Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

হরমুজে শান্তি ফিরলেও রয়ে গেছে যুদ্ধের ছাপ

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩
হরমুজে শান্তি ফিরলেও রয়ে গেছে যুদ্ধের ছাপ

যুদ্ধবিরতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি ঘুরে দেখল বিবিসি

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমের এক দুপুর। বন্দর আব্বাসের জেটিতে মাছ ধরার নৌকা থেকে ধরা মাছ নামাতে ব্যস্ত জেলেরা। একজন জালে ধরা কয়েকটি ছোট হাঙর দেখিয়ে বললেন, হাঙরের মাংসের স্যান্ডউইচ এ অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার। আরেকজন মোটরসাইকেলের দুই পাশে বড় দুটি মাছ ঝুলিয়ে রওনা দেন বাড়ির পথে।

দেখলে মনে হবে এটি একেবারে স্বাভাবিক মাছ ধরার বন্দর। কিন্তু বিন্দরটি অবস্থিত যুদ্ধ ও উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু থাকা হরমুজ প্রণালির তীরে। এটি ইরানের বন্দর আব্বাস শহরে অবস্থিত।

কয়েক মাস আগেও এখানে চলেছে গোলাগুলি, বন্ধ ছিল সমুদ্রপথ। এখন চলছে যুদ্ধবিরতি। তাই ফিরেছে জেলেরা। কিন্তু এই ফেরাটা কি পুরোপুরি স্বস্তির? না। দূরসমুদ্রে এখনও ভাসছে বাজেয়াপ্ত জাহাজ। শহরের গায়ে এখনও দাগ পড়ে আছে ইসরায়েলি হামলার।

শান্তি ফিরলেও ভয় কাটেনি। মানুষের কথায় আশঙ্কা, চোখে স্বস্তি আর কষ্টের মিশেল। এই গল্পই তুলে ধরেছে বিবিসি।

যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা হরমুজ প্রণালির ইরানি অংশ পরিদর্শনের সুযোগ পেলেন।

বন্দর আব্বাসের আশপাশের সমুদ্রে আবার মাছ ধরতে নামছেন জেলেরাগত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাবে ইরান হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাঘাঁটি থাকা কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে। একই সঙ্গে নিজেদের ভৌগোলিক অবস্থানকে পরিণত করে কৌশলগত অস্ত্রে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালানো শুরু করে। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই নৌপথ।

সমুদ্রে আটকা পড়েন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাবিকেরা। আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে যায় তেলের দামও। বৃদ্ধি পায় জ্বালানি, পরিবহন এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত অসংখ্য পণ্যের মূল্যও।

এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ আরোপ করে ইরানের উপসাগরীয় বন্দর ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর ওপর।

ফলে কয়েক মাস ধরে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে এই সমুদ্র এলাকায় মাছ ধরা। সমুদ্রে যাওয়া বন্ধ করে দেন অনেক জেলে। আবার কেউ কেউ জীবিকার তাগিদে মাছ ধরতে যান যুদ্ধক্ষেত্রের ঝুঁকি নিয়েই।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির পর সীমিত পরিসরে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিয়েছে ইরান। এতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে ধীরে ধীরে। শান্ত হয়েছে সমুদ্র। আবার নৌকা নিয়ে সাগরে ফিরছেন জেলেরাও।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে পণ্যবাহী জাহাজতাদেরই একজন আবদুল রহমান বিবিসিকে ঘুরিয়ে দেখান হরমুজ প্রণালি। তিনি তুলে ধরেন, যুদ্ধ কীভাবে বন্দর আব্বাস এবং বদলে দিয়েছে আশপাশের মানুষের জীবন।

প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ে এপ্রিল মাসে আইআরজিসি জব্দ করা দুটি কনটেইনার জাহাজ। সংঘাতের সবচেয়ে উত্তপ্ত সময়ে ইরান দাবি করেছিল, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া চলাচল এবং নৌ-নির্দেশনা ব্যবস্থা পরিবর্তনের মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছিল জাহাজ দুটি।

পানামার পতাকাবাহী এমএসসি ফ্রান্সেস্কা এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এপামিনোন্দাস মুক্তি পায়নি যুদ্ধবিরতির পরও।

