লিটন
জাকির হোসেন লিটন
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭
ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে অবস্থানকারী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি, ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সমীকরণ এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, তিনি ডিসেম্বরে ফিরছেন না। তার দেশে ফেরার পথ মূলত আইনি, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক— তিন দিক থেকেই বন্ধ।

খোঁজ নিয়ে এও জানা গেছে, ঢাকা এখন আর শুধু শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে আটকে নেই। সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করতে পারেন; কিন্তু সেখান থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া কিংবা কোনো ধরনের সাংগঠনিক তৎপরতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ যেন তাকে দেওয়া না হয়। অর্থাৎ ঢাকার বর্তমান অবস্থান অনেকটাই পরিষ্কার— শেখ হাসিনাকে ভারত রাখবে কি না, সেটি ভারতের বিষয়; কিন্তু ভারতের মাটি ব্যবহার করে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে পারবেন না।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতা দেশ ছেড়ে যান। অনেকে আছেন কারাগারে, কেউ আত্মগোপনে। আকস্মিক এ পটপরিবর্তনের পর দলটি কার্যত নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সংকটে পড়ে।

এরপরও ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শেখ হাসিনা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের হতাশা কাটাতে গত জুলাইয়ে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। ঘোষণাটি আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ে নতুন আশার সঞ্চার করে। কিন্তু সে ঘোষণা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই এখন পর্যন্ত।

ফেরার ঘোষণা, কিন্তু বাস্তব প্রস্তুতি নেই

বিদেশে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখা এবং মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক অস্তিত্ব জানান দিতে বছরের শেষভাগে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার যে বার্তা প্রচার করা হয়েছিল, সেটি এখন মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই সীমাবদ্ধ। দলীয় পর্যায়ে তার ফেরাকে কেন্দ্র করে দৃশ্যমান কোনো বড় প্রস্তুতি নেই। বরং দলের ভেতরেই ধরে নেওয়া হচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। এখন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সামনে নতুন প্রশ্ন— ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে কী ব্যাখ্যা দেবে দল এবং কীভাবে সামাল দেবে নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা।

ঢাকার চাওয়া: ভারত রাখুক, রাজনীতি করতে না দিক

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা কমে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিষয় হচ্ছে, ভারতকে ঘিরে সরকারের অবস্থান। ঢাকা এখন আর শুধু শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে আটকে নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের কাছে তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হচ্ছে— ভারতের ভূখণ্ড যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার উৎস না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লিকে জানানো হয়েছে, ভারত চাইলে শেখ হাসিনাকে সেখানে রাখতে পারে; কিন্তু তার অবস্থানকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা বা প্রভাব বিস্তারের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের আশঙ্কা, শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে অবস্থান করে নিয়মিত রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কিংবা দলীয় কর্মকাণ্ডে নির্দেশনা দেওয়া অব্যাহত রাখলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঢাকার অবস্থান তাই পরিষ্কার— শেখ হাসিনা ভারতে থাকলে থাকুন; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ যেন না পান। এ নিশ্চয়তাই এখন বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তারেক রহমানের ভারত সফরেও ‘হাসিনা ফ্যাক্টর’

এ অবস্থান সরাসরি প্রভাব ফেলছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরেও। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে হলে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে তারেক রহমানের ভারত সফরের আগে ঢাকা চায়, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করলেও তিনি যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে না পারেন— সে বিষয়ে দিল্লির সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। অর্থাৎ তারেক রহমানের সফরের আলোচনায় এখন শুধু বাণিজ্য, সীমান্ত, পানি কিংবা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়; শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। এ কারণেই শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের ফেরার প্রশ্নটি আরও জটিল হয়েছে।

সরকারের একজন উপদেষ্টা আলাপকালে এ প্রসঙ্গে আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা যদি ভারতে থাকেন এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অস্বস্তি বাড়বে। আর ভারত যদি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমা আরোপ করে, তাহলে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা কার্যত আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরা আটকে থাকার পেছনে একাধিক দৃশ্যমান ও অদৃশ্য কারণ রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের রায় ও আইনি চাপ

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার অন্যতম বাধা এখন আইনি। জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার হয়েছে। একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের রায়ও হয়েছে। ফলে দেশে ফিরলেই তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। গ্রেপ্তার এড়ানো কিংবা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ তার সামনে নেই। এ বাস্তবতায় স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শূন্য।

প্রত্যর্পণ এখন দিল্লির সিদ্ধান্তের বিষয়

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে বাংলাদেশ তার আইনি অবস্থান জানিয়েছে। কিন্তু তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ফলে তার দেশে ফেরার বিষয়টি এখন বাংলাদেশের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ নেই। ভারতের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া, কূটনৈতিক বিবেচনা এবং দুই দেশের সম্পর্ক— সবকিছুর ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে। তাই ডিসেম্বরের মতো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে, এমন কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা

