টানা ৪ মাস কমলেও বেড়েছে মে মাসে
- যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বের বৃহৎ পোশাক আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮.৪৮ শতাংশ কমেছে। সার্বিক এই নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যেও মে মাসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশ; এ মাসে দেশটিতে রপ্তানি ৬.০৪ শতাংশ বেড়ে ৫৮২ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানির মূল্য আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময় আমদানীকৃত পোশাকের পরিমাণ (ভলিউম) কমেছে ৯.৪৮ এবং গড় ইউনিট মূল্য শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
তথ্যমতে, আলোচ্য পাঁচ মাসে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩.২৫ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগের তুলনায় ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ কম।
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক সোর্সিং বা উৎস পরিবর্তনের এ ধারায় প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে চীনের রপ্তানিতে। দেশটির পোশাক রপ্তানি মূল্য ৪২.৭৫ এবং ভলিউম ২৯.৬৭ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া ভারতের রপ্তানি মূল্য ২৬.৩৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো করেছে কম্বোডিয়া। জানুয়ারি-মে সময়ে দেশটির রপ্তানি মূল্য বেড়েছে ১৪.৯০ শতাংশ।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল জানালেন, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং মূল্যচাপ এখনো বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, দীর্ঘ লিড টাইম এবং অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করা গেলে বাংলাদেশ আরও ভালো করবে।