এ ছাড়া উপকূলের কাছে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আরও বহু পণ্যবাহী জাহাজকে। ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলেই প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে তারা।

বন্দর আব্বাস উপকূল থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে হরমুজ দ্বীপে যাওয়ার পথে একটি প্রাচীন দুর্গ দেখান রহমান। সমুদ্রের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা লালচে দেয়ালের এই দুর্গ স্মরণ করিয়ে দেয়, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই হয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।

ষোড়শ শতকের শুরুতে এই দুর্গ নির্মাণ করে পর্তুগিজরা। দীর্ঘদিন এটি ছিল তাদের সামুদ্রিক আধিপত্যের প্রতীক। পরে ১৬২২ সালে পারস্যের শাহ আব্বাস প্রথম বিতাড়িত করেন পর্তুগিজদের। তার নামেই বর্তমান বন্দর আব্বাস শহরের নামকরণ।

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভবনটিতে কাজ করতেন ৪০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ফাতিমা। তার ভাষ্য, ভবনটিতে অনেক পরিবার বাস করতআজও বন্দর আব্বাস ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত শহরগুলোর একটি। ইরানের নৌবাহিনী এবং আইআরজিসির নৌ শাখার প্রধান ঘাঁটি এখানেই।

শান্তিকালে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির পাশাপাশি ইরানের সামরিক কৌশলেও এই প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে সংঘাত আরও বাড়বে এবং হুমকির মুখে পড়বে ইরানের অস্তিত্বই।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও এখনো প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেয়নি ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনায় এটি এখনো তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ দরকষাকষির হাতিয়ার।

বন্দর আব্বাস শহরে এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবন ফিরছে। পরিবারগুলো ঘরে ফিরেছে, দোকানপাট খুলেছে, আবার যানবাহনের ভিড় বেড়েছে রাস্তায়। শতাব্দীপ্রাচীন বাজারটিও আবার ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর।

তবে যুদ্ধের ক্ষত এখনো স্পষ্ট।

শহরের খুশনুদি সড়কে অর্ধেক ধসে পড়েছে একটি আবাসিক ভবনের। গত ২৬ মার্চ ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিধ্বস্ত হয় ভবনটি।

ভবনের একাংশ এখনো দাঁড়িয়ে থাকলেও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে অন্য অংশ। ভাঙা দেয়ালের ফাঁক দিয়ে দেখা যায় বাসিন্দাদের কক্ষ। ভবনের সামনে এখনো উড়ছে ইরানের জাতীয় পতাকা।

বন্দর আব্বাসের মেয়র মেহদি নোবানি দাবি করেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নিয়োগ ইরানকে বিভক্ত না করে বরং আরও ঐক্যবদ্ধ করেছেওই ভবনে একটি কার্যালয়ে কাজ করতেন ৪০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ফাতেমা। হামলার সময় সেখানে ছিলেন না তিনি।

তিনি বললেন, ‘এখানে বসবাসকারী অনেক পরিবারকে আমি চিনতাম। সেখানে ছিল মা ও শিশুরাও। হামলার সময় ঘুমিয়ে ছিল তারা। কেউ কেউ বেঁচে গেলেও নিহত হন তিনজন। তাদের একজন ছিলেন একজন সামরিক কর্মকর্তা। তবে এটি কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না।’

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, তাদের লক্ষ্য ছিলেন আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরি। হামলার চার দিন পর তার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরান।

ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় তিনজন নিহত এবং আহত হন সাতজন।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২৬১ জন নিহত হয়েছেন হরমুজগান প্রদেশে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য উভয়ই।

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্টের (অ্যাকলেড) তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া পর্যন্ত বন্দর আব্বাস ও আশপাশে অন্তত ৯৬টি মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সংস্থাটির মতে, এসব হামলার এক-তৃতীয়াংশের বেশি ছিল সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে। এর মধ্যে ছিল আইআরজিসির ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, নৌঘাঁটি এবং বন্দর আব্বাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এসব স্থাপনার অনেকগুলোই আবাসিক এলাকার খুব কাছাকাছি।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বন্দর আব্বাসের বাজারটি বিবিসির সফরের সময় ছিল প্রাণচঞ্চলযুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ নিহত হন শীর্ষ সামরিক নেতারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো এবং দেশের পারমাণবিক কর্মসূচিও।

