দীর্ঘদিনের কাশিতে সতর্ক হোন
প্রফেসর ডা. এ. কে. এম. মূসা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধের একটি প্রয়োজনীয় ক্রিয়া হলো কাশি। স্বাভাবিক এই প্রতিক্রিয়াটির রিসেপ্টর থাকে শ্বাসনালিতে। অন্যদিকে অতিরিক্ত ও দীর্ঘদিনের কাশি বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
যেসব কারণে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হয়
- দূষিত বাতাস, বিভিন্ন প্রকার এলার্জেন, ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এ রোগের কারণ।
- গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ হলে পাকস্থলী ও খাদ্যনালির রিং (িস্ফঙ্গটার) ঢিলে হয় এবং এসিড খাদ্যনালিতে ফিরে আসে। এতে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হতে পারে।
- ধূমপায়ীদের ক্রনিক ব্রংকাইটিস পরপর দু’বছর তিন মাসের বেশি সময় হলে কফযুক্ত কাশি হয়।
- প্রেশার কমানোর ওষুধ এসিই (ACE) ইনহিবিটার- যেমন রেমিপ্রিল, এসিপ্রিল ও বিটা ব্লকারের কারণে শুকনা কাশি হতে পারে।
- হার্ট ফেইলিউর হলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি শরীরে পানি জমা, দুর্বলতা, সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্তি ভাব তৈরি করে। এতে রাতে কাশি বেড়ে যায় ও শ্বাসকষ্ট হয়।
- ফুসফুসে সংক্রমণ হলে বা যক্ষ্মা হলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হতে পারে।
- ফুসফুসের ফাইব্রোসিস (ডিপিএলডি) হলে কাশি ও শ্বাসকষ্ট হবে।
- ফুসফুসের ক্যানসার হলে যারা প্রতিদিন ২০টি সিগারেট ২০ বছরের বেশি টানেন, তাদের দীর্ঘস্থায়ী কাশি লেগেই থাকে।
- এ অবস্থায় কাশির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে, কফের সঙ্গে রক্ত এলে, কাশির সঙ্গে বুক ব্যথা, জ্বর, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া এসব কারণে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
লেখক: অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর




