‘৫২ ব্লু’ নিয়ে লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নেহা ধুপিয়া, প্রদর্শনী কবে

নেহা ধুপিয়া
বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো এক সোনালি পালক। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয় করেই বাজিমাত করলেন এই তারকা।
তার অভিনীত প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ‘৫২ ব্লু’ দিয়ে আগামী ৯ জুলাই জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠতে যাচ্ছে মর্যাদাপূর্ণ ‘লন্ডন ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এর। লন্ডনের ঐতিহাসিক বিএফআই সাউথব্যাংকে সিনেমাটির ইউরোপীয় প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে।
খবরের চমক এখানেই শেষ নয়! সিনেমাটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো, এর সাথে জড়িয়ে আছে বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির নাম। মেসির এই সম্পৃক্ততা সিনেমাটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
মিশরীয় বংশোদ্ভূত খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা আলী এল আরাবি পরিচালিত এই সিনেমাটি মূলত এক আবেগঘন পারিবারিক এবং স্বপ্নপূরণের গল্প। ভারতের কোচি এবং কাতারে শুট হওয়া এই সিনেমার মূল চরিত্র ‘আশিস’ নামের এক তরুণ, যে তার বাবার কড়া শাসনে বড় হয়েছে।
মায়ের নিরন্তর সমর্থনে সে একসময় নিজের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে ঘর ছাড়ে এবং অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে পাড়ি জমায় ২০২২ সালের কাতার ফুটবল বিশ্বকাপে। তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য—নিজের আদর্শ ও ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসির সাথে দেখা করা। ফুটবলপ্রেমী এক তরুণের এই জীবন সংগ্রামের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে ‘৫২ ব্লু’।
গ্ল্যামারাস ইমেজ ঝেড়ে ফেলে এই সিনেমায় একেবারে সাধারণ ও ডি-গ্ল্যাম লুকে ধরা দিয়েছেন নেহা ধুপিয়া। ক্যারিয়ারে প্রথমবার পর্দায় এক যুবকের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি, যা তার অভিনয় জীবনের অন্যতম সেরা রূপান্তর হিসেবে বলা হচ্ছে।
সিনেমায় তার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভারতের অন্যতম শক্তিমান অভিনেতা আদিল হুসেন।
এক সাক্ষাৎকারে নেহা ধুপিয়া বলেছেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে আমরা সবসময় এমন গল্প খুঁজি যা মনের ভেতর দাগ কেটে যায়। ‘৫২ ব্লু’ আমার জন্য ঠিক তেমনই একটি সিনেমা। আর এর সাথে লিওনেল মেসির মতো বিশ্ববরেণ্য মানুষের নাম জড়িয়ে থাকাটা আমাদের পুরো প্রজেক্টকে আন্তর্জাতিকভাবে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। লন্ডনের দর্শকরা সিনেমাটি দেখে কেমন প্রতিক্রিয়া জানান, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
খাঁটি আবেগ, মেসিলাভ বা ফুটবল উন্মাদনা এবং চমৎকার কাস্টিংয়ের কারণে এবারের লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘৫২ ব্লু’ সিনেমাটি সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সমালোচকরা।





