বিজেপিতে যেতে পারেন দুই সাংসদ
রাজ্যসভায় শক্তি বাড়াতে তৃণমূলে আরও ভাঙন?

বড় ভাঙনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। ছবি: সংগৃহীত
আরও বড় ভাঙনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। শিগগিরই দলটির আরও দুই রাজ্যসভার সাংসদ গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন চলছে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের দাবি, অরাজনৈতিক পরিচিতির এই দুই সাংসদ খুব শীঘ্রই তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সুখেন্দু শেখরের পথেই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। টলিউড হার্টথ্রব কোয়েল মল্লিকের মতোই তাদেরও বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা শেষ হয়েছে বলেই পাওয়া গেছে খবর।
বিজেপির কাছে এখন সংসদের উভয় কক্ষে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানো অন্যতম অগ্রাধিকার বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। শীতকালীন অধিবেশনে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল এবং ডিলিমিটেশন বিল পেশ হলেও সরকার দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের অভাবে তা পাস করাতে পারেনি। সে-সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন, সরকার এই বিলগুলি পাস করাতে বদ্ধপরিকর এবং উপযুক্ত সময়ে তা ফের আনা হবে।
সূত্রের দাবি, সুখেন্দু শেখর, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বড়াইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বর্তমানে রাজ্যসভায় বিজেপির সাংসদ সংখ্যা ১১৬। এনডিএ’র শরিকদের নিয়ে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫১। কিন্তু রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পেতে বিজেপির প্রয়োজন ১৬৩ ভোট। এ কারণেই তৃণমূলের আরও ৫-৬ জন সাংসদের গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন বাড়ছে।
তবে সম্ভাব্য দলবদল একসঙ্গে নয়, ধাপে ধাপে হতে পারে বলেই সূত্রের দাবি। কারণ, রাজ্যসভার নির্বাচনী অঙ্ক মাথায় রেখেই এই কৌশল নেওয়া হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যদি একসঙ্গে ৫ জন সাংসদ ইস্তফা দেন, তা হলে হিসাব অনুযায়ী ৪টি আসন পেতে পারে বিজেপি এবং ১টি আসন যেতে পারে ঋতব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের ঝুলিতে। সেই সম্ভাবনা এড়াতেই এক একজন করে পদত্যাগ এবং পুনর্নির্বাচনের কৌশল নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের দাবি।




