Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ চাইছেন ট্রাম্প, নিতে পারবেন কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৭
হরমুজ চাইছেন ট্রাম্প, নিতে পারবেন কি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে ডেভিড এস ম্যাক সেন্টার ফর ট্রেনিং অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্সে বক্তব্য দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : রয়টার্স

হরমুজ প্রণালিকে ‘শিগগির’ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই জলপথ নিয়ে ওয়াশিংটন ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই শুক্রবার এমন হুমকি দিয়েছেন তিনি।


হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। ফলে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে আছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, তেলের দাম এবং বিশ্ব অর্থনীতি।

ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে ইরান বলেছে, তার এই দাবি ‘অর্থহীন’। একই সময়ে জুনে দুদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মেয়াদও রবিবার শেষ হয়েছে।

বর্তমানে ইরান হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে সেটিকে চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে নৌঅবরোধ বজায় রেখেছে। ফলে দুপক্ষই একে অপরের ওপর চাপ বাড়িয়ে যাচ্ছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের শুরু থেকেই ট্রাম্পের বক্তব্যে একটি ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। প্রথমে আক্রমণের হুমকি দেওয়া, তারপর শেষ মুহূর্তে অবস্থান কিছুটা নরম করা।

আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ট্রাম্প কি সত্যিই হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত করতে পারবেন? আর ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ বলতে এখানে আসলে কী বোঝানো হচ্ছে?

ট্রাম্প আসলে যা বলেছেন

নিউ ইয়র্কের একটি পুলিশ একাডেমিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেছেন, ‘ইরানকে পুরোপুরি পরাজিত করার পর, খুব শিগগিরই আমি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।’

যুক্তরাষ্ট্রের নৌঅবরোধের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেছিলেন, প্রণালিটি কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডই হয়ে আছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমাদের অবরোধ রয়েছে। আমরা না চাইলে কোনো জাহাজই পার হতে পারবে না।’

তবে বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির মধ্যেও কিছু জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করেছে বলে সামুদ্রিক নৌচলাচলের তথ্য থেকে জানা গেছে। ফলে জলপথটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে— এমন দাবি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

ওয়াশিংটন থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক কিম্বার্লি হ্যালকেট বলেছেন, ট্রাম্প হাসতে হাসতেই মন্তব্যটি করেছেন। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেও হয়তো বক্তব্যটিকে পুরোপুরি গুরুত্ব দিয়ে বলেননি।

তবে এর অর্থ এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌঅবরোধ নেই। হরমুজে মার্কিন নৌ উপস্থিতি এবং অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে— ট্রাম্পের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্ভবত সেটিই।

ইরানের পাল্টা জবাব

ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ইরানের কর্মকর্তারা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আক্রমণাত্মক ভাষায় সমালোচনা করে তার বক্তব্যকে ‘অর্থহীন’ বলেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, হরমুজ ইরানের অংশ এবং তাই থাকবে।

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদিও সরাসরি ট্রাম্পকে জবাব দিয়ে বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি কোনো টুইট, বিমানবাহী রণতরী, আদেশ কিংবা নির্বাচনী বক্তৃতার মাধ্যমে দখল করা যায় না।’

তার ভাষায়, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানের ছিল, ইরানের আছে এবং ইরানেরই থাকবে।’
হরমুজের ইরান উপকূলে একটি পরিবার। ফাইল ছবি / রয়টার্সগারিবাবাদি আরও বলেছেন, প্রণালি কখন বন্ধ হবে বা খুলবে, সে সিদ্ধান্ত ইরানই নেবে। যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধে পরাজয় মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তেহরান অবরোধ চালিয়ে যাবে বলেও হুমকি দেন তিনি।

অর্থাৎ, হরমুজ এখন শুধু সামরিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন নয়। এটি দুদেশের দর-কষাকষির মূল বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

