ভাঙনের কবলে তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধ, পরিদর্শনে এলজিইডি

ভাঙনের কবলে তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধ, পরিদর্শনে এলজিইডি। ছবি: আগামীর সময়।
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ভাঙনের কবলে পড়া তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধ পরিদর্শন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রধান কার্যালয়ের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বুধবার দুপুরে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী, ভবন ব্যবস্থাপনা ও সেতু বাস্তবায়ন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চক্রবর্তী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা বাঁধ রক্ষায় নির্মিত এবং ইতোমধ্যে বিলীন হওয়া বাঁশের পাইলিংসহ নৌকায় করে নদীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল নদীর গতি-প্রকৃতি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে তারা দ্রুত বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী বলছিলেন, ‘গত বছর বুয়েটের একজন প্রকৌশলী তার গবেষণালব্ধ জ্ঞানের আলোকে মাত্র ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পাইলিং করে এই বাঁধ রক্ষার কাজ করেছিলেন। নদীতে প্রটেকশন কাজের জন্য এই বাজেট খুবই সামান্য। এটি চলতি বছর নদীর তীব্র স্রোত থেকে বাঁধকে কিছুটা হলেও রক্ষা করেছে। যেহেতু এবারও সেতু রক্ষাবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, তাই আমরা পরিদর্শনে এসেছি। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বুয়েটের নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে কাজ করা হবে।’
তিনি আরও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে তাৎক্ষণিকভাবে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, এলজিইডি রংপুর অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মূসা, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী এবং বিএনপি নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবু উপস্থিত ছিলেন।




