চলচ্চিত্রে বারিধারা

নির্বাক থেকে সবাক, বাণিজ্যিক থেকে শৈল্পিক— দুনিয়া জুড়ে অসংখ্য চলচ্চিত্রে বৃষ্টির মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের ছড়াছড়ি। এর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে তা প্রতীক, প্রেক্ষাপট, এমনকি মূল ভিত্তি হিসেবে গভীর তাৎপর্যের ঘটিয়েছে প্রকাশ। লিখেছেন রুদ্র আরিফ
১) চলচ্চিত্রের মতো একটি শব্দ ও দৃশ্যপ্রধান মাধ্যমের ভেতর দিয়ে দর্শককে গভীর ধ্যানে নিমগ্ন করা যে সম্ভব, তর্কসাপেক্ষে এর সবচেয়ে সফল উদাহরণগুলো সৃষ্টি করে গেছেন রুশ চলচ্চিত্রকার আন্দ্রেই তারকোভস্কি। বাণিজ্য নয়; বরং শিল্প হিসেবে এই মাধ্যমকে গণ্য করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রভাববিস্তারী চলচ্চিত্রকারদেরও অন্যতম তিনি। পরের প্রজন্মের, বিশেষ করে হাঙ্গেরিয়ান চলচ্চিত্রকার বেলা তারের চলচ্চিত্রে এই প্রভাব বেশ স্পষ্ট। বিস্তারিত পড়ুন....
তুলনা: তারকোভস্কি বনাম বেলা তার
ক্লোজআপ শটে মধ্যবয়সী এক লোকের নিচু করে রাখা মাথা। তার তালুর টাকে টুপ করে পড়ল এক ফোঁটা পানি। তারপর আরেক ফোঁটা। চকিতে মাথা উঠিয়ে টাকে হাত রাখলেন তিনি। ফুল ফ্রেমে দেখা গেল, পুকুরের সামনে বসেছিলেন লোকটি; পাশে মাটিতে ছাতা গেঁথে রেখে। তারপর তাকালেন আকাশের দিকে। ছাতা তুলে নিলেন হাতে। মেলে ধরলেন মাথার ওপর। আর বৃষ্টির বেগ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকল।
২) ক্লোজআপ শটে মধ্যবয়সী এক লোকের নিচু করে রাখা মাথা। তার তালুর টাকে টুপ করে পড়ল এক ফোঁটা পানি। তারপর আরেক ফোঁটা। চকিতে মাথা উঠিয়ে টাকে হাত রাখলেন তিনি। ফুল ফ্রেমে দেখা গেল, পুকুরের সামনে বসেছিলেন লোকটি; পাশে মাটিতে ছাতা গেঁথে রেখে। তারপর তাকালেন আকাশের দিকে। ছাতা তুলে নিলেন হাতে। মেলে ধরলেন মাথার ওপর। আর বৃষ্টির বেগ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকল। বিস্তারিত পড়ুন...
৩) রশোমন। ১৯৫০ সালে মুক্তি পাওয়া জাপানি মাস্টার ফিল্মমেকার আকিরা কুরোসাওয়ার অনবদ্য সৃষ্টি। এশিয়ান চলচ্চিত্রকে পশ্চিমা তথা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সুপরিচিত করা প্রথম সৃষ্টিকর্ম হিসেবে বিখ্যাত। জাপানের ঐতিহ্যবাহী রশোমন গেটে তুমুল বৃষ্টিতে আশ্রয় নেওয়া একজন কাঠুরে ও একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুকে দিয়ে এর কাহিনি শুরু। সেখানে ভিক্ষুকে একটি নির্মম ঘটনার গল্প শোনায় কাঠুরে। জানায়, একদিন এক গহিন বনের ভেতর একজন সামুরাইয়ের স্ত্রীকে পাশবিক নির্যাতন করেছিল এক দস্যু; সে সময়ে খুন হয় ওই সামুরাই। বিস্তারিত পড়ুন...
প্রতীক: বৃষ্টি যখন প্রকৃতির প্রতিশোধ
৪) প্রেক্ষাপট ১৯৭১। মফস্বলের কলেজশিক্ষক নুরুল হুদা এক প্রবল বর্ষণের দিনে বন্দি হন পাকিস্তানি সেনাদের হাতে। স্ত্রী আসমা আর পাঁচ বছরের মেয়ে সুধা ঘরে তার ফেরার অপেক্ষায় দিন কাটায়। মহাকাব্যিক বৃষ্টির সেই দিনগুলোতেও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নুরুল হুদার কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে শত্রুপক্ষের নির্যাতন ও অত্যাচারের কারণে। ছাপোষা মানুষ হিসেবে এতদিন যুদ্ধের সঙ্গে নিজেকে সরাসরি না জড়ালেও এবার তিনি মনেপ্রাণে হয়ে ওঠেন মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুর আগে তার কণ্ঠে উচ্চারিত হয় একাত্তরের অবিসংবাদিত স্লোগান— ‘জয় বাংলা’। বিস্তারিত পড়ুন...