তবে বন্দর আব্বাসের মেয়র মেহদি নোবানি দাবি করেন, যুদ্ধ দুর্বল করতে পারেনি ইরানকে। তার ভাষ্য, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এমনকি ব্যর্থ হয়েছে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টাও।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নিয়োগ ইরানকে বিভক্ত না করে বরং আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে।’

যদি যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়, তাহলে ইরান নিশ্চিতভাবেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিবিসির সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন শহরের বাজারে অনেকেই। কেউ কেউ বলেছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরে না ইরানকে।

তবে চীন থেকে সদ্য ফিরে আসা এক তরুণী বলেছেন, যুদ্ধের সময় পরিবারের পাশে থাকার জন্যই দেশে ফিরেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘ইরানিরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ফাতেমেহর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর বন্দর আব্বাসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েবাজারের এক কোণে ৫৫ বছর বয়সী ফাতেমেহ বিক্রি করছিলেন পিচ। তিনি বলেলেন, যুদ্ধের সময় চাকরি হারিয়েছেন তার ছেলে। এখন পরিবারের ভরসা তার ছোট্ট দোকানের আয়।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাইনি। বোমা হামলা হলে আমরা ভয় পাই। ট্রাম্প যুদ্ধ চেয়েছিলেন। তিনি হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালান।’

পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ৪০ বছর বয়সী মাসুমেহ কথোপকথনে যোগ দিয়ে বললেন, ‘প্রতিটি যুদ্ধই মানুষের জীবন ও অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিন্তু আমাদের ধৈর্য ধরতেই হবে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অব্যাহত রয়েছে আলোচনা। এখনো টিকে আছে যুদ্ধবিরতিও। তবে দুই দেশের টানাপোড়েনের কেন্দ্রবিন্দু হয়েই থাকবে হরমুজ প্রণালি। এটি নিয়ে খুব একটা দ্বিমত নেই বিশ্লেষকদের মধ্যে।

আর বন্দর আব্বাসের সাধারণ মানুষের কাছে যুদ্ধের হিসাব কৌশল বা ভূরাজনীতিতে নয়। তাদের কাছে এর অর্থ জীবিকা হারানো, বিমান হামলার আতঙ্কে কাটানো রাত এবং এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেই প্রত্যাশা।

সূত্র: বিবিসি

ইরানযুদ্ধবিরতিহরমুজ প্রণালিযুদ্ধযুক্তরাষ্ট্র
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ৩
    অস্ট্রিয়া
    ০
    ০৩ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    আলজেরিয়া
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    মিসর
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    কেপ ভার্দে
    ০
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:৩০ টা
    কলম্বিয়া
    ০
    ঘানা
    ০
    advertisement
    advertisement
    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    নরওয়ের স্ট্রাইকার নুসা লেখকও, তার বই হয়েছে বেস্টসেলার

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০০

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে শেষ ১৬-য় স্পেন

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    জীবন কোথায় নিয়ে যাবে জানি না

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় শিক্ষার্থীকে শোকজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩১

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ৩৪ হাজারের বেশি হজযাত্রী ফিরিয়েছে বিমান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    নারীর রাজনৈতিক বৈধতা ভাঙার চেষ্টা

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫২

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    বিশ্বকাপ নিয়ে আবার নোরা-সঞ্জয়ের গান

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ইরানের নির্দেশ না মানলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    প্রতিদিন ১০ খুন, অভিযানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬

    ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু

    ফুটবলের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক লাইজু

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    জুনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৯, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার ৩৫২

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২

    রোনালদোর রেকর্ডের রাতে মদরিচের স্বপ্নভঙ্গ

    রোনালদোর রেকর্ডের রাতে মদরিচের স্বপ্নভঙ্গ

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    অজানা উড়ন্ত বস্তু ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৫১

    রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

    রপ্তানিতে মন্দার বছর জুনে স্বস্তি

    ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯

    advertiseadvertise