এ অবস্থাকে অনেকটা কে আগে পিছু হটবে—সেই অপেক্ষার লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প নিজেও ইরানের সঙ্গে আলোচনাকে ‘দাবার খেলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে ওমান

হরমুজ প্রণালির আরেক উপকূলীয় দেশ ওমান সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা করছে। সবশেষ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তেহরান ও মাসকাটের আলোচনা শিগগিরই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে।

তবে প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি আলাদা বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। ফাইল ছবি/ রয়টার্সতিনি ইরানের নতুন অবস্থান সম্পর্কে জানিয়েছেন, জলপথ খুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে জুনের সমঝোতা স্মারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নৌঅবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

অর্থাৎ যুদ্ধ শেষ করার যে শর্তগুলো আগে আলোচনায় ছিল, এখন সেগুলোর কিছু ইরান হরমুজ খুলে দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে সামনে আনছে। এটি দুপক্ষের অবস্থানের পরিবর্তন এবং দর-কষাকষিতে ইরানের কৌশলগত চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিচ্ছে।

ট্রাম্প কি আইনগতভাবে হরমুজ দখল করতে পারেন


কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে ঘোষণা দিলেই কোনো জলপথ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হয়ে যায় না। আন্তর্জাতিক আইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সাংবিধানিক কাঠামো— দুদিক থেকেই বিষয়টি অনেক বেশি জটিল।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের সময়ের সহযোগী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রুস ফেইনের মতে, ট্রাম্প এককভাবে কোনো ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করার সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখেন না।

তার মতে, কোনো ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হলে সিনেটে অনুমোদিত চুক্তি অথবা কংগ্রেসের আইন প্রয়োজন। লুইজিয়ানা ক্রয়, হাওয়াইকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করা, পানামা খাল বা পুয়ের্তো রিকোর মতো উদাহরণেও এমন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছিল।

ফেইনের মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিই হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করে তা কার্যকর করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি আন্তর্জাতিক আইনে ‘আগ্রাসী যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অর্থাৎ তার ভাষ্য, একটি টেলিভিশন বক্তৃতা বা রাজনৈতিক ঘোষণা দিয়ে হরমুজের সার্বভৌমত্ব বদলে দেওয়া সম্ভব নয়।

আন্তর্জাতিক আইন যা বলছে

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ নাটালি ক্লেইন মনে করেন, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ট্রাম্পের দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি আপাতত নেই। তার মত, যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্তত ইরানের উপকূলীয় এলাকা বা কার্যত ইরানের ওপর সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

কিন্তু হরমুজ প্রণালির বাস্তব ভৌগোলিক অবস্থানই এই দাবিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

প্রণালিটি ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক জলপথ। সবচেয়ে সরু অংশে এর প্রস্থ প্রায় ২১ নটিক্যাল মাইল বা ৩৯ কিলোমিটার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী একটি দেশের আঞ্চলিক জলসীমা সাধারণত উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল বা প্রায় ২২ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

হরমুজের ম্যাপ। ছবি : রয়টার্সফলে হরমুজের সরু অংশে ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমা কার্যত একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়।

ইরানও পুরো হরমুজের ওপর অবাধ সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে না। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী দেশটি নিজের উপকূলসংলগ্ন ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক জলসীমার ওপর সার্বভৌম অধিকার রাখে। আন্তর্জাতিক জলপথে জাহাজ চলাচলেরও নির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে।

যদিও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কেউই জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন বা ইউএনসিএলওএস অনুমোদন করেনি। তবে আন্তর্জাতিক প্রণালির ক্ষেত্রে ওই কনভেনশনের অনেক বিধানই আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইনের অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।

অর্থাৎ হরমুজকে পুরোপুরি নিজের ভূখণ্ড ঘোষণা করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের তো নেইই, এমনকি ইরানেরও পুরো প্রণালিকে এককভাবে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করার সুযোগ অনেক কম।

