‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প- রয়টার্স
ওমানকে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে ঘিরে কূটনীতির টেবিলে যখন সমঝোতার রাস্তা খোঁজা হচ্ছে, ঠিক তখনই সেই টেবিলের অন্যতম মধ্যস্থতাকারীর বিরুদ্ধে এলো ট্রাম্পের এই হুমকি। শুধু তাই নয়, ইরানের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি দেশটির শক্তিশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি গোপন যোগাযোগের কথাও প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন তিনি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান ও হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত আলোচনায় ওমানের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বললেন, ‘ওমান যদি পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমরা ওদের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’
এর আগে শনিবার ইরান জানিয়েছিল, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নতুন রুট মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে তাদের।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বললেন, তেহরানের উচিত ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা’ ওড়ানো। তিনি বললেন, ‘ওরা ভালো পোকার খেলোয়াড়, কিন্তু হেরে যাচ্ছে।’
ট্রাম্প আরও নিশ্চিত করেন, আইআরজিসির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যাকচ্যানেল যোগাযোগ রয়েছে।
তিনি বললেন, ‘আইআরজিসির সঙ্গে আমাদের একটি ব্যাকচ্যানেল আছে। আমরা ইরানে আইআরজিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছি।’
গাজা প্রসঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘ইসরায়েলিদের গাজায় হামলা চালানো উচিত নয়। হামাস অস্ত্র সমর্পণে সম্মত হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, হামাসের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা একটি যোগাযোগের চ্যানেল রয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘হামাসের সঙ্গে আমাদের আলাদা একটি চ্যানেল রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা তাদের অস্ত্র ছেড়ে দিচ্ছে।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।
ইসরায়েলের রাজনীতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানালেন, দেশটির নির্বাচনে তার নিরপেক্ষ থাকাই ‘সবচেয়ে উপযুক্ত’ বলে তিনি মনে করেন। তবে ভবিষ্যতে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।
তার মতে, ‘আমি মনে করি ইসরায়েলের নির্বাচন থেকে দূরে থাকাই সবচেয়ে উপযুক্ত। তবে আমি কাউকে সমর্থনও করতে পারি।’








