বগুড়ার শেরপুর
জীবিত ফেরার অপেক্ষায় ছিল পরিবার, ফিরলেন নিথর দেহে

নিহত রফিকুল ইসলাম
জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন বগুড়ার শেরপুরের ফারাজিপাড়ার মৃত ইউসুফ আলী ছেলে রফিকুল ইসলাম। স্বজনদের আশা ছিল বিদেশে কাজ করে একদিন স্বচ্ছলতা নিয়ে দেশে ফিরবেন তিনি। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। স্বজনদের কাছে শেষ পর্যন্ত ফিরতে হচ্ছে নিথর মরদেহে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ায় ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন রফিকুল ইসলাম। পরে তাকে দেশটির সুঙ্গাই বুলোহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
স্বজনেরা জানান, রফিকুলকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ জন্য ধারদেনা করে অর্থ সংগ্রহ করে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। তার দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিটও করা হয়েছিল। ১৮ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা ছিল তার। সুস্থ হয়ে প্রিয়জনের কাছে ফিরবেন—এই আশায় অপেক্ষা করছিলেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে সেই অপেক্ষার অবসান হয় বেদনাদায়কভাবে। ২১ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রফিকুল ইসলাম।
এদিকে রফিকুলকে বিদেশে পাঠানো, অর্থ লেনদেন, বিদেশে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি, ভিসা ও পাসপোর্ট-সংক্রান্ত বিষয়ে মুসা কারিমুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি দক্ষতা অর্জন করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অভিযুক্ত নাসিমা জানান, আমরা কোনও টাকা নেইনি।
পরিবারের দাবি, অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হোক। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে পরিবার।





