কিউবায় হামলা হলে বিশ্ব রক্তবন্যায় ভাসবে, ট্রাম্পকে কানেলের হুঁশিয়ারি

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিউবার ওপর হামলা অকল্পনীয় পরিণতিসহ বিশ্বে এক রক্তবন্যার সূত্রপাত ঘটাবে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল।
তিনি জোর দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন হামলা করার জন্য একটি অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন সম্প্রতি কমিউনিস্ট দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে দুটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করার পর হাভানার দিক থেকে এমন সতর্ক বার্তা এসেছে।
ওই ঘটনায় চারজন কিউবান আমেরিকান নিহত হয়েছিলেন।
কিউবা দাবি করছে, পেন্টাগনের মদদপুষ্ট মিয়ামি-ভিত্তিক ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ’ নামের কিউবান শরণার্থী গোষ্ঠীর বিমানটি হাভানার সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিল।
কিন্তু এখন ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিপ্লবী ফিদেল কাস্ত্রোর ৯৪ বছর বয়সী ভাই রাউলকে আটক করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
কিছুদিন আগেই নিউ ইয়র্কে করা এক মামলার অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে নিজ বাসভবন থেকে তুলে আনে।
সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকান ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আশা রাউল স্বেচ্ছায় বা অন্য কোনো উপায়ে এখানে হাজির হবেন এবং কারাগারে যাবেন। তিনি আত্মসমর্পণ না করলে ওয়াশিংটন তাকে আটক করতে পারে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে নিহত চার আমেরিকান নাগরিকের পরিবারগুলো ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নাগরিকদের ভুলে যান না এবং যাবেনও না।
এ ঘটনার জেরে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিউবার কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাত করার পরিকল্পনা করছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বিশ্ব একটি সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র : সিএনএন এবং নিউজ.কম.অস্ট্রেলিয়া




