গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫, ‘যুদ্ধবিরতি’ নিয়ে প্রশ্ন

গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাড়িতে আগুন ধরে যাওয়ার পর তা নেভানো হচ্ছে , ৩১ আগস্ট ২০২৬। ছবি : রয়টার্স
গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার গাজা সিটির একটি পৌর পার্কের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুইজন নিহত হন। এলাকাটিতে বাস্তুচ্যুত বহু পরিবার আশ্রয় নিয়েছিল।
গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের তাল আল-হাওয়া এলাকায় আরেকটি বিমান হামলায় একটি গাড়ি ধ্বংস হয়। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দুই হামলায় হামাসের যোদ্ধাদের লক্ষ্য করা হয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি তারা।
সোমবার নিহত পাঁচজনের মধ্যে দুজনের মরদেহ গাজার সবচেয়ে বড় চিকিৎসাকেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বজন ও বন্ধুরা তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ দুটি কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়।
পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু চুক্তি মানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের, প্রত্যাখ্যান ভারতের
৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবারের হামলায় নিহত একজনের স্বজন আমজাদ আবু আবদো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজায় একটি ভালো দিনও কাটেনি। আমরা ড্রোনের শব্দে ঘুমাতে পারি না। ঘুমালেও আতঙ্ক থাকে, কখন হামলা হয়।’
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ৩১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার ফিলিস্তিন সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড ফরসিবলি ডিসঅ্যাপিয়ার্ড পারসন্স এ তথ্য জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অক্টোবর থেকে তাদের পাঁচ সেনা এবং একজন বেসামরিক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৭৩ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০০ জন। নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সূত্র : আলজাজিরা








