ছোট চরিত্রই কেন বেছে নেন দিয়া মির্জা?

দিয়া মির্জা। ছবিঃ ইনস্টাগ্রাম
বলিউডের অন্যতম মার্জিত ও গুণী অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। ‘আলফা’ ও ‘ইক্কা’র পর এবার চলতি বছরের নিজের তৃতীয় কাজ ‘অপারেশন সাফেদ সাগর’ নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হতে যাচ্ছেন তিনি।
১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ এক নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে আগের কাজগুলোর মতো এবারও দৃশ্যের দৈর্ঘ্য কম হওয়া নিয়ে চর্চা শুরু হতেই মুখ খুললেন এই বলিউড সুন্দরী।
নিউজ১৮-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ৪২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী জানান, স্ক্রিনে তাকে কতক্ষণ দেখা যাবে তা দেখে তিনি কখনো সিনেমার প্রস্তাব গ্রহণ বা বর্জন করেন না।
নিজের অতীতের ভুল স্বীকার করে দিয়া বলেছেন, ‘ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ বছর আমি কিছুটা কম বয়সী ও অনভিজ্ঞ ছিলাম। তাই চরিত্রের দৈর্ঘ্য ছোট মনে হওয়ায় অনেক ভালো ভালো প্রজেক্টে কাজ করতে মানা করে দিয়েছিলাম। তবে গত ২০ বছরে আমি আর সেই ভুল করিনি। আমার কাছে চরিত্রের দৈর্ঘ্য নয়, বরং গল্পে চরিত্রটির প্রভাব কতখানি—সেটাই মূল বিষয়।’
অভিনেত্রী স্মরণ করিয়ে দেন তার ক্যারিয়ারের সেরা কাজগুলোর কথা। ‘পরিণীতা’, ‘লাগে রাহো মুন্না ভাই’, ‘থাপ্পড়’ কিংবা ‘সঞ্জু’র মতো সুপারহিট সিনেমাগুলোতে তার চরিত্রের স্ক্রিন-টাইম খুব বেশি ছিল না, কিন্তু প্রতিটি চরিত্রই সিনেমার গল্পকে শক্ত এক ভিত্তি দিয়েছিল।
দিয়া জানান, পরিচালকের সততা কতখানি তা একটি চিত্রনাট্যের প্রথম ৫ পৃষ্ঠা পড়লেই বোঝা যায়। ‘অপারেশন সাফেদ সাগর’-এর স্ক্রিপ্ট পড়ার পরই তিনি বুঝেছিলেন এটি সংবেদনশীল ও মানবিক এক গল্প, যা থেকে নিজেকে দূরে রাখা তার পক্ষে অসম্ভব ছিল।
অনি সেন পরিচালিত এই ওটিটি সিরিজে ভারতীয় বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার টনি ধানোয়ারের স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে দিয়া মির্জাকে। যুদ্ধের পেছনে থাকা স্বজনদের মানসিক টানাপোড়েন ও ত্যাগের গল্প ফুটে উঠবে তার অভিনয়ে।
আগামী ৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিরিজটি।