গত সাড়ে ১৫ বছরে একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক যে রাজনৈতিক কাঠামো আওয়ামী লীগে সৃষ্টি হয়েছিল, ৫ আগস্টের পর তা দ্রুত ভেঙে পড়ে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বহু নেতা কারাগারে, অনেকে বিদেশে, কেউ আত্মগোপনে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের বড় অংশ মামলা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে রাজনৈতিকভাবে গ্রহণ করার মতো আগের সেই সংগঠিত শক্তি আওয়ামী লীগের নেই। তৃণমূলে সমর্থন থাকলেও সেটিকে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা এখন প্রশ্নের মুখে।

নিরাপত্তাঝুঁকি

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা মানেই শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন নয়; এটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা। তার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, পাল্টা কর্মসূচি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

অভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে যে জনক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিও পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। ফলে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

কী ভাবছে আওয়ামী লীগ

বিদেশে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের একজন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ প্রতিবেদককে বললেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা ছিল অনেকটাই তার নিজের সিদ্ধান্ত। এর আগে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু মামলা, গ্রেপ্তার ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে কেউই তা বাস্তবায়ন করতে পারেননি। ফলে শেখ হাসিনা নিজেই দেশে ফেরার ঘোষণা দেন। কিন্তু ঘোষণার পর বাস্তবতা বদলায়নি। ওই সদস্যের ভাষায়, ‘নেত্রী ফিরতে চান; কিন্তু এখন বিষয়টি শুধু তার চাওয়ার ওপর নির্ভর করছে না।’

দলের সম্পাদকমণ্ডলীর দুজন নেতার ভাষ্যও একই ধরনের। তাদের একজন বললেন, ‘শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সঙ্গে এখন কূটনৈতিক নানা বিষয় জড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সমর্থন, ভারতের অবস্থান এবং আইনি প্রক্রিয়া— সবকিছু বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।’

অন্যজনের মতে, ‘ডিসেম্বরে তিনি না ফিরলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তার ফেরার প্রত্যাশা ধরে রাখা হবে।’

তবে কট্টরপন্থীদের হিসাব অন্যরকম

আওয়ামী লীগের একজন কট্টরপন্থী সম্পাদক অবশ্য ভিন্ন হিসাব দিচ্ছেন। তার দাবি, দেশে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। মানুষ বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের তুলনা করতে শুরু করেছেন।

তার মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার রাজনৈতিক পটভূমি তৈরি হতে পারে। তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এখনো রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নিজের অবস্থান তুলে ধরার সক্ষমতা তার আছে। তবে দলের এই অংশের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবে প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে হচ্ছে।

 কী বলছেন বিশ্লেষকরা

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় রাজনীতি বিশ্লেষক ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে। ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার ফেরা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তিনি। বললেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরদিনই বলেছিলেন, ওনারা বাংলাদেশ সম্পর্কে আর আগ্রহী নন। ওনার ছেলেও লাইভে এসে জানিয়েছিলেন, তার মা আর রাজনীতিতে আগ্রহী নন। তিনি (শেখ হাসিনা) বাকি জীবন প্রবাসেই কাটিয়ে দিতে চান। সেজন্য ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফিরে আসা একটা কথার কথা মাত্র।’

এই বিশ্লেষক আরও বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা বিদেশে বসে গণতন্ত্রের কথা বললেন, দায়বদ্ধতার কথা বললেন। কিন্তু তার ক্ষমতায় থাকার জন্য বহু মানুষের জীবন চলে গেছে। তিনি এখনো তার দায় নিচ্ছেন না। দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য দায়বদ্ধ হতে তার ফিরে আসা অথবা তাকে ফিরিয়ে আনা উচিত।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বললেন, ‘শেখ হাসিনার ফিরে আসার বিষয়টি এখন আর তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। এর সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক, উভয় দেশের চাওয়া, ভূরাজনীতি এবং ভারতের আইনি দিকগুলোও জড়িত— যা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। কিন্তু ডিসেম্বর খুব একটা বেশি দূরে নয়। আর এ স্বল্প সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনার ফিরে আসার তেমন কোনো আলামত এখনো স্পষ্ট নয়। তার ফেরা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তেমন কোনো প্রস্তুতি চোখে পড়ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি তার ফেরার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না।’

হাসিনাআওয়ামী লীগট্রাইব্যুনাল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement placeholder
    Advertisement placeholder
    জনগণের জন্য নেমেছি, অধিকার আদায় করে ফিরব : শফিকুর রহমান

    জনগণের জন্য নেমেছি, অধিকার আদায় করে ফিরব : শফিকুর রহমান

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭

    ‘ব্যাগ গুছিয়ে’ ভারতীয় কোম্পানিকে কেনিয়া ছাড়ার নির্দেশ

    ‘ব্যাগ গুছিয়ে’ ভারতীয় কোম্পানিকে কেনিয়া ছাড়ার নির্দেশ

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২১

    বলিভিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১০

    বলিভিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১০

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫১

    হোটেল সংকটে কলকাতার ফুটপাতে ঘুমাতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের

    হোটেল সংকটে কলকাতার ফুটপাতে ঘুমাতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪০

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭

    লংমার্চের পথসভা থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    লংমার্চের পথসভা থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০৩

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫

    এমবিবিএস পড়ে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে এই ৮ জন হয়েছেন নায়িকা

    এমবিবিএস পড়ে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে এই ৮ জন হয়েছেন নায়িকা

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৪৪

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২

    advertiseadvertise