দশমিনায় মৎস্য কর্মকর্তা-সহকারী পদ শূন্য, মা ইলিশ রক্ষার অভিযান নিয়ে শঙ্কা

দশমিনায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে ৮ অক্টোবর। চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। ছবি: আগামীর সময়
পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে ৮ অক্টোবর। চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও সহকারী মৎস্য কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযান পরিচালনা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময়ও তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার ও ক্রয়-বিক্রয় চলে। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত নদীর পাড়ে কম দামে ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। এতে নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের ২ এপ্রিল পটুয়াখালী সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তপন মজুমদারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দশমিনায় পাঠানো হয়। তিনি একই সঙ্গে সদর ও দশমিনা উপজেলার দায়িত্ব পালন করায় দুই উপজেলায় একসঙ্গে অভিযান ও তদারকি নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে।
দশমিনা উপজেলা মৎস্য অফিসে বর্তমানে ক্ষেত্র সহকারী মো. আমিরুল ইসলাম, অফিস সহকারী রত্না রানী মণ্ডল ও অফিস সহায়ক মো. আবুল কালাম আজাদ কর্মরত আছেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় অভিযান পরিচালনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৎস্য অফিস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিস্তৃতি প্রায় ৪০ কিলোমিটার। বিশাল এ নদীপথে মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন স্থায়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিয়োগ জরুরি।
দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তপন মজুমদার জানান, পটুয়াখালী সদর উপজেলার মূল দায়িত্বে থাকায় সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। একই সময়ে সদর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করতে হলে দশমিনায় দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়বে। তাই দশমিনায় মূল দায়িত্বে একজন মৎস্য কর্মকর্তা থাকা জরুরি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী জানিয়েছেন, দশমিনায় মূল দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা দেওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত একজন কর্মকর্তা পাওয়া যাবে।




