Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

আমাজন

জঙ্গলের নিচে লুকিয়ে ৩ হাজার বছরের নগরসভ্যতা

বিবিসি
agamir somoy
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ১৬:১০
জঙ্গলের নিচে লুকিয়ে ৩ হাজার বছরের নগরসভ্যতা

সংগৃহীত ছবি

ঘন সবুজ জঙ্গল, কাঁধসমান ঘাস আর চারদিকে ছড়িয়ে থাকা অদ্ভুত সব মাটির টিলা। প্রথম দেখায় এগুলোকে প্রকৃতিরই কোনো খেয়াল বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ইকুয়েডরের আমাজন অঞ্চলের উপানো উপত্যকায় দাঁড়িয়ে প্রত্নতাত্ত্বিকরা এখন জানেন, এসব টিলা প্রকৃতির সৃষ্টি নয়। হাজার হাজার বছর আগে মানুষের হাতেই গড়ে উঠেছিল এগুলো। আর সেই টিলাগুলোর নিচেই লুকিয়ে ছিল এমন এক প্রাচীন নগর সভ্যতার গল্প। যা বদলে দিচ্ছে অ্যামাজন সম্পর্কে দীর্ঘদিনের ধারণা।

দীর্ঘদিন ধরে মনে করা হতো, ইউরোপীয়দের আগমনের আগে অ্যামাজনের বাসিন্দারা ছিল ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন শিকারি ও সংগ্রাহক গোষ্ঠী। বিশাল জঙ্গল, গরম আবহাওয়া এবং কঠিন পরিবেশে বড় কোনো সভ্যতা গড়ে ওঠা সম্ভব ছিল না বলেই ধারণা করতেন অনেক গবেষক। কিন্তু নতুন প্রযুক্তির সহায়তায় পাওয়া তথ্য বলছে, বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আরও পড়ুন

যেখানে সমুদ্রের নিচে অপেক্ষা করছে আরেক পৃথিবী

২১ মে ২০২৬

আমাজনের পূর্ব ইকুয়েডরে অবস্থিত উপানো উপত্যকায় প্রায় তিন হাজার বছর আগে গড়ে উঠেছিল এক বিস্তৃত নগর নেটওয়ার্ক। এটি কোনো একক শহর নয়। বরং অসংখ্য বসতি, রাস্তা, চত্বর ও উঁচু প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ে তৈরি এক জটিল মানবিক অবকাঠামো।

এই রহস্য উন্মোচনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে লিডার প্রযুক্তি। আকাশ থেকে লেজার রশ্মি ছুড়ে জঙ্গলের ঘন পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভূখণ্ডের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি করা হয় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে। ২০১৫ সালে ইকুয়েডরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কালচারাল হেরিটেজ উপানো উপত্যকার প্রায় ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা স্ক্যান করে। পরে সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা হতবাক হয়ে যান।

তারা দেখতে পান, পুরো এলাকায় প্রায় ৭ হাজার ৫০০ মানুষের তৈরি স্থাপনার অস্তিত্ব রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি মাটির প্ল্যাটফর্ম, প্রায় দেড় হাজার টিলা, শত শত গোলাকার ঢিবি, উন্মুক্ত চত্বর, সড়ক, খাল ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা রয়েছে। এত বিশাল অবকাঠামো আগে কখনো আমাজনের কোনো অঞ্চলে শনাক্ত হয়নি।

আরও পড়ুন

বিকিরণের মধ্যেও কীভাবে টিকে আছে বন্যপ্রাণী?

২৭ এপ্রিল ২০২৬

গবেষকদের মতে, এসব স্থাপনা কোনো বিচ্ছিন্ন বসতি নয়। বরং এগুলো ছিল পরস্পর-সংযুক্ত একটি সুপরিকল্পিত নগর নেটওয়ার্কের অংশ। বিভিন্ন বসতিকে যুক্ত করেছিল প্রশস্ত রাস্তা। কোথাও কোথাও রাস্তার দৈর্ঘ্য ছিল ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো, অসম ভূখণ্ডের মধ্যেও এসব রাস্তা ছিল আশ্চর্যজনকভাবে সোজা।

প্রতিটি বসতির কেন্দ্র ছিল এক বা একাধিক মাটির প্ল্যাটফর্ম। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল দুই থেকে তিন মিটার উঁচু। প্রত্নতাত্ত্বিকরা ধারণা করছেন, মানুষ এসব প্ল্যাটফর্মের ওপর ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করত। কারণ সেখানে পাওয়া গেছে রান্নার পাত্র, বীজ, পেষণ পাথর এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা নিদর্শন। তবে কিছু প্ল্যাটফর্ম ছিল অনেক বড়। কোনো কোনোটির উচ্চতা আট মিটার পর্যন্ত এবং দৈর্ঘ্য ১৪০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব স্থানে মানুষের দৈনন্দিন বসবাসের খুব বেশি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই গবেষকদের ধারণা, এগুলো ধর্মীয়, সামাজিক বা আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত।

