কক্সবাজারে আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শনে জাইকা প্রেসিডেন্ট

ছবি: আগামীর সময়
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ডা. তানাকা আকিহিকো কক্সবাজারে নির্মাণাধীন আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টার) ঘুরে দেখলেন।
জাইকার অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পের অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আজ শনিবার বিকালে জাইকা প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাস্তবায়নাধীন ইমপ্রুভমেন্ট অব ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টার অব বাংলাদেশ ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ইন কক্সবাজার প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন।
প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন বিএফডিসির চেয়ারম্যান মো. আবুল হাছনাত হুমায়ুন কবীর এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরে বিএফডিসির চেয়ারম্যান মো. আবুল হাছনাত হুমায়ুন কবীর বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। বর্তমানে কক্সবাজারে মাছ আহরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণে প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মাছ অবতরণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরিবহ সম্ভব হবে।
তার ভাষ্য, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে মাছের অপচয় কমবে, গুণগত মান বজায় থাকবে এবং জেলেরা তাদের মাছের ন্যায্যমূল্য পাবেন। ফলে মৎস্যজীবীরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের মৎস্যখাতের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়বে।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, জাইকার অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটির কাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মন্তব্য করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারের মৎস্যখাতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে মাছ অবতরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।




