সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি পেল ৬৭ প্রতিষ্ঠান

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের ৬৭টি প্রতিষ্ঠানকে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে জারি করা হয় এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০০ টন চাল রপ্তানি করবে সিটি অটো রাইস এন্ড ডাল মিলস। এছাড়া এলিন ফুড প্রোডাক্টস ৪০০ টন এবং খান এগ্রো এন্ড ফ্রোজেন ফুড প্রোসেসর ৩০০ টন চাল রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে। ২০০ টন করে চাল রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে রুপসী ফুডস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, দেশবন্ধু কনজ্যুমার, দেশবন্ধু ফুড, এস. কে এগ্রো, সানড্রি এ্যাপিটিট, কসমো এলএলসি, ফাহমিদা কনজ্যুমার, কর্নেল কেয়ার, হিফস এগ্রো, নিউজিল্যান্ড ডেইরি এবং প্রধান এগ্রো ফুড প্রসেসর।
বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো ১০০ মেট্রিক টন করে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—এ আর ট্রেডার্স, পিএন্ডবি গ্লোবাল, টেক্স ওয়ার্ল্ড, অ্যাডভান্সড বাংলাদেশ, সাহেরা অটো রাইচ, সিক্স সিজনস, মাসুম ইমপেক্স, আল হোসেন ইন্টারন্যাশনাল, সিয়াম এগ্রো, জেনেক্স গ্লোবাল, সাদমান কর্পোরেশন, বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, ওয়েলকাম ইম্পেক্স, ইনশা এগ্রো, মিয়া এন্টারপ্রাইজ, সিনোগ্লোবাল, সরদার ট্রেড, সরদার এ্যালুমিনিয়াম, গ্রীণ ওয়ার্ল্ড, প্যাসিফিক কনজুমার, সুপার ফ্রেশ, আরিয়ান ফুড, নোভিডা এগ্রো, গোল্ডেন ট্রেড, আহমেদ এন্ড কোং, ক্লারেক্স, ডলফিন, তাছনিম এগ্রো, প্রমি এগ্রো, ক্রিস্টাল গ্রেইন্স, ন্যাচুরা এগ্রো, কনফিডেন্স গ্রুপ, ফার্মেরা ফ্রেশ, পনির ট্রেড, এম এম ইন্টারন্যাশনাল, রিপ্লেস, সেরা ফুডস, নিউরন, বাংলা এগ্রি ফুডস, রাফিদ এন্টারপ্রাইজ, হ্যালো শপিং, এশিয়া ট্রেড, লিয়ানা এন্টারপ্রাইজ, পরান এগ্রো, খান ফুড, বঙ্গ সি ফুড, ফ্লাইরোডস ট্রাভেলস, নাবিল অটো রাইস, নাবিল নাবা, ফারহান এগ্রো, লিভিং আর্থ এবং ট্রেডলিঙ্ক ভেঞ্চারস।
রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এই অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। রপ্তানিকারকদের ২০২৪-২৭ সালের রপ্তানি নীতির সব বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষ পণ্য পরীক্ষা করবে। এ ছাড়া প্রতি কেজি সুগন্ধি চালের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার।
এই রপ্তানি অনুমোদন সম্পূর্ণ অ-হস্তান্তরযোগ্য বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো অনুমোদিত রপ্তানিকারক নিজে রপ্তানি না করে অন্য কাউকে সাব-কন্ট্রাক্ট দিতে পারবেন না। প্রতিটি চালান শেষে রপ্তানি-সংক্রান্ত সব কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই রপ্তানির অনুমতি বাতিল করতে পারে সরকার।




