Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ধন্যবাদ

সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল

আমজাদ হোসেন শিমুল, রাজশাহী
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৮
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল

বাসার কক্ষে অন্যদের সঙ্গে নকশিকাঁথা সেলাই করছেন সুমি মুর্মু

ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে ২০১৯ সালে নিজের স্বর্ণালংকার বেচে শুরু করেছিলেন পথচলা। লক্ষ্য ছিল নিজ সম্প্রদায়ের অভাবী নারীদের কর্মসংস্থান, তাদের স্বাবলম্বী করা এবং সন্তানদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। সেই ছোট উদ্যোগে এখন রাজশাহী নগরীর কয়েরদারা খ্রিস্টানপাড়া আদিবাসী পল্লীর ১৯২ নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে। তাদের তৈরি নকশিকাঁথা বিক্রির অর্থে সুমি মুর্মু নিজ খরচে রাজশাহীর পবা উপজেলার ভূগরইল ও সন্তোষপুরে চালাচ্ছেন ‘শিশু প্রভাত বিদ্যানিকেতন’ নামে দুটি বিদ্যালয়। সেখানে বিনা খরচে পড়ছে ১২৭ শিশু।

স্বামী ও দুই ছেলে নিয়ে কয়েরদারা খ্রিস্টানপাড়ায় সুমি মুর্মুর বসবাস। গত ৭ সেপ্টেম্বর সুমির বাসায় গিয়ে দেখা যায়, একটি বড় কক্ষে কেউ কাপড় প্রস্তুত করছেন, কেউ নকশা আঁকছেন, কেউ সুতা তৈরি করছেন। কেউ আবার নকশিকাঁথায় ফুটিয়ে তুলছেন নানা নকশা। বেশিরভাগ নারী কাজ বুঝে নিয়ে নিজ বাড়িতে কাঁথা সেলাই করেন।

সুমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ থেকে বিএড সম্পন্ন করে একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেছেন। কিন্তু চাকরির পাশাপাশি নিজ সম্প্রদায়ের নারীদের জীবন তাকে ভাবাত। তাদের কাছে শুনতেন অভাব, স্বামীর নির্যাতন ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে না পারার কথা।

সুমি বলেছেন, ‘আমরাই যদি না এগিয়ে আসি, তাহলে আমাদের মানুষগুলো এভাবেই পিছিয়ে পড়ে যাবে।’ তিনি দেখলেন, এলাকার অধিকাংশ নারী কমবেশি সেলাই জানেন। সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে কয়েক নারীকে দিয়ে নকশিকাঁথা তৈরি শুরু করেন। নিজেই দোকান ও শোরুমে গিয়ে নকশা দেখিয়ে অর্ডার সংগ্রহ করেন। পাঁচ-দশ পিস করে অর্ডার বাড়তে থাকে। বাড়ে নারীর সংখ্যাও। এখন প্রায় ১৯২ নারী এ কাজে যুক্ত।

সাধারণ কাঁথা সেলাইয়ে ১৫ থেকে ১৮ দিন এবং ভারী নকশায় ২৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। ভারী নকশার কাঁথায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা মজুরি পান নারীরা।

সুমির বাসায় নকশিকাঁথা সেলাই করছিলেন এলিজাবেথ হাসদা। তিনি বললেন, ‘সেলাই করে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চলছে। সংসারে একটু ভালো খাচ্ছি।’ মাসে প্রায় ৩ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

শিউলি বাসকীও আগে কোনো কাজ করতেন না। এখন সেলাইয়ের আয় দিয়ে সংসারে সহায়তার পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনায় খরচ করতে পারছেন।

নারীদের কাজ দেওয়ার পর সুমি ভেবেছেন তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও। অনুমতি নিয়ে মিশনের জায়গায় পবার ভূগরইলে একটি ও সন্তোষপুরে একটি স্কুল চালু করেন। ভূগরইলের ‘শিশু প্রভাত বিদ্যানিকেতনে ৭২ শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক ও একজন আয়া রয়েছেন। সন্তোষপুরে রয়েছেন ৫৫ শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক ও একজন আয়া। দুটি স্কুলেই কোনো বেতন নেওয়া হয় না। বই, খাতা-কলমের ব্যবস্থা করেন বিনামূল্যে। আদিবাসী শিশুদের পাশাপাশি হিন্দু ও মুসলমান পরিবারের শিশুরাও সেখানে পড়ছে।

দুটি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য ব্যয়ের বড় অংশ আসে নকশিকাঁথা বিক্রির মুনাফা থেকে। নিয়মিত বড় কোনো তহবিল বা অনুদান ছাড়াই চলছে এই দুটি স্কুল।

নারীদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সবজির চারা, হাঁস-মুরগি ও ছাগলও দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ১০ নারীকে ১০টি ছাগল এবং ৫০ জনকে হাঁস-মুরগি পালনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

আদিবাসী নারীদের নিয়ে গড়ে তোলা ‘নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থা’র মাধ্যমেও চলছে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম। সদস্যরা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে নারী নির্যাতন, যৌন হয়রানি, শিশুর নিরাপত্তা ও নির্যাতন প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করেন।

সুমি বললেন, ‘আমি যদি নারী আর শিশুদের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে মনে হয় তারা একটু হলেও ভালো থাকতে পারবে।’

ব্যাংকসুমিভাগ্যবদলকর্মসংস্থানস্বাবলম্বীধন্যবাদ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    রাজীবের স্বপ্নে ‘গরম’ ধাক্কা

    রাজীবের স্বপ্নে ‘গরম’ ধাক্কা

    আমি মডার্ন গান খুব পছন্দ করি

    আমি মডার্ন গান খুব পছন্দ করি

    ৯৯.৯৯% খেলাপি অস্তিত্ব নেই জামানতের

    ৯৯.৯৯% খেলাপি অস্তিত্ব নেই জামানতের

    ডেঙ্গু নিয়ে কীটতত্ত্ববিদদের শঙ্কাই সত্য হতে চলেছে!

    ডেঙ্গু নিয়ে কীটতত্ত্ববিদদের শঙ্কাই সত্য হতে চলেছে!

    যুক্ত থাকা না থাকার কূটনীতি

    যুক্ত থাকা না থাকার কূটনীতি

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে, আশা ট্রাম্পের

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে, আশা ট্রাম্পের

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    সৌদিতে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

    ষড়যন্ত্রকারী কারা

    ষড়যন্ত্রকারী কারা

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    পারস্য উপসাগরে প্রতিশোধের ঝড়

    পারস্য উপসাগরে প্রতিশোধের ঝড়

    পড়ার সময় টেবিল ল্যাম্পের অবস্থান কোথায় হবে

    পড়ার সময় টেবিল ল্যাম্পের অবস্থান কোথায় হবে

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত