- ৪ ঘণ্টা আগে(০৪:৫৩)

১০ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচ জিতে তৃতীয় হল ইংল্যান্ড
এই ম্যাচটা খেলতে চায় না কেউ। তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের সেই ম্যাচটাই হয়ে রইল এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে উপভোগ্য আর রোমাঞ্চকর খেলা। দুই দল মিলে গোলই করেছে ১০টি। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলে জিতে শেষ হাসিটা ইংল্যান্ডের। এই জয়ে তৃতীয় হওয়ার সান্ত্বণা নিয়ে বিশ্বকাপটা শেষ করল তারা। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে এটাই ইংল্যান্ডের সেরা সাফল্য।
ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন বুকায়ো সাকা। তিনি গোল করেন ৩৭ মিনিট, বিরতির আগের ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিট আর ৮৭ মিনিটে। একটি করে গোল-তৃতীয় মিনিটে ডেক্লান রাইস, ১৮ মিনিটে কনসা ও ইনজুরি টাইমের অষ্টম মিনিটে জুড বেলিংহামের।
ফ্রান্সের হয়ে ৪৮ ও ৬৬ মিনিটে দুই গোল কিলিয়ান এমবাপ্পের। এছাড়া ৫৪ মিনিটে বারকোলা ও ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে অপর গোলটি উসমান দেম্বেলের। - ৫ ঘণ্টা আগে(০৪:৩২)

সাকার হ্যাটট্রিকে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড
৮৭ মিনিট
৪ গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ফ্রান্স। ৩ গোল ফিরিয়ে ম্যাচেও ফিরেছিল তারা। কিন্তু ৮৭ মিনিটে বুকায়ো সাকার পেনাল্টিতে আবারও ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এই পেনাল্টিতে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হল সাকার। - ৫ ঘণ্টা আগে(০৪:২১)

জোড়া গোলে মেসিকে পেছনে ফেলে এমবাপ্পের ইতিহাস
৬৬ মিনিট
লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ড এখন কিলিয়ান এমবাপ্পের। ৬৬তম মিনিটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। অ্যাসিস্ট করেছিলেন ওলিসে। এটা এই বিশ্বকাপে এমবাপ্পের ১০ম গোল। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল এখন ২২টি। ২১ গোল নিয়ে দুইয়ে পিছিয়ে পড়লেন লিওনেল মেসি। ফ্রান্স পিছিয়ে আছে ৩-৪ গোলে। - ৫ ঘণ্টা আগে(০৩:৫৩)

গোলের পর এমবাপ্পের অ্যাসিস্ট
বিরতির পর এ যেন অন্য এক ফ্রান্স। ৫৪ মিনিটের মধ্যে ২ গোল ফিরিয়েছে তারা। ৪৮তম মিনিটে ওলিসের পাসে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাতে এই বিশ্বকাপে তার গোল ৯টি। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তাই ছাড়িয়ে গেলেন মেসিকে। পাশাপাশি ২১ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপ্পে।
৫৪তম মিনিটে অ্যাসিস্টও করেন এমবাপ্পে। তার পাসে ফ্রান্সের দ্বিতীয় গোল করেন বারকোলা। - ৫ ঘণ্টা আগে(০৩:৪৩)

বিরতির আগেই বিধ্বস্ত ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এগিয়ে ৪ গোলে
কোথায় ছিল এই ইংল্যান্ড? সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা যখন আক্রমণের পসরা সাজিয়েছিল তখন গুটিয়ে ছিল তারা। সেই ইংল্যান্ডই তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুর্বার। বিরতির আগেই তারা এগিয়ে গেছে ৪-০ গোলে।
ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে এজের পাসে বুকায়ো সাকার গোলে ৪-০’তে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে এটা সাকার দ্বিতীয় গোল।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফ্যান্স কখনই বিরতির অঅগে ৪ গোল হজম করেনি। কোচ দিদিয়ের দেশমের বিদায়ি ম্যাচের প্রথম অর্ধটা ভুলে যাওয়ার মতই হল তাদের। - ৬ ঘণ্টা আগে(০৩:২৬)

৩ গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড
৩৭ মিনিট
ফ্রান্সের জালে গোল উৎসবে মেতেছে ইংল্যান্ড। বেঞ্চের খেলোয়াড়দের নিয়েই ৩৭ মিনিটে তারা এগিয়ে গেছে ৩-০ গোলে। কাউন্টার অ্যাটাকে বুয়াকো সাকার কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন মার্কাস রাশফোর্ড। গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। ফিরতি বলে সাকাও মিস করেন। তবে বল পেয়ে যান রাশফোর্ডে। তার বাড়ানো বলে দারুণ ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে ৩-০ গোলে এগিয়ে দেন সাকা।
এর দুই মিনিট আগে বক্সে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তাই লিওনেল মেসির চেয়ে পিছিয়েই রয়েছেন তিনি।
১৯ জুলাই ২০২৬, সকাল ৫:১৫
১৮ মিনিটেই দুই গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড
তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচটা খেলতে চায় না কোন দল। ফ্রান্সের বিপক্ষে আনুষ্ঠানিকতার সেই ম্যাচে একাদশে নেই ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন আর জুড বেলিংহামের মত তারকা।
তাদের ছাড়াই প্রথম ১৮ মিনিটে দুই গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে বেশ অনেকটা দৌড়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দারুণ শটে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ডেক্লান রাইস।
১৮তম মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে অসাধারণ হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনসা। এই গোলের অ্যাসিস্ট ডেক্লাইন রাইসের।




