ভারতে ইলিশ রপ্তানিতে আগ্রহ ১৮ প্রতিষ্ঠানের

ফাইল ছবি
আসন্ন দুর্গাপূজা সামনে রেখে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রপ্তানিকারকদের আবেদন পাওয়ার পর দেশে ইলিশের সরবরাহ এবং চাহিদা পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত জানতে গত বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতেই ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
এবার রপ্তানিকারকরা আগের বছরের মতো স্বল্প সময়ের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন। তাদের দাবি, অন্তত দুই মাস, সম্ভব হলে সারা বছর রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হোক। ব্যবসায়ীদের যুক্তি, মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন।
এ বছর রপ্তানির অনুমতি চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ; চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস; যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ; ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন; বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ; ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ এবং সাতক্ষীরার এম এ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্স।
এদিকে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলাদা চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।



