স্বাস্থ্য টিপস
অস্টিওআর্থ্রাইটিসের কারণ ও লক্ষণ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
অস্টিওআর্থ্রাইটিস এমন একটি রোগ, যা জয়েন্টের তরুণাস্থি ক্ষয় করে। এর ফলে ব্যথা হয় ও ফোলা ভাব দেখা যায়। পুরুষের তুলনায় নারীদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি।
শরীরের অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হতে পারে, বিশেষ করে হাঁটুতে। এ ছাড়া লিগামেন্টের আঘাত বা ACL ইনজুরি, বিভিন্ন ধরনের ফ্র্যাকচার বা ডিস লোকেশন, জেনেটিকস কারণেও হতে পারে। আবার যাদের আগে থেকেই গাউট আছে, তাদের ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।
অস্টিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণ সাধারণত এক দিনে দেখা দেয় না। সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে এসব সমস্যা বাড়তে থাকে। যেমন— জয়েন্টে ব্যথা ও শক্ত ভাব, ফুলে যাওয়া ও লাল হওয়া, হাড়ের বাড়তি অংশ তৈরি হওয়া, ঘষা লাগার মতো অনুভূতি, জয়েন্টের আকার বদলে যাওয়া, এমনকি নড়াচড়ার ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।
অস্টিওআর্থ্রাইটিস সমস্যায় ফিজিওথেরাপি খুবই জনপ্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। একজন ফিজিওথেরাপিস্ট আপনার ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেবেন। যেখানে এমএফআর, বিভিন্ন ফিজিক্যাল এজেন্ট, ট্যাপিং, ম্যানিপুলেশন, মাসেল এনার্জি টেকনিক ইত্যাদি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ইলেকট্রোথেরাপি, যেমন— আলট্রাসাউন্ড, IFT, TENS ব্যথা দূর করতে ভালো কাজ করে। এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী হিট ও কোল্ডথেরাপি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করানো হয়, যা পেশিগুলো শিথিল করে। এ ছাড়া স্ট্রেনদেনিং এক্সারসাইজ দুর্বল পেশিগুলো শক্তিশালী করে।
লেখক : ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট, আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, মিরপুর।