আরও পড়ুন

যেখানে শত তিমির নিঃশ্বাসে জেগে ওঠে সমুদ্র

২২ এপ্রিল ২০২৬

এত বড় বড় স্থাপনা নির্মাণের জন্য বিপুলসংখ্যক মানুষের শ্রম প্রয়োজন ছিল। ফলে গবেষকরা মনে করছেন, উপানো উপত্যকায় একসময় উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা বসবাস করত। যদিও সঠিক সংখ্যা নিয়ে এখনো ঐকমত্য নেই। কেউ কেউ কয়েক হাজার, আবার কেউ কয়েক দশ হাজার মানুষের উপস্থিতির কথা বলছেন। তবে সবাই একমত যে এটি ছিল অত্যন্ত সংগঠিত ও উন্নত সমাজ।

শুধু স্থাপনা নয়, কৃষিক্ষেত্রেরও প্রমাণ মিলেছে এখানে। গবেষকরা ভুট্টা, শিম, মিষ্টি আলু এবং মানিহট চাষের তথ্য পেয়েছেন। এছাড়া ভুট্টা থেকে তৈরি ঐতিহ্যবাহী পানীয় ’চিচা’র ব্যবহারেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর অর্থ হলো, এখানকার মানুষ শুধু টিকে থাকার জন্য কৃষিকাজ করত না। তাদের সমাজে উৎসব, আচার ও সামাজিক যোগাযোগেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

তবে এই আবিষ্কার নিয়ে একটি বিতর্কও তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উপানো উপত্যকাকে প্রায়ই ‘আমাজনের হারানো শহর’ বলা হচ্ছে। কিন্তু অনেক গবেষক এই শব্দ ব্যবহারে আপত্তি জানিয়েছেন।

তাদের যুক্তি, এটি আসলে কোনো হারানো শহর নয়। স্থানীয় মানুষ এবং প্রত্নতাত্ত্বিকরা কয়েক দশক ধরেই এসব মাটির টিলার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেন। নতুন প্রযুক্তি শুধু তাদের প্রকৃত বিস্তার এবং জটিলতা প্রকাশ করেছে। তাই “হারানো শহর” শব্দটি বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, উপানোকে ইউরোপীয় ধাঁচের শহরের সঙ্গে তুলনা করাও সঠিক নয়। গবেষকদের মতে, এটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের নগরায়ণ। এখানে কোনো একক কেন্দ্র ছিল না। বরং অনেকগুলো ছোট কেন্দ্র মিলেই গড়ে উঠেছিল বৃহৎ সামাজিক কাঠামো। একে কেউ কেউ ‘শহরবিহীন নগরায়ণ’ বলছেন।

এই আবিষ্কার মানবসভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রশ্নও তুলেছে। এতদিন যেসব তত্ত্ব বলত, ঘন জঙ্গল ও উষ্ণ জলবায়ু বড় সভ্যতার বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। উপানোর আবিষ্কার সেসব ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বরং দেখা যাচ্ছে, আমাজনের মানুষ পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করেনি। তারা পরিবেশকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী রূপান্তর করে নিয়েছিল। তবু রহস্যের শেষ হয়নি।

আরও পড়ুন

কাঁটাভরা ছোট্ট শরীর, পিঠে বাঁচার প্রযুক্তি

১১ মে ২০২৬

গবেষকরা বলছেন, এখনো উপানো উপত্যকার বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করা বাকি। লিডার স্ক্যানের অনেক অংশ এখনো পুরোপুরি শ্রেণিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে ভবিষ্যতে আরও নতুন বসতি, রাস্তা কিংবা স্থাপনার সন্ধান মিলতে পারে।

তিন হাজার বছর আগে জঙ্গলের বুক চিরে গড়ে ওঠা এই বিস্ময়কর নগর নেটওয়ার্ক আজ আবার নতুন করে পৃথিবীর সামনে হাজির হয়েছে। এটি শুধু একটি প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার নয়; বরং মানবসভ্যতার ইতিহাসের এমন এক অধ্যায়, যা এতদিন ঘন সবুজ অরণ্যের নিচে নীরবে লুকিয়ে ছিল। আর সেই লুকিয়ে থাকা গল্প এখন আমাদের শেখাচ্ছে, সভ্যতার ইতিহাস হয়তো আমরা যতটা জানি, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বেশি বিস্ময়কর।

জঙ্গলনগর রহস্যআমাজন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৯

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৩

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪

    সামিটের টার্মিনাল বন্ধ, আরও বাড়ল এলএনজি সংকট

    সামিটের টার্মিনাল বন্ধ, আরও বাড়ল এলএনজি সংকট

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩৯

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২২

    সবকিছুর আগে জাতি নির্মাণ করা জরুরি

    সবকিছুর আগে জাতি নির্মাণ করা জরুরি

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৫

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৯

    প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর চূড়ান্ত হয়নি : শামা ওবায়েদ

    প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর চূড়ান্ত হয়নি : শামা ওবায়েদ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৮

    ডিয়ার ফিদেল : মাই লাইফ, মাই লাভ, মাই বিট্রেয়াল

    ডিয়ার ফিদেল : মাই লাইফ, মাই লাভ, মাই বিট্রেয়াল

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৪

    রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী

    রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪

    দিন গোনা ছাড়া কিছু করার নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

    দিন গোনা ছাড়া কিছু করার নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩৮

    ৩ পদ শূন্য করে ১ পদ পূর্ণ করতে চলেছেন মির্জা ফখরুল

    ৩ পদ শূন্য করে ১ পদ পূর্ণ করতে চলেছেন মির্জা ফখরুল

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৩

    ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

    ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৯

    advertiseadvertise