ট্রাম্পের বক্তব্যের আসল উদ্দেশ্য কী

এখানে বিষয়টি শুধু আন্তর্জাতিক আইন দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন বলে মত জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ইন কাতারের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ। তিনি মনে করেন, ট্রাম্প এ ধরনের বক্তব্য মূলত মার্কিন জনগণ, বিশেষ করে তার সমর্থকদের উদ্দেশে দেন।

তার দাবি, ট্রাম্প একজন ‘শোম্যান’। তিনি বড় বড় কথা বলেন। তাই তাকে কিছু ক্ষেত্রে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, কিন্তু প্রতিটি বক্তব্যকে আক্ষরিক অর্থে নেওয়া ঠিক হবে না।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করার ঘোষণা বাস্তব নীতির চেয়ে রাজনৈতিক বার্তা বেশি হতে পারে।

ট্রাম্প হয়তো ইরানকে বোঝাতে চাইছেন, যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র পিছু হটবে না। একই সঙ্গে নিজের দেশের জনগণকেও দেখাতে চাইছেন, হরমুজ নিয়ে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

তবে রাজনৈতিক বক্তব্য হলেও এর ঝুঁকি কম নয়। কারণ হরমুজ কোনো সাধারণ জলপথ নয়। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ। এখানে সামান্য ভুল হিসাবও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়াতে পারে এবং যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।

যুদ্ধের কারনে চাপে আছেন ট্রাম্পও

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও জনপ্রিয় নয়। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজেদের অল্প ব্যবধানে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান দল।

রয়টার্স ও ইপসোসের সম্মিলিত এক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধকে সমর্থন করছেন।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অস্ত্রের চাপ। কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের গোলাবারুদের মজুদ কমে আসছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার মজুদ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে একটি ফিলিং স্টেশন থেকে গাড়িতে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। ফাইল ছবি / রয়টার্সদেশের ভেতরে জ্বালানির দামও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের গড় দাম এখন গ্যালনপ্রতি ৪ ডলারের বেশি। মার্কিন জনগণের জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স গত সপ্তাহে বলেছেন, যুদ্ধের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার এখন জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। ইরানের কথিত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দৌড় ঠেকানো এখন দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।

অর্থাৎ যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ তত বেশি সামরিক প্রশ্নের পাশাপাশি মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় হয়ে উঠছে।

শেষ পর্যন্ত হরমুজই কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

ইরানের জন্য হরমুজ হলো সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশলগত চাপের জায়গাগুলোর একটি। আবার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তেহরান মার্কিন মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর একটি উদ্দেশ্য হতে পারে ওই দেশগুলোর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের ওপর আলোচনার চাপ তৈরি করা।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে চাইছে।

ফলে হরমুজ এখন যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি দর-কষাকষির টেবিলও।
ড্রোন থেকে নেওয়া ছবিতে হরমুজে ছোট ছোট নৌযান দেখা যাচ্ছে। ফাইল ছবি : রয়টার্সএখানে ট্রাম্পের ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ করার ঘোষণা বাস্তবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। আন্তর্জাতিক আইন, ভূগোল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো— তিন দিক থেকেই এটি বড় বাধার মুখে পড়বে।

কিন্তু বক্তব্যটিকে একেবারে গুরুত্বহীন বলেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন— ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক মাসের যুদ্ধে তিনি পরাজয় মেনে নেওয়ার অবস্থায় নেই।

হরমুজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়তো বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নয়। কিন্তু হরমুজকে নিয়ন্ত্রণের হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আরও চাপে রাখাই হয়তো ট্রাম্পের আসল লক্ষ্য।

আর সেই কারণেই সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হরমুজ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হবে কি না, সেটি নয়। বরং কে আগে পিছু হটবে— ইরান, নাকি যুক্তরাষ্ট্র— সেটিই এখন এই দীর্ঘ সংঘাতের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আলজাজিরা থেকে অনূদিত

হরমুজ প্রণালিযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পইরান-আমেরিকা যুদ্ধ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!