ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘অনেক অগ্রগতি’ হয়েছে: ট্রাম্প

ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, তেহরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী। সম্প্রতি মার্কিন বাহিনী ইরানের একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে বলেও জানান ট্রাম্প।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন তাদের (ইরান) সাথে আলোচনা করছি। তারা একটি চুক্তি করতে চায়।’
‘আমরা অনেক অগ্রগতি করেছি’, যোগ করেন ট্রাম্প। তবে কী ধরণের অগ্রগতি হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ বলতে এদিনও নারাজ ছিলেন ট্রাম্প। তিনি একে বললেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘সামরিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবরোধ’ আরোপ করেছে।
ট্রাম্প বললেন, ‘আমরা যুদ্ধ করছি না’। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে ট্রাম্প দাবি করেন, সাত মাসে কোনো মার্কিন সেনা নিহত হননি। তবে তিনি স্বীকার করলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক সরঞ্জামের ওপর হামলা চালিয়েছে।
কবে এবং কোথায় এই হামলা চালানো হয়েছে সেটি না জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ওরা (ইরান) একটা ছোটখাটো বিমান-বিধ্বংসী যন্ত্র তৈরি করেছিল। আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে সেটি ধ্বংস করে দিয়েছি।
এদিকে ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে এই হামলা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে খবর দিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো। যদিও ট্রাম্প এই হামলার কথা বলেছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মার্কিন ঘাটিগুলোকে পুনর্নির্মাণ করতে না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তাদের দাবি, যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।
দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে থাকা ২২৮টিরও বেশি স্থান বা স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
তার দাবি এই অঞ্চলের কোনো মার্কিন ঘাঁটির সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা এই অঞ্চলে আর শত্রুঘাঁটি পুননির্মাণ করতে দেব না।’
সূত্র: আলজাজিরা।



