মুন্সিগঞ্জে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে পালানো অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা আটক

রাজধানীর মিরপুর-১-এর পাইকপাড়া থেকে তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। ছবি: আগামীর সময়
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়া ব্যাংক কর্মকর্তা মো. শরিফুজ্জামান সোহাগকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও শ্রীনগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে রাজধানীর মিরপুর-১-এর পাইকপাড়া থেকে তাকে আটক করা হয়।
আজ বুধবার সকালে তাকে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কামরান জানিয়েছেন, শরিফুজ্জামান মিরপুর-১ এলাকায় তার বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। রাতেই তাকে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
এ ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।
শরিফুজ্জামান শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকের জমা স্লিপ ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকটি ঘেরাও করেন গ্রাহকরা। ওই দিনই শরিফুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শাখা ব্যবস্থাপক মো. সরফুদ্দিন। পরে অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠায় পুলিশ।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত রবিবার থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে ২৫৫ গ্রাহক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে রবিবার ১৮৪ জন, সোমবার ৪৬ জন এবং মঙ্গলবার ২৫ জন অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৮৪ লাখ টাকা পাওনা দাবি করা হয়েছে। আত্মসাৎ হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।




