জাতীয় পতাকার বেআইনি ব্যবহার বন্ধে লিগ্যাল নোটিস

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় পতাকার অনিয়মতান্ত্রিক ও বেআইনি ব্যবহার বন্ধে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে। ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী মো. শরীফ সরকারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী আজ সোমবার এই নোটিস পাঠিয়েছেন।
নোটিসে ‘বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক আদেশ, ১৯৭২’ ও ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’-এর লঙ্ঘন করে সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকার অনিয়মতান্ত্রিক ও বেআইনি উত্তোলন, প্রদর্শন ও ব্যবহার বন্ধ ও প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ডেস্ক ও দেয়ালে সাজসজ্জা হিসেবে এবং সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহৃত চেয়ার ও সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা রাখা বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয় এতে। আর তা নোটিস পাবার তিন দিনের মধ্যেই। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব ও অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পুলিশের মহাপরিদর্শককে এতে বিবাদী করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিসকক্ষে ভাঁজ করা জাতীয় পতাকা কর্মকর্তাদের চেয়ার বা সোফার পেছনে নিচু স্ট্যান্ডে রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অফিসের টেবিলেও জাতীয় পতাকা সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবে রাখা হচ্ছে। এ ধরনের ব্যবহার জাতীয় পতাকার মর্যাদা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করে।
এই আইনজীবী আরো জানান, পতাকা বিধিমালার ৬ নম্বর বিধিতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও অফিসে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধান আছে। অফিসকক্ষের ভেতরেও পতাকা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম ও পতাকার আকার, অনুপাত ও রঙের বিধানও মানতে হবে।






