ঘুমন্ত দুই সন্তানকে হত্যা করে হাওরে ফেললেন বাবা

উদ্ধার শিশুর মরদেহ— সংগৃহীত
পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় ৭ ও ৪ বছরের দুই সন্তানকে হত্যা করে হাওরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বাবা কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। নিহত শিশুরা হলো মুহাদ্দিস ও তুলনা।
মঙ্গলবার ও বুধবার পৃথকভাবে দেখার হাওর থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার হলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে আজ বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত বাবা কামরুল ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তিনি দিরাইয়ের চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ধর্ষণচেষ্টার মামলা তুলে নিতে বোমা মেরে ঘরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ‘ছাত্রদল’ নেতার
১২ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ জানায়, স্ত্রী ও মায়ের পারিবারিক বিরোধে বিরক্ত হয়ে গত শুক্রবার বিকালে চার সন্তানের মধ্যে বড় দুই সন্তানকে নিয়ে কামরুল সিলেটে চলে যান। সেখানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় দুই দিন থাকার পর রবিবার রাতে সুনামগঞ্জে ফেরার পথে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডাবর পয়েন্টে প্রথমে ছোট মেয়ে তুলনাকে এবং পরে সদর উপজেলার মদনপুর পয়েন্টে বড় ছেলে মুহাদ্দিসকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করে হাওরে ফেলে দেন।
গত মঙ্গলবার তুলনা আর আজ মুহাদ্দিসের মরদেহ হাওরে ভেসে উঠলে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বললেন, ‘কামরুল ইসলাম তার দুই সন্তানকে হত্যা করে হাওরে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’





